১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন তারেক রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ ৭:৫১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ ৭:৫১ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
সংগৃহীত ছবি
আগামী ১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের পাইলটিং উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের উপকমিটির এক সভায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত উপকমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সভায় ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের পাইলট বাস্তবায়নের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ প্রকল্পের পাইলটিং কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের বিভিন্ন বিভাগের ১৪টি উপজেলা নির্বাচন করা হয়েছে। প্রতিটি উপজেলা থেকে একটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে সর্বজনীনভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। একই দিনে ১৪টি উপজেলায় একযোগে কার্যক্রম শুরু হবে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং পর্যায়ক্রমে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আরও বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে দেশের হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত তিন শ্রেণির সুবিধাভোগী পরিবারের মায়েরা সরাসরি উপকৃত হবেন। নারীর ক্ষমতায়ন এবং তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, একজন নারী স্বাবলম্বী হলে একটি পরিবার স্বাবলম্বী হয় এবং এর প্রভাব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপরও পড়ে।
তিনি উল্লেখ করেন, এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার। প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করে আসছেন। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীরা প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন।
মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড প্রদানে কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বৈষম্য করা হবে না। এটি একটি সর্বজনীন কার্ড এবং বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হচ্ছে। সবার সহযোগিতায় আগামী চার মাসের মধ্যে পাইলট কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। পরে এটি সারাদেশে সম্প্রসারণ করা হবে এবং ধাপে ধাপে প্রতিটি উপজেলা এর আওতায় আনা হবে। শুরুতে একটি ওয়ার্ড, পরে ইউনিয়ন এবং শেষে পুরো উপজেলা কাভার করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, সুবিধাভোগীদের সরাসরি বাছাই না করে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে তালিকা প্রস্তুত করা হবে। প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে ‘ডোর টু ডোর’ পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। ঘরে বসে তালিকা তৈরি করা হবে না এবং এতে কোনো বৈষম্য করা হবে না। কর্মসূচি বাস্তবায়নে উপজেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হবে। একইভাবে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়েও সরকারি কর্মচারীদের সমন্বয়ে পৃথক কমিটি থাকবে। প্রতিটি উপজেলায় তদারকির দায়িত্বে থাকবেন একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা। তথ্যগত ভুল কমাতে দুই স্তরের যাচাই ও পুনঃযাচাই (চেকিং ও রি-চেকিং) ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
জনতার আওয়াজ/আ আ