নৈতিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে বিএনপি তীব্র প্রতিজ্ঞ: আলাল - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ১০:৫৮, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

নৈতিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে বিএনপি তীব্র প্রতিজ্ঞ: আলাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, অক্টোবর ১২, ২০২৪ ৩:৪২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, অক্টোবর ১২, ২০২৪ ৩:৪২ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, সংস্কারের জন্য বিএনপি ২৭ দফা দাবি পেশ করেছিল। সেখানে বলা আছে নির্বাচিত হলেও অন্যান্য রাজনৈতিক দল এর নেতাদের নিয়ে একটি জাতীয় সরকার গঠন করা হবে। সেখানে বলেছি বাংলাদেশে ভয়াবহ নৈতিক অবক্ষয় ঘটেছে এর ফলে সমাজে অস্থিরতা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে নৈতিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে বিএনপি তীব্র প্রতিজ্ঞ।

শনিবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন এন্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) এর উদ্যোগে নির্বাচন ব্যবস্থা কেমন চাই শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

আলাল বলেন, আমাদের সমস্যা অনেক জায়গায়। বর্তমান যে সংবিধান এই সংবিধানের আর্টিকেল ফিফটি নাইনে বলা হয়েছে স্থানীয় সরকার, আর্টিকেল ৬০ তে বলা আছে স্থানীয় শাসক। পরপর দুটি ধারায় একই কথা বলা আছে। এই জিনিসগুলো বহু বছর ধরে আবর্জনা জমে আছে। এখানে একে অপরের দোষারোপের চেয়ে সলিউশন টা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি।

যুবদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, সেই জন্য আমরা বলি সব জায়গায় কিছু কিছু নতুন জিনিস সংযুক্ত করা দরকার। যারা নির্বাচনের প্রার্থী হবেন তারা নির্বাচন কমিশনের সাথে একই মঞ্চে দাঁড়াবেন এবং তাদের লক্ষ্যের কথা বলবেন। তাহলে লুকোচুরি বিষয়টা থাকবে না। আর একটা হচ্ছে রুল অফ ল, এটা হওয়া উচিত রোল অফ জাস্টিস। পরপর দুবার প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না এটা বিএনপি’র প্রস্তাব। দুবার কেউ রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন না এটাও বিএনপি’র প্রস্তাব।

তিনি বলেন, বদলি, দায়িত্ব প্রদান এই জিনিসগুলোর সাথে আরেকটা জিনিস যুক্ত করতে হবে। নির্বাচন চলাকালীন সময় কোন উচ্চ আদালতে বা আদালতে নির্বাচন কমিশনের মতামত না নিয়ে কোন রিট গ্রহণযোগ্য হবে না। নির্বাচন কমিশনকে যদি এই ক্ষমতা দেয়া হয় তাহলে তারা ন্যায়পরায়ণ থাকতে বাধ্য হবে। নির্বাচন কমিশনের জবাবদিহিতা বেশি করে নির্ধারণ করা গেলে কার্যকরিতা বেশি হবে।

তিনি আরো বলেন, কিছু কিছু রাজনৈতিক দল আছে যারা প্রতিটি আসনে প্রার্থীর দেওয়ার যোগ্যতা রাখে কিন্তু দেয় না। সারা দেশের কর্মী এনে যে আসনে প্রার্থী দেয় সে আসনে ভিড় করায়। এতে অশ্রেতা সৃষ্টি হয় এবং প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের এ অস্থিরতা কন্ট্রোল করা সম্ভব হয় না।

সেমিনারে আরো বক্তব্য রাখেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) ড এম সাখাওয়াত হোসেন, নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান ও সুজনের সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, গণধিকার পরিষদের সভাপতি ভিপি নূর সহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যরা।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ