নিজেকে নির্দোষ দাবি শহীদুলের, নিশ্চুপ ছিলেন মামুন - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ৯:০৭, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

নিজেকে নির্দোষ দাবি শহীদুলের, নিশ্চুপ ছিলেন মামুন

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৪ ১২:৫১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৪ ১২:৫১ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রাজধানীর পৃথক দুই স্থানে দুইজন ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে পুলিশের সাবেক দুই মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একজন সদ্য সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, আরেকজন অবসরে থাকা আইজিপি শহীদুল হক।

বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টার দিকে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করা হয়। পৃথক দুই মামলায় তাদের ১০ দিন করে রিমান্ড চাওয়া হয়।

সকাল পৌনে সাতটার দিকে রিমান্ড শুনানি শুরু হয়। শুনানিকালে একপর্যায়ে আদালতে কথা বলেন সাবেক আইজিপি শহীদুল হক। তিনি বলেন, পুলিশ প্রধান থাকাকালে আমি কোনো মিথ্যা মামলা দিয়ে কাউকে হয়রানি করিনি। পুলিশকে জনগণের কাছে নিয়ে গেছি। যতদিন চাকরি করেছি, মানুষের সেবা করেছি। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তার কোনোটিই সত্য নয়। আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ।
অপরদিকে শুনানিকালে সদ্য সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন কোনো কথা বলেননি। তিনি একেবারে নিশ্চুপ ছিলেন। এ সময় দুজনের মাথায় হেলমেট পরা ছিল। তবে শুনানির একপর্যায়ে শহীদুল হক তার হেলমেট খুলে ফেলেন।

এরপর শুনানি শেষে পৃথক দুই হত্যা মামলায় শহীদুল হকের সাত ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে দুজনকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। শহীদুল হক উত্তরা থেকে গ্রেফতার হন। অন্যদিকে চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের নামে মামলা হওয়ায় তিনি আত্মসমর্পণের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। ফলে রাতে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয় বলে জানায় ডিএমপি।

চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে মোহাম্মদপুর থানার আবু সায়েদ হত্যা মামলায় রিমান্ডে নেওয়া হয়।

জানা যায়, গত ১৯ জুলাই বিকেল ৪টায় মোহাম্মদপুর থানার বছিলা ৪০ ফিট চৌরাস্তায় আবু সায়েদ কোটা আন্দোলনের সমর্থনে চলমান মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।

গত ১৩ জুলাই আমির হামজা নামে এক ব্যক্তি শেখ হাসিনা, চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ সাতজনকে আসামি করে সিএমএম আদালতে এ ঘটনায় হত্যা মামলা করেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী মামলাটি এফআইআর হিসেবে নিতে মোহাম্মদপুর থানাকে নির্দেশ দেন।

অন্যদিকে শহীদুল হককে রিমান্ডে নেওয়া হয় নিউমার্কেট থানার ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায়।

জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সময় ২০ জুলাই রাত সাড়ে ৮টার দিকে মোহাম্মদপুর থানার বেড়িবাঁধ এলাকায় গাড়ি পার্কিং করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধে হয়ে মারা যান ট্রাকচালক সুজন। এ ঘটনায় তার ভাই রফিকুল ইসলাম একটি হত্যা মামলা করেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ