বিভুরঞ্জনের মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন - জনতার আওয়াজ
  • আজ সন্ধ্যা ৬:৫৩, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বিভুরঞ্জনের মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, আগস্ট ২৫, ২০২৫ ৯:৫০ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, আগস্ট ২৫, ২০২৫ ১১:০৮ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
সাংবাদিকদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকারের মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত এবং সাগর-রুণিসহ সকল সাংবাদিক হত্যার বিচারের দাবিতে সংবাদবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটির আয়োজনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সমন্বয়ক শান্তা ফারজানার সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন প্রেস ইউনিটির উপদেষ্টা ও দৈনিক জনতার সংবাদ-এর সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. শাহজাহান আলী, দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার সম্পাদক অশোক ধর, সাংবাদিক মুঈদ খন্দকার, দৈনিক পূর্বাভাস-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও প্রেস ইউনিটির প্রতিষ্ঠাতা মোমিন মেহেদী, সাঈদা জাহান, নূরুল ইসলাম, আশরাফুল আলম ও জাহিদুল ইসলাম।

এ সময় সংহতি প্রকাশ করেন সাংবাদিক নাহিদ হাসান, তারেক হোসেন বাপ্পী, রাজু হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, জামাল শিকদার, মুস্তফা মাহমুদ, রাজিবুল ইসলাম প্রমুখ।

প্রেস ইউনিটির নেতারা বলেন, সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকারের মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটন করতে হবে। অন্তত এভাবে প্রমাণ করতে হবে যে, জাতি হিসেবে বাংলাদেশের মানুষ সাংবাদিকতাকে এখনো রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে রাখতে সক্ষম হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকেই এই পেশার মানুষ সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত, নিপীড়িত ও নির্যাতিত। কারণ, যখন যে সরকার আসে, তখনই সাংবাদিকদের দমন করে অপরাধ-দুর্নীতি আড়াল করার চেষ্টা চলে। এজন্যই হয়তো সাগর-রুণি হত্যার ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপরাধীদের ধরার ঘোষণা এলেও প্রায় ১৪ বছর পরও খুনিরা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। এ মামলার বিচার হয়নি, শুধু তারিখ বদলের খবরই জনগণ বারবার শুনছে।

তাঁরা বলেন, সর্বশেষ সিনিয়র সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকারের মরদেহ মেঘনায় পাওয়া গেলেও এর সঠিক তদন্ত হয়নি। ‘আত্মহত্যা’ বলা হলেও তাঁর মরদেহের সঙ্গে চশমা অক্ষত অবস্থায় ছিল, যা রহস্যজনক। এর আগে সাংবাদিক তুহিনকে কুপিয়ে হত্যার পর তাঁর চরিত্রহননের চেষ্টাও করা হয়েছিল।

সভাপতির বক্তব্যে শান্তা ফারজানা বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত কোনো সরকারই সাংবাদিকদের বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পারেনি। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও সেই ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। তাই সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুত না করা, বিশেষ ভাতা প্রদান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ‘সাংবাদিক নিরাপত্তা আইন’ বাস্তবায়ন করা জরুরি। অন্যথায় সরকারের অবস্থান নড়বড়ে হয়ে পড়বে।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ১৪ আগস্ট জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটি।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ