ক্ষমতায় গেলে প্রত্যেক বাড়িতে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে : টুকু - জনতার আওয়াজ
  • আজ ভোর ৫:৫৫, রবিবার, ১৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৩০শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ক্ষমতায় গেলে প্রত্যেক বাড়িতে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে : টুকু

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, আগস্ট ২, ২০২৫ ১২:১১ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, আগস্ট ২, ২০২৫ ১২:১১ পূর্বাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, বিএনপি যদি জনগণের ভোটে ক্ষমতায় যেতে পারে তাহলে প্রত্যেক বাড়িতে একটি করে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। আর এই ফ্যামিলি কার্ডটা থাকবে মায়েদের নামে। মায়েদের নামে এজন্য থাকবে যাতে সংসারে মায়েরা একটু সম্মানিত হয়। মায়েদের শক্তি বৃদ্ধি পায়। সেজন্যই এই ফ্যামিলি কার্ডটি মায়েদের নামে থাকবে।

শুক্রবার (১ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমির মাঠে এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় শুনেছি কিশোর গ্যাংয়ের কথা। আগামীতে কিশোর গ্যাং যাতে কেউ পরিচালনা করতে না পারে সে ব্যাপারে আমাদের সর্বোচ্চ পদক্ষেপ থাকবে। কিশোরদের কেন অবৈধ কাজের দিকে ধাবিত করা হবে। আজকে কিশোররা ভালো পড়ালেখা করে নিজেকে গড়ে তুলবে। সেদিকেই ধাবিত হওয়া উচিত বলে মনে করি। এতে মা-বাবার জন্য এবং দেশের জন্য মঙ্গল। তাদের দক্ষতায় তারা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। কিশোররাই আগামীর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মেধাবীদের উৎসাহ-উদ্দীপনা দেওয়ার জন্য হিজবুল পাহাড়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। যাতে করে তারা আরও বেশি ভালো ভালো কাজ করতে পারে। সে সঙ্গে দেশের জন্য তারা ভালো কিছু করতে পারে।

তিনি বলেন, বর্তমানে নারী শিক্ষার্থী বেশি। এতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান রয়েছে। কারণ অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। বিনা বেতনে যাতে ছাত্রীরা পড়াশোনা করতে পারে। সে ব্যবস্থাটা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াই করেছিলেন।

টুকু বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে সুন্দর বাংলাদেশ। জনগণই নির্ধারণ করবে আগামী বাংলাদেশকে কারা পরিচালনা করবে। আমি যেহেতু মার্কেটিংয়ের ছাত্র ছিলাম, সেহতু আমার দলেরও একটা মার্কেটিং করতে চাই। তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ করে বলেন, আমার হাতে ছোট্ট একটি বই রয়েছে। এ বইতে লেখা আছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৩১ দফার কথা। সেই ৩১ দফা বইটি ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে তুলে দিতে চাই।

এ সময় তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে ইনশাল্লাহ আমরা সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে এ দেশটিকে গড়ে তুলতে চাই। আমরা চাই জনগণের ভোটে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হোক। আমরা সঠিক ভোট চাই, খুনি হাসিনার মতো দিনের ভোট রাতে চাই না। আমরা চাই আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আমি টাঙ্গাইলের সন্তান টাঙ্গাইলেই আমার বেড়ে ওঠা। বর্তমানে ঢাকাতে অবস্থান করি। এজন্য টাঙ্গাইলের প্রতি আলাদা একটা মায়া মহব্বতের কাজ করে। সেক্ষেত্রে আমি যা করব সেটি টাঙ্গাইলকে ঘিরে করব। এ ছাড়াও চেষ্টা করব টাংগাইলকে আধুনিকায়ন করতে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক শানু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সদস্য সৈয়দ শহিদুল আলম টিটু ও জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মমতাজ করিমসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা এবং ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ