সদরের সাবেক এমপি শান্ত’র পোষ্ট, ময়মনসিংহ আ’লীগের ৫ নেতার সম্পদ অনুসন্ধানের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৪ ১১:০৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৪ ১১:০৯ অপরাহ্ণ

আনিসুর রহমান ফারুক, ময়মনসিংহ :
বিগত ছাত্রজনতার আন্দোলনে হামলা ও গুলিবর্ষনে হতাহতের ঘটনায় দায়ের হওয়া একাধিক মামলার আসামি হয়ে পলাতক রয়েছেন ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোহিত উর রহমান শান্ত। তবে পলাতক থেকেও তিনি সক্রিয় রয়েছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে।
মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টা ৫২মিনিটে মোহিত উর রহমান শান্ত তাঁর ভেরিফাউড ফেইসবুক আইডিতে এরই ধারাবাহিকতায় একটি পোষ্ট করেছেন।
এরপর থেকেই শান্তর এই পোষ্ট নিয়ে নানা আলোচনা ও সমালোচনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগসহ নেটিজেনদের মাঝে।
ওই পোষ্টে তিনি নিজসহ ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের শীর্ষ পাঁচ নেতাকে বিগত ১৬ বছরে বেনিফিশিয়ারি উল্লেখ করে তাদের ব্যাংক ব্যালেন্স, স্থাবর ও অস্থাবরসহ সকল সম্পদের অনুসন্ধান করে তা প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।
পোষ্টটিতে সাবেক এমপি শান্ত লিখেছেন- ‘আমি ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামিলীগের সাধারন সম্পাদক। সারা দেশের আওয়ামি লীগের হয়ে সিদ্ধান্ত নেবার কোন সুযোগ আমার আদতেই ছিল না। স্বভাবতই সমস্ত দূর্নীতির দায়ও আমার উপর বর্তায় না। তবে ময়মনসিংহে সংগঠনের ভাল মন্দের দায় আমি এড়াব না। আর সে কারনেই দ্ব্যার্থহীনভাবে যারা যেভাবেই হোক দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর আওয়ামিলীগের সভাপতি, সাধারন সম্পাদক এবং জেলা আওয়ামীলীগের ৪ নম্বর সহসভাপতি, আমরা এই পাঁচজনই মূলত আওয়ামী লীগের বিগত ১৬ বছরের সরকারের প্রধান বেনিফিশিয়ারি। এই পাঁচজনের ব্যাংক ব্যালেন্স, স্থাবর, অস্থাবর, সকল সম্পদের অনুসন্ধান করেন, তারপর প্রকাশ করেন, কার কী ছিল বা আছে।’
সূত্রমতে, জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের পাঁচ নেতার মধ্যে রয়েছে- জেলার সভাপতি এহতেশামুল আলম, ৪ নম্বর সহসভাপতি আমিনুল হক শামীম, সাধারন সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, মহানগরের সভাপতি ইকরামুল হক টিটু ও সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত।
তবে এসব বিষয়ে জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ কোন নেতার বক্তব্য জানা যায়নি। একাধিক সূত্র জানায়, বিগত ৫ আগষ্টের পর থেকে গ্রেপ্তার এড়াতে তারা সবাই পলাতক রয়েছেন। এর মধ্যে কেউ কেউ দেশ ছেড়ে পাশর্^বর্তী দেশের সীমান্ত পাড়ি দিয়েছেন বলেও গুঞ্জণ রয়েছে।
জনতার আওয়াজ/আ আ