পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিলেন আনিসুল, ইনু ও মেনন, দেননি পলক ও সালমান
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
রবিবার, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
রবিবার, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
দেশের ইতিহাসে এই প্রথম কারাবন্দিরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছেন। এ প্রক্রিয়ায় পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনুসহ মোট ২২ জন ভিআইপি কারাবন্দি। একই সঙ্গে তারা গণভোটেও অংশ নেন।
তবে সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ভোট দেননি। ভোট দেওয়ার জন্য তারা কোনো নিবন্ধন সম্পন্ন করেননি বলে জানানো হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) জান্নাত-উল-ফরহাদ।
তিনি জানান, কারাগারে বন্দি ২২ জন ভিআইপি এবার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন। তাদের মধ্যে ১১ জন সাবেক সচিব এবং পাঁচজন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন। পাশাপাশি সাবেক প্রতিমন্ত্রী আনিসুল হক, হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেনন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। তবে জুনাইদ আহমেদ পলক ও সালমান এফ রহমান ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন না করায় তারা ভোটে অংশ নেননি।
তিনি আরও জানান, পোস্টাল ব্যালটে দেওয়া ভোটগুলো ডাকযোগে নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। ভোটগ্রহণের দিন এসব ব্যালট সাধারণ ব্যালটের সঙ্গে যুক্ত করে গণনা করা হবে। একই সঙ্গে তারা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি গণভোটেও অংশ নেন।
কারা অধিদফতরের সূত্রে জানা গেছে, এই ২২ জন ভিআইপি কারাবন্দির মধ্যে সাবেক আমলা, প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রী, সাবেক আইজিপি, সচিব এবং উচ্চ পদমর্যাদার কর্মকর্তারাও রয়েছেন।
কারা অধিদফতর আরও জানায়, দেশে প্রথমবারের মতো ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়ে মোট ৫ হাজার ৯৯০ জন কারাবন্দি ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করেন। এর মধ্যে ৪ হাজার ৬৭ জন ইতোমধ্যে ভোট দিয়েছেন। বাকিদের ভোট দেওয়ার কথা ছিল পরবর্তী সময়ে। তবে সর্বশেষ মোট কতজন কারাবন্দি ভোট দিয়েছেন, সে বিষয়ে চূড়ান্ত পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি।
সূত্র জানায়, ভোটগ্রহণের আগে কারাবন্দিদের জন্য খামে করে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়। কারা কর্তৃপক্ষ নিবন্ধিত বন্দিদের কাছে এসব ব্যালট পৌঁছে দেয়। প্রয়োজন অনুযায়ী কারও কারও ক্ষেত্রে খামের কোড স্ক্যান করতেও সহায়তা করা হয়। এরপর নিবন্ধন সম্পন্ন করা কারাবন্দিরা তাদের ভোট প্রদান করেন।
ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে সারাদেশের কারাগারগুলোকে কয়েকটি ভাগে বিভক্ত করা হয়। ঢাকা বিভাগকে দুটি সাংগঠনিক অংশে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগ-১-এর আওতায় ১ হাজার ৪৭৬ জন এবং ঢাকা বিভাগ-২-এর আওতায় ১ হাজার ১৮৩ জন কারাবন্দি ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত ছিলেন।
জনতার আওয়াজ/আ আ