পোস্টার লাগানোর সময় ছাত্রদলের ওপর হামলা, নেপথ্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ - জনতার আওয়াজ
  • আজ ভোর ৫:০৮, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

পোস্টার লাগানোর সময় ছাত্রদলের ওপর হামলা, নেপথ্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, মার্চ ২৯, ২০২৫ ৫:৩১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, মার্চ ২৯, ২০২৫ ৫:৩১ অপরাহ্ণ

 

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
পিরোজপুরের কাউখালীতে পোস্টার লাগানোর সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ হামলার জন্য নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগকে দুষছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। আর স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা বলছেন, ফেসবুক পোস্ট ইস্যুতে সংঘর্ষ হয়েছে।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার শিয়ালকাঠি ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন রাঢ়ীর হাট এলাকায় হওয়া এ ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত পাঁচজন। ওই সময় বাজার পার্শ্ববর্তী রাঢ়ী বাড়িতে হামলা ও অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটে।

হামলার শিকার ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জানান, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিনের ঈদ শুভেচ্ছার পোস্টার লাগানোর জন্য শুক্রবার রাতে তারা রাঢ়ীর হাটে যায়। এ সময় কাউখালী উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি রাসেল রাঢ়ী এবং তার ভাই যুবলীগের নেতা রহমত রাঢ়ীর নেতৃত্বে একদল যুবক তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে ছাত্রদলের পাঁচ নেতাকর্মী আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দুজনকে খুলনায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় পুলিশ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শামিম রাঢ়ী নামে একজনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে রফিকুল ইসলাম রাঢ়ী বলেন, ‘আমরা সকলেই ঢাকায় থাকি। ফেসবুকের পোস্টকে কেন্দ্র করে আমার দুই ভাইকে ধরে নেওয়ার জন্য একই এলাকার ঢাকা উত্তর মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম সুমনের নেতৃত্বে ৮-১০ জন লোক বাজারে এসেছিল। আমাদেরকে ধরে নিতে ব্যর্থ হওয়ার পর প্রায় দেড় শতাধিক লোক আমাদের বাড়িতে হামলা চালায়। তারা একটি খাবার ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়।’

হামলার অভিযোগ থেকে রক্ষা পেতে রাসেল রাঢ়ীর লোকজন নিজেরাই আগুন লাগিয়েছে বলে দাবি ছাত্রদল নেতা সুমনের। কিন্তু উভয় পক্ষই স্বীকার করেছে যে, ফেসবুক পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে ঢাকায় অবস্থানরত উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছিল। পোস্টার লাগানোর সময় তারা সামনাসামনি হওয়ায় পুনরায় তাদের মধ্যেকার দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এদিকে, ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার খবর পেয়ে সদর হাসপাতালে ছুটে যান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন ও কাউখালী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এস এম আহসান কবীরসহ জেলা ও উপজেলার বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

কাউখালী থানার ওসি মো. সোলায়মান বলেন, ‘পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের লোকজনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ আগুনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কাঠের ঘরে কিভাবে আগুন লেগেছে এ বিষয়ে জানি না।’

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ