মহিলা ভোটই জয় পরাজয় নির্ধারণ করবে: সালাম
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
রবিবার, জানুয়ারি ১৮, ২০২৬ ৪:০২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
রবিবার, জানুয়ারি ১৮, ২০২৬ ৪:০২ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা–১৭ আসনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় নিশ্চিত করতে মহিলা ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা–১৭ আসনের নির্বাচনী প্রচারণা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানী ঢাকা ১৭ আসনের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে পেশাজীবী নেতৃবৃন্দদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “এই নির্বাচনে মহিলা ভোটই অর্ধেক শক্তি। এই ভোটই নির্ধারণ করবে কে জিতবে আর কে হারবে। তাই মা–বোনদের ভোট আমাদের খুবই প্রয়োজন।
মহিলা নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্য সালাম বলেন, দেশের স্বার্থে এবং নিজেদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আপনাদেরকে পরিবার, অফিস ও কর্মক্ষেত্র থেকে সময় বের করে বিএনপির পক্ষে মাঠে নামতে হবে। “এটা শুধু দলের জন্য নয় এটা আপনার নিজের অধিকার, নিজের ভবিষ্যতের জন্য।
আবদুস সালাম আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় না গেলে দেশ আবারও আরও কঠিন সময়ের মুখোমুখি হবে। একটি দুর্বল সরকার প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র চলছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তাঁর ভাষায়, “বিএনপি ক্ষমতায় যাবে এটা সবাই জানে। কিন্তু একটি মহল চায় যেন বিএনপি সর্বোচ্চ আসন না পায়, যাতে সরকার দুর্বল হয় এবং পরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে তা পতনের চেষ্টা করা যায়।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ঢাকা–১৭ আসনে দলের প্রার্থী বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। “চেয়ারম্যান কোনো রকমে জিতে গেলেই হবে না। তাকে রেকর্ড সংখ্যক ভোটে জিততে হবে। এই আসনে ম্যাক্সিমাম ভোট নিশ্চিত করাই আমাদের দায়িত্ব।
অতীতের নির্যাতন ও বঞ্চনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আবদুস সালাম বলেন, অনেকে শুধু শহীদ জিয়া রহমানের পক্ষে লেখা বা মত প্রকাশের কারণে চাকরি হারিয়েছেন, ব্যবসা নষ্ট হয়েছে। আপনারাই এসবের ভুক্তভোগী। এই নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ই সেই বঞ্চনার জবাব।
তিনি ১২৪টি ভোটকেন্দ্রের প্রতিটিতে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রতিদিন ১০–২০ জন ভোটারের সঙ্গে কথা বললেই বিভ্রান্তি দূর করা সম্ভব।
তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “আপনারা আজ সময় দিয়েছেন, আশা করি আগামী কয়েক দিনও দেবেন দেশের জন্য, নিজেদের জন্য।
এ সময় বিভিন্ন পর্যায়ের পেশাজীবী নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
জনতার আওয়াজ/আ আ