নাটোরের গুরুদাসপুরে শিক্ষিকাকে বিয়ে করেছেন ছাত্র - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ২:০০, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

নাটোরের গুরুদাসপুরে শিক্ষিকাকে বিয়ে করেছেন ছাত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, জুলাই ৩১, ২০২২ ২:৩২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, জুলাই ৩১, ২০২২ ২:৩২ অপরাহ্ণ

 

নাটোর প্রতিনিধি

বয়স, সে তো একটি সংখ্যা মাত্র! আর ভালোবাসার ক্ষেত্রে বয়স যেন সকল বাধ অতিক্রম করে চলে। সেখানে সঙ্গীর বয়স মেনে হয় না যেমন কাছে আসা তেমনি মুখ্য মনে হয় না নিজের বয়সকেও। এটি অনেকটাই পূর্বনির্ধারিত। আর তার বাস্তব উদাহরণ দিলেন মামুন (২২) ও খাইরুন নাহার (৪০) দম্পতি। ৬ মাস প্রেমের পর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তারা। নাটোরের গুরুদাসপুরে তাদের বাড়ি। তবে বর্তমানে তারা নাটোর শহরের একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছেন।

জানা গেছে, গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোছা. খাইরুন নাহার। প্রথমে বিয়ে হয়েছিল রাজশাহীর বাঘায়। সেখানে তার এক সন্তানও রয়েছে। তবে পারিবারিক কলহে সে সংসার বেশি দিন টিকেনি। মাঝে কেটে যায় অনেকগুলো দিন। এরই মাঝে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয় ২২ বছরের যুবক মামুনের সঙ্গে। মামুনের বাড়ি একই উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের পাটপাড়া গ্রামে। তিনি নাটোর এন এস সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে ২০২১ সালের ২৪ জুন তাদের প্রথম পরিচয়। তারপর গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। এরপর ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বরে বিবাহ বন্ধনে আবন্ধ হন। সপ্তাহ খানেক আগে তাদের বিয়ের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে।

খাইরুন নাহার বলেন, প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম। আত্মহত্যা করারও সিদ্ধান্ত নেই। সে সময় ফেসবুকে পরিচয় হয় মামুনের সঙ্গে। মামুন আমার খারাপ সময় পাশে থেকে উৎসাহ দিয়েছে এবং নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখিয়েছে। পরে দুজন বিয়ের সিদ্ধান্ত নিই। বিয়ের পর মামুনের পরিবার মেনে নিলেও আমার পরিবার মেনে নেয়নি।

মামুন বলেন, কে কি বলল সেগুলো মাথায় না নিয়ে নিজেদের মতো সংসার গুছিয়ে নিয়ে জীবন শুরু করেছি। সকলের কাছে দোয়া চাই।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ