কুড়িগ্রামে বন্যা সহনশীল ধান পাইলটিং গবেষণা–ফলাফল প্রচার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
রবিবার, আগস্ট ১৭, ২০২৫ ১১:৪৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
রবিবার, আগস্ট ১৭, ২০২৫ ১১:৪৬ অপরাহ্ণ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
ছবি প্রতিনিধি
কুড়িগ্রামে বন্যা সহনশীল ধান পাইলটিং গবেষণা–ফলাফল প্রচার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার দুপুরে বেসরকারি সংস্থা বিএমজেড-পিটি প্রকল্প ও এএফএডি-এর আয়োজনে তাদের নিজস্ব মিলনায়তনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
এএফএডি’র নির্বাহী পরিচালক সাইদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য দেন কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. নাজিমুদ্দিন, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জুনায়েদ হাবিব, বিএমজেড-পিটি প্রকল্পের টেকনিক্যাল অফিসার মাহমুদুল হক ও প্রকল্প সমন্বয়কারী রফিকুল ইসলামসহ অন্যান্যরা।
কর্মশালায় জানানো হয়, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঘোগাদহ ও পাঁচগাছি ইউনিয়নের ২০টি দলে ৪৮০ জন নারী কৃষাণীকে এই গবেষণা প্রকল্পের আওতায় আনা হয়। পরীক্ষামূলকভাবে ব্রি-৫২, গানজিয়া, মালশিরা ও গুটি স্বর্ণা ধান চাষ করা হয়। এসব ধানের চাষে কোনো রাসায়নিক সার-কীটনাশক ব্যবহার না করে কেবল জৈব সার প্রয়োগ করা হয়। বিঘাপ্রতি তিন দফায় প্রায় ৪০০ কেজি জৈব সার ব্যবহারের ফলে ধানের ফলন ভালো পাওয়া গেছে।
গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়—ধানের দানা পুষ্ট ও সমান আকারের হয়, চিটা কম থাকে, জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পায় এবং জমির পানি ধারণ ক্ষমতাও বেড়ে যায়। এছাড়া ট্রেতে বীজতলা তৈরির কারণে বীজের অপচয় কমেছে, চারা স্বাস্থ্যবান হয়েছে এবং নির্দিষ্ট বয়সে জমিতে রোপণ করা সম্ভব হয়েছে।
কর্মশালায় নারী কৃষাণী, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।
জানা যায়, দেশের উত্তর, পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ৫টি অংশীদার সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত বিএমজেড-পিটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। জার্মান সংস্থা ম্যালটেজার ইন্টারন্যাশনাল ও বিএমজেড-এর সহায়তায় কুড়িগ্রামে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে এএফএডি।না করেছেন তারা।
জনতার আওয়াজ/আ আ