৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবের ভিত্তিতে বিএনপির ইশতেহার প্রণীত হবে: আলাল - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৩:২৪, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবের ভিত্তিতে বিএনপির ইশতেহার প্রণীত হবে: আলাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, জানুয়ারি ৭, ২০২৬ ২:০৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, জানুয়ারি ৭, ২০২৬ ২:০৪ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবের আলোকে ইশতেহার প্রণীত হবে বলে জানিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, জাতীয়তাবাদী আদর্শকে ধারণ করে বিএনপি প্রথমে নিজস্ব সংস্কার প্রস্তাব জাতির সামনে তুলে ধরেছে, পরে গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ৩১ দফা প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই প্রস্তাবনাগুলোকেই ভিত্তি করে আগামী নির্বাচনের ইশতেহার প্রস্তুত করা হবে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে শোক সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

আলাল সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, তার রাজনৈতিক পথচলার সূচনা হয়েছিল ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে। যুদ্ধ চলাকালে দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে গমন করে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণা যুগিয়েছেন এবং সেনাবাহিনী ও ইপিআরের সদস্যদের সহযোগিতা করেছেন। প্রাতিষ্ঠানিক রাজনীতিতে তার সক্রিয় ভূমিকা শুরু হয় শহীদ জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর।

আলাল বলেন, বিএনপির নেতৃত্ব গ্রহণ করেছিলেন তিনি সবার অনুরোধে। তার নেতৃত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল ধৈর্য, সহিষ্ণুতা ও মানবিক আচরণ। তিনি নেতাকর্মীদের প্রতি ছিলেন অভিভাবকের মত প্রয়োজনে শাসন, আবার প্রয়োজনে স্নেহ ও যত্ন প্রদর্শন করতেন।

ব্যক্তিগত উদাহরণ তুলে ধরে সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, সংসদে একবার তার ওপর অসন্তুষ্ট হলেও পরে নিজ উদ্যোগে খোঁজখবর নিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।

তিনি আরও বলেন, অসুস্থতা ও পারিবারিক সংকটের সময়ও নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী। চিকিৎসা থেকে শুরু করে বিদেশে নেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনায় পর্যন্ত তিনি ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নিয়েছেন।

বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলের বিভিন্ন অবদানের কথা উল্লেখ করে আলাল বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা, ভ্যাট ব্যবস্থা প্রবর্তন এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় গঠনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি ও প্রবাসী শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা হয়। আজকের শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহের ভিত্তি তার শাসনামলেই গড়ে ওঠে।

যুবদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া সবসময় বলতেন দেশের বাইরে তার কোনো ঠিকানা নেই, এই মাটিই তার একমাত্র ঠিকানা। চিকিৎসার জন্য বিদেশ থেকে একাধিকবার এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের প্রস্তাব এলেও তিনি দেশেই চিকিৎসা গ্রহণ করেন।

জিয়া পরিষদের প্রসঙ্গে আলাল বলেন, এই সংগঠনের সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার গভীর সম্পর্ক ছিল। জিয়া পরিষদকে তিনি সবসময় গুরুত্ব দিতেন। বর্তমান নেতৃত্ব তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেই আদর্শ ও অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নে জিয়া পরিষদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

আলাল শহীদ জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া, আরাফাত রহমান কোকোসহ মুক্তিযুদ্ধ ও বিভিন্ন আন্দোলনে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

জিয়া পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রফেসর ডক্টর মো আব্দুল লতিফ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এছাড়া জিয়া পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ