লন্ডনে টিউলিপের বোন আজমিনার উপহার পাওয়া ফ্ল্যাটের সন্ধান, দিয়েছিলেন শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ আইনজীবী - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৫:১৩, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

লন্ডনে টিউলিপের বোন আজমিনার উপহার পাওয়া ফ্ল্যাটের সন্ধান, দিয়েছিলেন শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ আইনজীবী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, জানুয়ারি ৫, ২০২৫ ১১:৩৫ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, জানুয়ারি ৫, ২০২৫ ১১:৩৫ পূর্বাহ্ণ

 

আরিফ মাহফুজ , লন্ডন থেকে
শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার মেয়ে বৃটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক যখন নানাভাবে বিতর্কিত ঠিক তখনই বৃটিশ মিডিয়ার অনুসন্ধানে বের হচ্ছে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠজন কর্তৃক লন্ডনের বিলাসবহুল এলাকাগুলোতে টিউলিপ সিদ্দিককে দেয়া বাড়ি ও ফ্ল্যাটের খবর। লন্ডনের কিংসক্রস এলাকায় বৃটিশ মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিককে বিনামূল্যে একটি ব্যয়বহুল ফ্ল্যাট দিয়েছেন আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী আবদুল মোতালিফ। বৃটেনের ভূমি নিবন্ধন সংক্রান্ত নথিপত্রের বরাতে এমন খবর প্রকাশ করে বৃটিশ গণমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস।

ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এমন খবর প্রকাশের একদিনের মাথায় টিউলিপের ফ্রীতে পাওয়া আরো একটি ফ্ল্যাটের খবর প্রকাশ করলো বৃটিশ সংবাদপত্র দ্য টেলিগ্রাফ। তবে এই ফ্ল্যাটটি সরাসরি টিউলিপ সিদ্দিককে দেয়া হয়নি এটি দেয়া হয়েছিল টিউলিপের ছোট বোন আজমিনা সিদ্দিক রুপন্তিকে। টিউলিপের ছোট বোন আজমিনার বয়স যখন ১৮ বছর এবং অক্সফোর্ডে পড়াশোনা শুরু করতে চলেছেন তখন উত্তর লন্ডনের হ্যাম্পস্টেডের ফিঞ্চলে রোডে আজমিনাকে ফ্ল্যাট উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন মঈন গনি নামের একজন বাংলাদেশি আইনজীবী। যিনি হাসিনার সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সাথে মঈন গনির একটি ছবিও প্রকাশিত হয়েছে। মঈন গনি ২০০৯ সালে আজমিনার কাছে ফ্ল্যাটটি হস্তান্তর করেছিলেন। ভূমি রেজিস্ট্রি নথিতে বলা হয়েছে, আজমিনার কাছে ফ্ল্যাটের স্থানান্তরটি আর্থিক মূল্যে হয়েছে এমন রেকর্ড নেই ভূমি রেজিস্ট্রি নথিতে। তবে একসময় ঐ ফ্ল্যাটটিতে টিউলিপ সিদ্দিক বসবাস শুরু করেন। টিউলিপ ঠিক কখন ফ্ল্যাটে এসেছিলেন তা স্পষ্ট নয়। তবে ২০১২ সালে ডিসেম্বরের পরে তিনি যখন ওয়ার্কিং মেনস কলেজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবে নিয়োগে পেয়েছিলেন তখন কোম্পানি হাউসে তার ঠিকানা হিসেবে ঐ ফ্ল্যাটটির ঠিকানা তালিকাভুক্ত করেছিলেন।
২০১৪ সালের জানুয়ারিতে ক্যামডেন আর্টস সেন্টারের দাতব্য প্রতিষ্ঠান এবং মার্চ ২০১৪-এ হ্যাম্পস্টেড ওয়েলস এবং ক্যাম্পডেন ট্রাস্ট, আরেকটি অলাভজনক ট্রাস্টি হওয়ার ক্ষেত্রেও এই ফ্ল্যাটের ঠিকানা ব্যবহার করেছিলেন টিউলিপ।
তার স্বামী, ক্রিশ্চিয়ান পার্সিও মে, ২০১৬-এর শেষের দিকে এটিকে তার ঠিকানা হিসাবে তালিকাভুক্ত করেছিলেন। সেই সময় পর্যন্ত সিদ্দিক হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্নের লেবার এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে আজমিনা ২০২১ সালে ৬৫০,০০০ পাউন্ড-এ বাসস্থান বিক্রি করেছেন।

আজমিনার এই ফ্ল্যাটটির বিষয়ে টিউলিপ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে তার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে যে, তিনি একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তার বোনের সম্পত্তিতে বসবাস করেছিলেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ