সিইসিকে গণঅধিকার পরিষদের ৯ প্রস্তাব - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৪:৪৭, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সিইসিকে গণঅধিকার পরিষদের ৯ প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৫ ৯:৪৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৫ ১০:৪১ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে করার লক্ষ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে ৯ দফা প্রস্তাব দিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ। দলটির প্রস্তাবে উপদেষ্টাদের সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ না রাখা, তফসিলের পর প্রশাসনকে ঢেলে সাজানো, বিগত ৩ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের নির্বাচনি দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা এবং প্রবাসীদের ভোট নিশ্চিত করাকে প্রধান্য দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে এসব প্রস্তাব তুলে দেন দলটির সভাপতি নুরুল হক নুর। বৈঠকে দলটির ৭ সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। সিইসির সঙ্গে বৈঠকের পর গণঅধিকার পরিষদ সহসভাপতি ফারুক হাসান সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো উপদেষ্টা যেন আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে ইসিকে সে ব্যবস্থা নিতে আমরা অনুরোধ জানিয়েছি। কারণ গণঅধিকার পরিষদ মনে করে, উপদেষ্টাদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলে তা নির্বাচনের নিরপেক্ষতা ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।’

ইসির কাছে গণঅধিকার পরিষদের লিখিত প্রস্তাবগুলো হলো-

১. বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো উপদেষ্টা আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না, এমন বিধান যুক্ত করা।

২. তফসিলের পর প্রশাসনকে ঢেলে সাজানো।

৩. ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটদান নিশ্চিত করা।

৪. ব্যালট বাক্সের নিরাপত্তার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে ব্যালট বাক্স উপজেলায় পাঠানোর সময় এবং ভোটকেন্দ্র থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আসা পর্যন্ত সার্বক্ষণিক প্রার্থীদের এজেন্টদের সঙ্গে রাখা।

৫. ভোটকেন্দ্র দখল ও কালোভোট বন্ধে কেন্দ্রে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা এবং কেন্দ্র দখল ও কালো ভোটের অভিযোগ থাকলে ভোটগ্রহণ বন্ধ করা।

৬. কোনো প্রার্থীর সমর্থকরা অন্য প্রার্থীর সমর্থকদের নির্বাচনি কাজে বাধা দেওয়া, ভয়-ভীতি প্রদর্শন করলে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া।

৭. বিগত তিন (২০১৪, ২০১৮, ২০২৪) সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের আগামী সংসদ নির্বাচনের দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা।

৮. নির্বাচনি কার্যক্রমে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দল, প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি সংশ্লিষ্টদের রিটার্নিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসারসহ নির্বাচনি কর্মকাণ্ডে না রাখা।

৯. ভোট পর্যবেক্ষণে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা করা এবং কেন্দ্রের বাইরে একটি জায়ান্ট স্ক্রিনে জনসাধারণের জন্য কেন্দ্রের ভেতরের ভোট কার্যক্রম ও ভোট গণনা পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা।

উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকার ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই উপদেষ্টা পরিষদে থাকা দুই উপদেষ্টা তাদের পদ ছাড়বেন। কারণ তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এবং স্থানীয় সরকার ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া আসন্ন সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ