কর্মবর্ষের নয়, করবর্ষের সম্পদের হিসাব দিয়েছেন উপদেষ্টারা - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৯:২৭, সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৯শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

কর্মবর্ষের নয়, করবর্ষের সম্পদের হিসাব দিয়েছেন উপদেষ্টারা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ ১১:৫২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ ১১:৫২ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদের বিবরণী প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এটা প্রকাশ করেছে। গত ৩০ জুন পর্যন্ত আয়কর বিবরণীর তথ্য অনুযায়ী তারা সম্পদের হিসাব দাখিল করেছেন। যদিও এরপর আরও প্রায় ৭ মাস দায়িত্ব পালন করেছেন তারা। সেই হিসাব দেখানো হয়নি। তবে পরবর্তী সময়ে সেই হিসাবও জমা দেবেন বলে জানিয়েছেন অনেক উপদেষ্টা।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। পরে কয়েক দফায় নতুন উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়। সংযোজন-বিয়োজনের পর শেষ পর্যন্ত উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যসংখ্যা প্রধান উপদেষ্টাসহ ছিল ২১ জন। এ ছাড়া উপদেষ্টা পদমর্যাদায় বিশেষ সহকারী, বিশেষ দূত ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা চারজন। প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার চার বিশেষ সহকারী এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যানও দায়িত্ব পালন করেছেন।

উপদেষ্টাদের সম্পদের হিসাব বিবরণী বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপদেষ্টাদের চেয়ে তাদের স্ত্রী বা স্বামীর অর্থ-সম্পদ বেশি। দু-একজন বাদে অধিকাংশ উপদেষ্টার দেশের বাইরে কোনো অর্থ-সম্পদ নেই। এ ছাড়া বন ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানসহ বেশ কয়েকজন উপদেষ্টার অর্থ-সম্পদের পরিমাণ কমে গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শেষ সময়ে হলেও উপদেষ্টারা যে সম্পদের হিসাব জনগণের কাছে প্রকাশ করেছেন, এটা অবশ্যই ভালো দিক। এতে জবাবদিহিও নিশ্চিত হয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা দায়িত্ব গ্রহণের পর বলেছিলেন, নিয়ম মেনে সব উপদেষ্টার সম্পদের বিবরণ প্রকাশ করা হবে। পরে সরকারি কর্মকর্তাদেরও এই হিসাব দিতে হবে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিশ্বব্যাংকের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন খবরের কাগজকে বলেন, ‘উপদেষ্টারা যে সম্পদের হিসাব দাখিল করেছেন, এটা অবশ্যই ভালো চর্চা। এর মধ্য দিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিও নিশ্চিত হয়েছে। তবে কার সম্পদ কত বেড়েছে বা কমেছে, সেটা আমার কাছে বিবেচ্য বিষয় নয়।’

তিনি বলেন, ‘যেখানে আমাদের চোখের সামনে হাতি পার হয়ে যাচ্ছে, সেখানে দড়ি নিয়ে টানাটানি করে লাভ নেই।’

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের মোট পরিসম্পদ ছিল ১৫ কোটি ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫ টাকার। এক বছর আগে তা ছিল ১৪ কোটি ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৭৩ টাকা। অর্থাৎ এক বছরে প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ ৪ হাজার ৩৯২ টাকা। উপদেষ্টাদের মধ্যে প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে।

সঞ্চয়পত্র নগদায়ন, সঞ্চয়ী বা মেয়াদি আমানত বৃদ্ধি, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া শেয়ার ইত্যাদি কারণে মোট সম্পদ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রধান উপদেষ্টার স্ত্রী আফরোজী ইউনূসের মোট পরিসম্পদ ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৩ হাজার ৩৬০ টাকা, যা আগের অর্থবছরে ছিল ২ কোটি ১১ লাখ ৭৭ হাজার ২৭৪ টাকা। সে হিসাবে এক বছরে তার সম্পদ কমেছে ৮৪ লাখ ১৩ হাজার ৯১৪ টাকা।

আয়কর আইন অনুযায়ী, একজন করদাতার মালিকানাধীন স্থাবর-অস্থাবর, আর্থিক ও মূলধনি সম্পত্তির সমষ্টি হলো পরিসম্পদ।

অধ্যাপক ইউনূসের সম্পদের বিবরণের তথ্য অনুযায়ী, তার আর্থিক সম্পদের পরিমাণ ১৪ কোটি ৭৬ লাখ ৬৪ হাজার ৪০১ টাকা। এক বছর আগে এই অর্থের পরিমাণ ছিল ১৩ কোটি ১৮ লাখ ৭১ হাজার ৪৩৩ টাকা। আর তার নন-ফাইন্যান্সিয়াল সম্পদ আছে ২১ লাখ ৬ হাজার ২৫০ টাকার। এক বছর আগে ছিল ২০ লাখ ৯২ হাজার ৫০০ টাকা। দেশের বাইরে তার সম্পদ আছে ৬৪ লাখ ৭৩ হাজার ৪১৪ টাকার। এক বছর আগে ছিল ৬১ লাখ ৭৫ হাজার ৭৪০ টাকার।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০২৩ সালের আয়কর আইন প্রণয়নের সময় ব্যক্তির সম্পদের সংজ্ঞা আন্তর্জাতিক রীতি-নীতি অনুসারে ঠিক করা হয়। সেখানে আর্থিক সম্পদ বলতে বোঝায়, নগদ টাকার পাশাপাশি ব্যাংকে রাখা টাকা, সঞ্চয়পত্র, বিভিন্ন শেয়ার, কোম্পানি থেকে পাওয়া লভ্যাংশ ইত্যাদি। আর নন-ফাইন্যান্সিয়াল সম্পদ হলো আর্থিক সম্পদের বাইরে থাকা সম্পদ। এই তালিকায় আছে জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট, প্লটসহ সব ধরনের স্থাবর সম্পদ।

প্রধান উপদেষ্টার স্ত্রী আফরোজী ইউনূসের সম্পদ বিবরণীর তথ্য অনুযায়ী, তার আর্থিক সম্পদ আছে ৪ লাখ ৫১ হাজার ৮৬০ টাকার। এক বছর আগে এর পরিমাণ ছিল ৯৫ লাখ ৪১ হাজার ৬৭৯ টাকার। আর তার নন-ফাইন্যান্সিয়াল সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ২৩ লাখ ১১ হাজার ৫০০ টাকার। এক বছর আগে এর পরিমাণ ছিল ১ কোটি ১৬ লাখ ৩৫ হাজার ৫৯৫ টাকার। তার বিদেশে কোনো সম্পদ নেই। অধ্যাপক ইউনূসের কোনো দায় না থাকলেও তার স্ত্রীর ১৬ লাখ ৯৬ হাজার টাকার দায় রয়েছে।

গত ৩০ জুন পর্যন্ত অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের মোট পরিসম্পদ ৭ কোটি ১৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬ টাকার। এক বছর আগে তা ছিল ৭ কোটি ১০ লাখ ৪৯ হাজার ৭১৮ টাকা। অর্থাৎ এক বছরে অর্থ উপদেষ্টার সম্পদ বেড়েছে ৫ লাখ ৬৫ হাজার ৩০৮ টাকা। আয়কর বিবরণী অনুযায়ী, তার আর্থিক সম্পদের পরিমাণ ৬ কোটি ৮৭ লাখ ৫২ হাজার ৮২৬ টাকা। এক বছর আগে এই অর্থের পরিমাণ ছিল ৬ কোটি ৫২ লাখ ৪২ হাজার ৫১৮ টাকা। আর তার নন-ফাইন্যান্সিয়াল সম্পদ আছে ২৮ লাখ ৬২ হাজার ২০০ টাকার। এক বছর আগে ছিল ৫৮ লাখ ৭ হাজার ২০০ টাকার সম্পদ। দেশের বাইরে তার কোনো সম্পদ নেই। এ ছাড়া ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক দায় নেই। এক বছর আগে ছিল ৮৪ হাজার টাকা।

তার স্ত্রী পারভীন আহমেদের মোট পরিসম্পদ ৫ কোটি ৩৮ লাখ ৮৩ হাজার ৯৯৭ টাকা। এক বছর আগে যা ছিল ৪ কোটি ৬৪ লাখ ২৭ হাজার ৩০৫ টাকা। অর্থাৎ এক বছরে তার সম্পদ বেড়েছে ৭৪ লাখ ৫৬ হাজার ৬৯২ টাকা। এ সময় তার ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক দায় ৫৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা বেড়ে হয়েছে ৩ কোটি ১২ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের মোট পরিসম্পদের পরিমাণ ১৬ কোটি ২২ লাখ ৯৫ হাজার ৪৮৩ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৫ কোটি ০৯ লাখ ১৩ হাজার ১০২ টাকা। অর্থাৎ এক বছরে তার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ১৩ লাখ ৮২ হাজার ৩৮১ টাকা। ব্যাংক আমানত থেকে প্রাপ্ত মুনাফা, ডেভেলপার কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি হতে আয়ের কারণে মোট সম্পদ বেড়েছে। তার স্ত্রী মৃত।

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের এক বছরে মোট সম্পদ বেড়েছে ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৭৯৯ কোটি টাকা। ২০২৫ সালের ৩০ জুন শেষে তার মোট সম্পদ ছিল ১ কোটি ৬০ লাখ ৯৮ হাজার ২৩২ টাকা। এক বছর আগে যা ছিল ১ কোটি ৪৮ লাখ ১০ হাজার ৪৩৩ টাকা। এ সময় তার আর্থিক সম্পদ ছিল ৯১ লাখ ৩২ হাজার ৪৩২ টাকা এবং নন-ফাইন্যান্সিয়াল সম্পদ ছিল ৬৯ লাখ ৬৫ হাজার ৮০০ টাকা, যা এক বছর আগে ছিল ৮৮ হাজার ৪৪ হাজার ৬৩৩ এবং ৫৯ লাখ ৬৫ হাজার ৮০০ টাকা। দেশের বাইরে কোনো সম্পদ আগেও ছিল না, এখনো নেই।

তার স্ত্রী শীলা আহমেদের মোট সম্পদ ২ কোটি ৪৪ লাখ ৯২ হাজার ৬১৩ টাকা। এক বছর আগে ছিল ২ কোটি ১ লাখ ৩৪ হাজার ৭২০ টাকা।

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমের মোট সম্পদের পরিমাণ ৬ কোটি ২৪ লাখ ৮৬ হাজার ৬৬৩ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৬ কোটি ২০ লাখ ৭৬ হাজার ৮২৬ টাকা। সেই হিসাবে এক বছরে তার সম্পদ বেড়েছে ৪ লাখ ৯ হাজার ৮৩৭ টাকা। উপদেষ্টাদের মধ্যে তার সম্পদই সবচেয়ে কম বেড়েছে।

৩০ জুন শেষে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ৯৩ লাখ ১১ হাজার ১৫৮ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৮৬ লাখ ৮৬ হাজার ৬০৯ টাকা। অর্থাৎ এক বছরে সম্পদ বেড়েছে ৬ লাখ ২৪ হাজার ৫৪৯ টাকা।

এ সময় তার স্ত্রীর মোট সম্পদের পরিমাণ ৩ কোটি ৬৬ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭২ টাকা। এক বছর আগে যার পরিমাণ ছিল ৩ কোটি ৬৭ লাখ ৮৭ হাজার ৭৮৩ টাকা।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলমের মোট সম্পদ ১৫ লাখ ৫৪ হাজার ৮৯৫ টাকা বেড়ে হয়েছে ২ কোটি ৭৭ লাখ ২০ হাজার ৭৭৪ টাকা। এক বছর আগে এর পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৬১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৭৯ টাকা।

এ সময় তার স্ত্রী লায়লা আরজুর মোট সম্পদ বেড়েছে ২ লাখ ৩৮৬ টাকা। ৩০ জুন শেষে তার সম্পদ ছিল ১ কোটি ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৫৫৪ টাকা। এক বছর আগে যা ছিল ১ কোটি ১১ লাখ ৯৯ হাজার ১৬৮ টাকা।

আয়কর বিবরণীর তথ্য অনুযায়ী, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমানের মোট সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি ৫২ লাখ ৯৯ হাজার ২৬৯ টাকা। এক বছর আগে যা ছিল ৯৮ লাখ ২২ হাজার ৭ টাকা। অর্থাৎ এক বছরে তার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৫৪ লাখ ৭৭ হাজার ২৬২ টাকা। এ সময় তার নন-ফাইন্যান্সিয়াল সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৪১ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। উত্তরাধিকার সূত্রে গৃহসম্পত্তি ও কৃষি সম্পত্তি প্রাপ্ত হওয়ায় নন-ফাইন্যান্সিয়াল সম্পদ বেড়েছে বলে তিনি আয়কর বিবরণীতে উল্লেখ করেছেন। এ সময় তার স্ত্রীর মোট সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৫ কোটি ৮৩ লাখ ৭৮ হাজার ২৮৫ টাকা, যা এক বছর আগে ছিল ৫ কোটি ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৩১৪ টাকা।

বন ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দ রিজওয়ানা হাসানের মোট সম্পদ কমেছে ১ কোটি ১২ লাখ ৯২ হাজার ১৩১ টাকা। ৩০ জুন শেষে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ১২ লাখ ৭২ হাজার ৯২৪ টাকা। এক বছর আগে যা ছিল ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৫৫ টাকা। এ সময় তার স্বামী আবু বকর সিদ্দিকের মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৯০ লাখ ৩৯ হাজার ৮৯৫ টাকা। এক বছর আগে যা ছিল ১ কোটি ৮৯ লাখ ৬০ হাজার ৭৮৩ টাকা।

উপদেষ্টাদের হিসাব বিবরণী বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি সম্পদের অধিকারী বাণিজ্য উপদেষ্টা সেখ বশির উদ্দিন। তার মোট সম্পদ ছিল ৯১ কোটি ৬৫ লাখ ১০ হাজার ৮৯৫ টাকা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৯১ কোটি ১০ লাখ ৯৮ হাজার ৮৪২ টাকা।

সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৬ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ২৬ টাকা। অর্থাৎ এক বছরে তার সম্পদ কমেছে ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকা।

৩০ জুন শেষে ২০২৪ সালের আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সম্পদের পরিমাণ ছিল ১৫ লাখ ৩৪ হাজার ৭১৭ টাকা। এর আগে তার কোনো টিন নম্বর ছিল না। ফলে আগের বছরের হিসাব বিবরণীর তথ্যও নেই।

গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দানকারী তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলমের সম্পদের পরিমাণ ছিল ১২ লাখ ৭৬ হাজার ৮৭৯ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা।

প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিকবিষয় সংক্রান্ত বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী অবৈতনিক হিসেবে কাজ করেন। অর্থাৎ তিনি সরকারের কোনো সুযোগ-সুবিধা নেন না। তাই তিনি হিসাব বিবরণীও দেননি।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ