আওয়ামী ফ্যাসিস্ট নেতার গনি আহমদের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান উদ্বোধন করন বি এন পি নেতা জনাব বরকত উল্লা ভুলু !
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
সোমবার, জুন ২৩, ২০২৫ ১১:৫৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
মঙ্গলবার, জুন ২৪, ২০২৫ ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ

নিউজ প্রতিনিধি
বিশেষ প্রতিনিধি,নোয়াখালী
কে এই গনি আহমেদ???????????
দেশের রাজধানী ঢকার বনানী এলাকায় বাংলাদেশ আওয়ামী ফ্যাসিস্ট ব্যাবসাহী ” গনি আহমদ ” ফেনী জেলা আওয়ামীলিগের কোষাধ্যক্ষ। সেই আওয়ামী গডফাদার জয়নাল হাজারী এবং পরবর্তীতে নিজাম হাজারীর অর্থ যোগান দাতা। যে অর্থ যোগানে সমগ্র ফেনী জেলায় আওয়ামী হায়নার ছাত্রলীগ, যুবলীগ সহ কিলিং মিশনের ক্যাডার বিগত পনর বছর ধরে বি এন পি ও সকল অংগ সংগঠনের অগনিত নেতা কর্মিদের অকাতরে খুন আর গুমের হলি চালিয়ে গিয়েছে। ফেনী জেলা আওয়ামী হায়নাদের মাঝে চিহ্নিত অর্থ যোগান দাতা এই গনি আহমদের নেতৃত্বে ২০১৭ সালের ৩০শে অক্টবর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া রোডমার্চ ফর ডেমোক্রেসি আন্দলনে ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম যাওয়ার পথে আবদুল গনির অর্থায়নে এবং নিলনকশায় তার নিজ বাড়ী সংলগ্ন সমিতির বাজার এবং মুহুরীগঞ্জ বাজারে খালেদা জিয়ার গাড়ির বহরে হামলা করা হয়েছিল। যে হামলায় বেগম খালেদা জিয়ার গাড়ি সহ কেন্দ্রীয় নেতাদের অনেক গাড়ি ভাংচুর করা হয়েছিল। এতে ফেনী জেলা বি এন পির বহু সংখ্যক নেতা কর্মি হতাহত ও গুলিবিদ্ধ হয়েছিল। বড়ই পরিতাপের বিষয় যে এই আওয়ামী হায়না গনি আহমেদ আজো বহাল তবিয়তে আছেন। জনমনে প্রশ্ন কাদের সেলটারে গনি আহামেদ নির্বিগ্নে তার সকল কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন?
সম্প্রতি ঢাকার বনানী এলাকায় গনি আহামেদর নিজস্ব ” বনানী হাই ফ্যাশান ” নামক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উদ্বোধন করা হয়। উক্ত উদ্বোধন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বি এন পির কেন্দ্রিয় নেতা জনাব বরকত উল্লা ভুলু। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বৈরাচারী এরশাদ আমলে বি এন পি ওবাযেদ গ্রুপের কেন্দ্রীয় নেতা জনাব আবদুল্লাহ চৌধুরী। দেশের সর্বত্র বি এন পির তৃনমূল পর্যায়ে দেখা দিয়েছে নানাহ প্রশ্ন আর ক্ষোব। বিশেষ করে বৃহত্তর নোয়াখালীতে চলছে নানান গুঞ্জন। কত কোঠি অর্থ লেনদেনের বিনিময়ে এই আওয়ামী হায়না গনি আহামেদ বীরদর্পে দেশে বহাল তবিয়তে এবং নিরাপদে আছেন?

সাধারন জনমনে জনাব বরকতউল্লা ভুলু কে নিয়ে চলছে নানাহ আলোচনা ও সমালোচনা।
উল্লেখ্য যে বিগত এক এগার পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সহ অগনিত কেন্দ্রীয় নেতা কর্মি কে দীর্ঘ সময় মিথ্যা মামলায় কারাবরন করতে হয়েছে। কিন্তু এই বি এন পি নেতা জনাব বরকত উল্লা ভুলু ছিলেন তদকালিন সেনা প্রধান মইন ইউ আহমেদের বিশেষ হেফাজতে। প্রায় দুই বছর দেশ নেত্রী বেমম খালেদা জিয়া গৃহ বন্ধি আর কারাবন্দী থেকে মুক্তি লাভের পর প্রথমে পিজি হাসপাতালে অসুস্থ কারাবন্দী জনাব তারেক রহমানকে দেখতে গিয়েছিলেন। সেদিন বি এন পি নেতা জনাব বরকত উল্লা ভুলু মইন ইউ আহমেদ জেফাজতখানা থেকে বেরিয় পিজি হাসপাতালে বেগম খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাত করতে এসেছিলেন। সাধারন জনগন বরকত উল্লা ভুলু কে দেখে তার ওপর চড়াও হযে মারধর করে পড়নের জামা কাপড় চিড়ে অপমান অপদস্ত করে ক্ষোবের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছিল।
উল্লেখ্য যে, এক এগার এর প্রধান কৌশলী এবং বি এন পি নিধনের হোতাকারী মইন ইউ আহমেদ কে সেনা প্রধান করার জন্য প্রধান তদবিরকারী ছিলেন এই বি এন পি নেতা জনাব বরকত উল্লা ভুলু।
তৃনমূল ও জনমনের প্রশ্ন –
হায় রে বি এন পি!
হায় রে শহীদ জিয়ার সুমহান আদর্শ – তুই আজ ব্যবসায়ী নামক গান্ধা রাজনিতিক নামের শিকলে আবদ্ধ!
আর কতকাল??
জনতার আওয়াজ/আ আ