৭০ অনুচ্ছেদ গণতন্ত্রবিরোধী, স্বৈরত্রন্ত্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তি: জোনায়েদ সাকি - জনতার আওয়াজ
  • আজ ভোর ৫:৫৪, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

৭০ অনুচ্ছেদ গণতন্ত্রবিরোধী, স্বৈরত্রন্ত্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তি: জোনায়েদ সাকি

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, আগস্ট ২০, ২০২৫ ৯:৫৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, আগস্ট ২০, ২০২৫ ৯:৫৮ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, আমাদের এমপিরা হাত তোলা এমপি। তারা জনগণ দ্বারা নির্বাচিত হয়, কিন্তু পার্লামেন্টে গিয়ে দলের বাইরে কোনো ভূমিকা রাখার কোনো সুযোগ নাই। এখানে তো একটা বিরাট দ্বন্দ্ব! দল আপনাকে মনোনয়ন দিয়েছে, জনগণ কিন্তু আপনাকে নির্বাচিত করেছে। তাহলে এখানে কে প্রাধান্য পাবে? যদি জনগণ প্রাধান্য পায়, তাহলে ৭০ অনুচ্ছেদ থাকতে পারে না। ৭০ অনুচ্ছেদ বাংলাদেশের গণতন্ত্রের একটা সম্পূর্ণ বিরোধী জিনিস এবং এটাই যে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অন্যতম একটা ভিত্তি, সেই আলোচনাটা আমরা করতে পারব।

বুধবার (২০ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ ইউনিয়ন সদস্য সংস্থা (বাইসস) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বাইসসের প্রধান সমন্বয়ক গোলাম সারোয়ার মিলনের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আহমেদ আব্দুল কাইয়ুম, বাইসসের মহাসচিব এম সাইফুল ইসলাম মোয়াজ্জেম প্রমুখ।

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা হবে ভিত্তি, ক্ষমতা জনগণের হাতে থাকবে। রিপাবলিক যদি করতে চান, ক্ষমতা জনগণের হাতে দিতে হবে এবং এ জন্য গ্রাম পর্যন্ত ক্ষমতা যেতে হবে। সেটা করতে গেলে গ্রামের যারা জনপ্রতিনিধি, তাদের হাতে গ্রামের উন্নয়ন, কর্মকাণ্ড, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নাগরিক সেবা, আইনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা এগুলো ছাড়তে হবে। এবং আপনার তার জন্য যে বাজেট, কর সংগ্রহ, সংরক্ষণ, এগুলো কাঠামোগত জায়গায় নিতে হবে। এমপি তন্ত্র কায়েম রাখলে এটা হবে না।

সাকি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে আমরা সব সময়ই বলি, আপনারা কিছু সিগনেচার ওয়ার্ক করেন। যত টুক সময় পাবেন, এই সময়ের মধ্যে আপনারা সব সমস্যার সমাধান করতে পারবেন না। কেউ প্রত্যাশাও করে না। আপনারা যেটা করতে পারবেন, অনেকগুলো বড় জায়গায় হাত দিতে পারেন। বড়, ছোট, যেগুলো মানুষের জীবনকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। এবং সেই সব কাজ যেগুলো মানুষের কাছে অসম্ভব মনে হতো, যেগুলো মনে হতো যে বাংলাদেশে কোনো দিন বদলাবে না, রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে সেটা যে পরিবর্তন করা সম্ভব, এইটা মানুষ উপলব্ধি করবে। ফলে মানুষের রাজনৈতিক সচেতনতা কিন্তু ভিন্ন জায়গায় চলে যাবে। এবং পরবর্তীতে কোনো সরকার আর মানুষের দুর্দশাকে দিনের পর দিন পুঁজি করতে পারত না।

জনপ্রশাসনের সমালোচনা করে নুরুল হক নুর বলেন, আপনি একজন নাগরিক হিসেবে ইউএনও অফিসে যাচ্ছেন, একজন এসিল্যান্ডের কাছে যাচ্ছেন, আপনি একটু সম্মানের সহিত তার কাছ থেকে একটা ব্যবহার পাচ্ছেন? আপনার আম পাবলিকের কি কোনো পাত্তা আছে? মেম্বার-চেয়ারম্যানদের অনেক ক্ষেত্রে পাত্তা নাই, যদিও তারা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধি। আমরা যদি দেখতাম যে এই জনপ্রশাসনকে জনবান্ধব করা হয়েছে, যে প্রকৃত অর্থে তারা প্রজাতন্ত্রের সেবক, অন্তর্বর্তী সরকার এসে একটা বিশাল পরিবর্তন এনেছে, তাহলে মানুষ সন্তুষ্ট হতো।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ