এলডিসি উত্তরণে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সতর্ক থাকার আহ্বান তারেক রহমানের
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৫ ৮:৩৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৫ ৮:৩৭ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
বিএনপিকে ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়ার তাগিদ দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ ২০২৬ সালের নভেম্বরে জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) ক্যাটাগরি থেকে উত্তরণের পথে রয়েছে। তবে এই উত্তরণকে শুধু একটি মাইলফলক হিসেবে না দেখে ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ রয়েছে, যা সম্পর্কে আমাদের সৎ থাকতে হবে। যা সরাসরি আমাদের অর্থনীতি এবং জনগণকে প্রভাবিত করবে।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
পোস্টে তারেক রহমান বলেন, ‘পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়া অগ্রসর না হলে অর্থনীতি ও জনগণ সরাসরি চাপের মুখে পড়তে পারে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে কয়েকটি সম্ভাব্য সমস্যা উল্লেখ করেন।
এগুলো হলো- বাণিজ্য সুবিধা হারালে তৈরি পোশাক খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমতে পারে; স্বল্পসুদে ঋণ ও সাহায্যের প্রবাহ কমে যাবে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও ঋণের চাপে থাকা অর্থনীতিকে আরও সংকটে ফেলতে পারে; বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও)-র বিশেষ সুবিধা- যেমন ভর্তুকি বা ওষুধের পেটেন্ট সংক্রান্ত ছাড় আর থাকবে না। এতে প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম বাড়তে পারে এবং প্রতিযোগিতামূলক ক্ষয় হলে একটি ক্ষেত্রের উপর রপ্তানি নির্ভরতা আমাদের দুর্বল করে তুলতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে বিএনপিকে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়ে কিছু প্রস্তাব করেন তারেক রহমান।
সেগুলো হল- পোশাকের বাইরে আমাদের রপ্তানি ভিত্তিকে আইসিটি, ওষুধ ও অন্যান্য মূল্য সংযোজন শিল্পে বৈচিত্র্য আনতে হবে, ঋণের ফাঁদ এড়াতে উন্নত আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিকে শক্তিশালী করতে হবে, বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক থাকার জন্য উৎপাদনশীলতা, বাণিজ্য সরবরাহ এবং আধুনিক অবকাঠামোতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে, রূপান্তরকে সমর্থন করার জন্য বাণিজ্য সুবিধা এবং সবুজ অর্থায়নের ক্ষেত্রে বিদেশি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে হবে।
পরামর্শ দিয়ে তারেক রহমান আরও বলেন, দেশের শ্রমিক, কৃষক ও তরুণ প্রজন্মকে দুর্বল অবস্থায় ফেলে রাখা যাবে না। এলডিসি থেকে উত্তরণের সুফল ভোগ করতে হলে এখনই বাস্তব অগ্রগতি ও সুযোগ তৈরি করা জরুরি।
জনতার আওয়াজ/আ আ