হত্যাকারীদের বিচার ছাড়া আপনারা কীভাবে সংস্কার করবেন: রিজভী
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৪ ৩:২৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৪ ৩:২৫ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, যারা ছাত্র-জনতাকে হত্যা করেছে তাদের বিচার করা ছাড়া কীভাবে আপনারা সংস্কার করবেন। প্রশাসন বিচার বিভাগ সংস্কারের প্রস্তাব করেছেন আপনারা। শেখ হাসিনার দোসররা থাকা অবস্থায় আপনারা কীভাবে সংস্কার করবেন?
তিনি বলেন, বিচার বিভাগ পুলিশ প্রশাসনে শেখ হাসিনার দোসরা রয়েছে তারাই তো মরদেহের পাহাড় গড়েছে, তারা এখনো আছে। তারা কি সংস্কার করবে? তারা তো প্রতি পদে পদে বাঁধা দিবে। তারা সুবিধাভোগী, শেখ হাসিনার আস্থাভাজন। শেখ হাসিনা তাদেরকে লালন পালন করেছে।
শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহত শহীদ জাহিদুজ্জামান তানভীরের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, মাফিয়া সন্ত্রাসী টাকা পাচার এমন কিছু নেই যে শেখ হাসিনা করেনি। এখন সময় এসেছে এসব সংস্কার করার। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগুলো এখানে তো নির্বাচন হয়নি। শেখ হাসিনার আমলে তো কোন নির্বাচনই হয়নি। এগুলো হয়েছে স্থানীয় নেতা বা এমপি তাদেরকে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে নমিনেশন নিয়ে চেয়ারম্যান হয়েছে। এরা থাকলে দেশে তো সংস্কার হবে না। অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্য বলি অবিলম্বে এদেরকে বাতিল করুন তা না হলে সংস্কারের কাজ এগিয়ে যেতে পারবেন না। এসপি, ডিসিরা যারা আছে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে এই ছাত্র-জনতার যে রক্ত দিয়েছে এই রক্ত বৃথা হয়ে যাবে।
প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের উদ্দেশ্যে বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ভারত আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র। তাদের কাছে কেন আমাদের মাথা নওয়াতে হবে? ভারতের বিরুদ্ধে কথা বললে এদেশে যারা আওয়ামী লীগের দোসর আছে তারা বাধা দেয়, ক্ষুব্ধ হয়। এত মানুষ হত্যা করল শেখ হাসিনার পুলিশ বাহিনী। সেই শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়েছে। ভারত যদি আমার দেশের অন্যায়কারীকে আশ্রয় দেয় প্রশ্রয় দেয় তাহলে কি আমার অধিকার নেই দিল্লির বিরুদ্ধে কথা বলার? দশকের পর দশক ধরে তারা বাংলাদেশের সীমান্তে বাংলাদেশিদের উপর গুলি চালিয়েছে। পৃথিবীর সবচেয়ে রক্তাক্ত সীমান্ত হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা কফিল উদ্দিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম, বিএনপি নেতা এবি এম রাজ্জাক, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মনির প্রমুখ।
জনতার আওয়াজ/আ আ