নারায়ণগঞ্জে নৈশপ্রহরীকে ৩ দিন আটকে রেখে পিটিয়ে হত্যা - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ১১:৪৭, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

নারায়ণগঞ্জে নৈশপ্রহরীকে ৩ দিন আটকে রেখে পিটিয়ে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, অক্টোবর ২০, ২০২৪ ৪:১৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, অক্টোবর ২০, ২০২৪ ৪:১৫ অপরাহ্ণ

 

এম আর কামাল, নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে অটো চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিরাজুল ইসলাম (৬৫) নামে এক নৈশপ্রহরীকে ৩দিন আটকে রেখে পিটিয়ে হত্যা করেছে অটো গ্যারেজ মালিক আক্তার ও তার সহযোগীরা।
রবিবার (২০ অক্টোবর) সকালে নিহত নাইটগার্ড সিরাজুল ইসলাম (৬৫) লাশ গ্যারেজ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। এরআগে গত বৃহস্পতিবার আক্তার ও তার লোকজন নৈশপ্রহরীকে সিরাজকে জহরপুর এলাকায় অটো গ্যারেজে বেধে রেখে এরপর থেকে নির্যাতন করে আসছে বলে স্বজনরা জানায়।
তাদের অভিযোগ বিষয়টি পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থল গেলেও সিরাজুল ইসলামকে উদ্ধার না করে চলে যায়। পুলিশ যদি তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসতো তাহলে এভাবে নির্মম পৈশাচিক নির্যাতনের শিকার হয়ে সিরাজের মৃত্যু হত না। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। নিহত সিরাজুল ইসলাম উপজেলার মুছাপুর গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলা মুছাপুর ইউপির জহরপুর এলাকার আক্তার হোসেনের মালিকানাধীন অটোরিকশা গ্যারেজে নৈশপ্রহরী হিসাবে কাজ করতেন পাশ্ববর্তী মুছাপুর গ্রামের বৃদ্ধ সিরাজুল ইসলাম। গত বৃহস্পতিবার রাতে কৌশলে গ্যারেজ থেকে ৬ টি অটো চুরি করে নিয়ে গেছে সংঘবদ্ধ একটি চোরের দল।
এ ঘটনার জের ধরে সিরাজকে গত তিনদিন যাবত গ্যারেজে আটক করে বেঁধে নির্যাতন চালায় গ্যারেজ মালিক আক্তার, তার ছেলে অর্ণপ, মহিন, রাজু ও ৬ অটো চালক। নির্যাতনের একপর্যায়ে রবিবার ভোররাত আড়াইটার দিকে সিরাজুল ইসলামের মৃত্য হয়। এ খবর পেয়ে রবিবার সকালে কামতাল তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছেন।
নিহতের ছেলে ইউসুফ ও মেয়ে শিল্পি জানান, চুরির ঘটনার পর শুক্রবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেও গ্যারেজ মালিক আক্তার ও মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মঞ্জু মেম্বার বিচারের কথা বলে বাবাকে গ্যারেজে আটক করে রেখে যায়। পরে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করেছে তারা।
রাত আড়াইটার দিকে বাবা আমাদের সঙ্গে কথা বলবে বলে আক্তার বাড়িতে খবর পাঠায়। পরে উপস্থিত হয়ে দেখি বাবার লাশ গ্যারেজের ভেতরে পড়ে আছে। পুলিশের দায়িত্ব অবহেলার কারণে আমার বাবাকে তারা পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। আমার বাবার হত্যার বিচার চাই।
কামতাল তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর সাব্বির রহমান বলেন, নাইটগার্ড বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যাকান্ডের ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন ।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ