চা শ্রমিকদের আন্দোলন নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র করছে সরকার
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শুক্রবার, আগস্ট ১৯, ২০২২ ১:২৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শুক্রবার, আগস্ট ১৯, ২০২২ ১:২৬ অপরাহ্ণ

সরকার ও চা বাগান মালিকরা মিলে শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ। শুক্রবার (১৯ আগস্ট) বেলা ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে চা শ্রমিকদের আন্দোলনের সাথে সংহতি জানিয়ে সংহতি সমাবেশে এ অভিযোগ করে দলটির নেতারা।
এসময় দলটির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ফিরোজ বলেছেন, চা শ্রমিকরা মানবেতর জীবনযাপন করছে। শ্রমিকদের প্রতি মালিকদেরতো ভ্রূক্ষেপ নেই, পাশাপাশি সরকারের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। বরং সরকার চা বাগান মালিকদের পক্ষাবলম্বন করছে।
বজলুর রশিদ বলেন, সরকার ও বাগান মালিকরা আলোচনার নামে কালক্ষেপণ করছে। তারা চাচ্ছে আলোচনার ধোয়াশা তুলে শ্রমিকদের আন্দোলন ধ্বংস করতে। তারা জানে শ্রমিকরা কয়েকদিন আন্দোলন করবে তারপর পেটের দায়ে আবার কাজে যোগ দিবে। কিন্তু তা হতে দেওয়া যাবেনা। শ্রমিকদের আন্দোলন যতদিন চলবে প্রয়োজনে শ্রমিকদের খাবারের জন্য আমরা লঙ্গরখানার ব্যবস্থা করবো। শ্রমিকরা এখন ৩০০ টাকা চাচ্ছে তা মেনে নিন। কয়েকদিন পরে ৫০০ টাকার জন্য আন্দোলন করা হবে।
তিনি বলেন, চা বাগানে শ্রমিকদের স্বাভাবিক জীবনের কোন ব্যবস্থা নেই। মালিকরা তাদের সাথে যে আচরণ করছে তা মানবতার পরিপন্থী। ভারতে চা শ্রমিকরা বাংলাদেশি টাকায় ৪৫০-৫০০ টাকা হাজিরা পায়। আর আমাদের দেশে ১২০ টাকা দেওয়া হয়। এই ১২০ টাকাও সব শ্রমিকরা পায়না। কারন প্রতিদিন ২৪ নিরিখ চা পাতা তুলতে না পারলে সে ১২০ টাকার কম পায়। আবার সর্বোচ্চ গ্রেডের বাগানের জন্য ১২০ টাকা। অন্যান্য গ্রেডের বাগানের জন্য আরো কম।
তিনি আরও বলেন, সরকার সাম্রাজ্যবাদী ধনিক ও লুটেরাদের স্বার্থ দেখে। এই ভোট ডাকাত সরকার জনগনের স্বার্থ দেখেনা। নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়েছে সরকার ফলে দেশের ৫৩ শতাংশ মানুষ খাবার কমিয় দিয়েছে। তারা এখন ২ বেলার বদলে ১ বেলা খেয়ে দিনাতিপাত করছে। তাই দেশের এই সংকট উত্তরণে আগামী ২৫ আগস্টের হরতাল পালন করুন।
সংহতি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জাফর হোসেন, আবুল কালাম, মো. হারুনুর রশিদ প্রমুখ।
জনতার আওয়াজ/আ আ