সংরক্ষিত আসনে বিএনপির নতুন মুখ ২৬, বাদ অনেক হেভিওয়েট
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
মঙ্গলবার, এপ্রিল ২১, ২০২৬ ৫:০২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
মঙ্গলবার, এপ্রিল ২১, ২০২৬ ৫:০২ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত আসনে ৩৬ জন চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। ঘোষিত তালিকায় একাধিক নতুন মুখ স্থান পেয়েছে। তবে আলোচনায় থাকলেও কয়েকজন হেভিওয়েট নেত্রী শেষ পর্যন্ত বাদ পড়েছেন। তালিকায় সাবেক সংসদ সদস্য আছেন ১০ জন। তবে বড় চমক হলো সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন ছাত্রদলের সহসভাপতি মানসুরা আক্তার। এ ছাড়া দুজন নেত্রীকে নিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ৩৬ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেওয়ার আগে জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা দুই দিনব্যাপী বিস্তৃত সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন। সেই প্রক্রিয়া শেষে মনোনয়ন বোর্ড চূড়ান্তভাবে ৩৬ জনকে মনোনীত করে। আজ নির্বাচন কমিশনে তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন।
ঘোষিত তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, এবার নতুনদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বেশি। মোট ২৬ জন নারী প্রথমবারের মতো বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য হতে যাচ্ছেন। তাদের মধ্য থেকে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে তিন পরাজিত প্রার্থী এবার সংরক্ষিত কোটায় সংসদ সদস্য হতে যাচ্ছেন। তারা হলেন শেরপুর-১ আসনের যুগ্ম আহ্বায়ক সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা, যশোর–২ আসনের নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবিরা সুলতানা মুন্নি, ঢাকা-১৪ আসনের সানজিদা ইসলাম তুলি।
এ ছাড়া প্রথমবার সংসদ সদস্য হতে যাচ্ছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফাহিমা নাসরিন মুন্নি, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন, জেবা আমিন খান, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য মাহমুদা হাবিবা, চ্যানেল আইয়ের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান তৃতীয় মাত্রার উপস্থাপক জিল্লুর রহমানের স্ত্রী ও সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের পরিচালক ফাহমিদা হক, বিএনপির ধর্মবিষয়ক সহ-সম্পাদক অ্যাডভোকেট জন গমেজের স্ত্রী ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায় ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নেত্রী আন্না মিনজ, গোপালগঞ্জের সুবর্ণা শিকদার ঠাকুর, কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম আরা বেগম স্বপ্না, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি প্রয়াত শফিউল বারীর স্ত্রী বীথিকা বিনতে হোসাইন, বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুরাইয়া জেরিন রনি, ছাত্রদলের সহসভাপতি মানসুরা আক্তার, বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী মরহুম অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরীর মেয়ে ও মোবাইল অপারেটর বাংলা লিংকের সিইও জহরত আদিব চৌধুরী, মহিলা দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ফ্রান্সপ্রবাসী মমতাজ আলো, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা ও নাদিয়া পাঠান পাপন, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রদলের সদস্যসচিব সানজিদা ইয়াসমিন তুলি, ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শওকত আরা আক্তার, বান্দরবান জেলা পরিষদে সদস্য অ্যাডভোকেট মাধবী মারমা, ছাত্রদলের সাবেক নেত্রী সেলিনা সুলতানা নিশিতা এবং রংপুর মহানগর মহিলা দলের সভাপতি এবং মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সহ–সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) অ্যাডভোকেট রেজেকা সুলতানা ফেন্সী।

তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর জাতীয় সংসদে আদিবাসী নারীর প্রতিনিধিত্ব হিসেবে সংসদে যাচ্ছেন ওঁরাও সম্প্রদায়ের আন্না মিনজ। ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মানসুরা আক্তার এবার সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ সদস্য। আর সরাসরি রাজনীতি না করেও মনোনয়ন পেয়েছেন জহরত আবিদ চৌধুরী।
সাবেক ১০ জন সংসদ সদস্য
চূড়ান্ত মনোনয়নে সাবেক ১০ জন সংসদ সদস্যকে বেছে নিয়েছে বিএনপি। তারা হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক শিরীন সুলতানা, স্বনির্ভরবিষয়ক সহ-সম্পাদক নিলুফার চৌধুরী মনি, প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক রাশেদা বেগম হীরা, সহ-প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক রেহেনা আক্তার রানু, সহ-শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, সহ-স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক ও মিডিয়া সেলের সদস্য শাম্মী আক্তার, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য বিলকিস ইসলাম, নেওয়াজ হালিমা আরলী ও মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ।
নিলুফার চৌধুরী মনি তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘আমাকে দ্বিতীয়বারের মতো সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনীত ও নির্বাচিত করার জন্য বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও গভীর ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।’
তিনি বলেন, ‘এই সম্মান আমার জন্য বড় দায়িত্বের প্রতীক। দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিজেকে আরও নিবেদিত রেখে, ন্যায়, উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব, ইনশাআল্লাহ।’
বাবা মন্ত্রী ও স্বামী সংসদ সদস্য
তালিকায় এমন দুজন নারী স্থান পেয়েছেন, যাদের স্বামী, বাবা কিংবা শ্বশুর সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী হয়েছেন। তারা হলেন বিএনপির নির্বাহী সদস্য ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী। তার বাবা সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, আর শ্বশুর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। আরেকজন হলেন শিরিন সুলতানা। তার স্বামী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন নরসিংদী-১ আসনের সংসদ সদস্য।
দুজনকে ঘিরে সমালোচনার ঝড়
ঘোষিত তালিকার মধ্যে অন্তত দুজন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। তাদের অভিযোগ, অতীতে ভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থানে থাকা এবং বিগত সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন ছিল।

তালিকায় গোপালঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক সুবর্ণা ঠাকুরের স্থান পাওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। সুবর্ণা ঠাকুর মতুয়া সম্প্রদায়ের একজন নারী। তিনি ওড়াকান্দি হরিচাঁদ ঠাকুর পরিবারের সদস্য ও পেশায় শিক্ষক। কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পরের বছর ১ জানুয়ারি কমিটির পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হয়। গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবুদ্দিন আজম স্বাক্ষরিত ওই তালিকার ২৭ নম্বরে বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আছে সুবর্ণা ঠাকুরের নাম। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় চলছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
অন্যদিকে তিন পার্বত্য জেলায় মনোনয়ন পেয়েছেন আইনজীবী মাধবী মারমা। তার অতীত রাজনৈতিক ও পেশাগত সম্পৃক্ততা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের নিযুক্ত বান্দরবান জেলার সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাধবী। পরে ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের মনোনয়নে নোটারি পাবলিক হিসেবে নিয়োগ পান। সবশেষ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য।
এ বিষয়ে বান্দরবান জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবুর রশীদ বলেন, মাধবী মারমা বান্দরবান জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কোনো পদে ছিলেন না। তবে মাঝে মাঝে তাকে বিএনপির মিছিল মিটিংয়ে দেখেছি।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমরা যাদের মনোনয়ন দিয়েছি বুঝেশুনেই দিয়েছি। ভুল হলেও সবকিছু জেনেশুনে দিয়েছি। রাজনীতিতে অনেক কিছু অনেক সময় পরিস্থিতির কারণে করতে হয়।’
আলোচনায় থেকেও বাদ পড়লেন হেভিওয়েট যেসব নেত্রী

দলের ভেতর-বাইরে সর্বোচ্চ আলোচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত বাছাইয়ে বাদ পড়েছেন হেভিওয়েট নেত্রীরা। তারা হলেন বিএনপির মানবাধিকারবিষয়ক সহ-সম্পাদক সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বেবী নাজনীন, কণ্ঠশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা ও রিজিয়া পারভীন, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি প্রয়াত নাসির উদ্দীন পিন্টুর স্ত্রী নাসিমা আক্তার কল্পনা, প্রয়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা মওদুদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের মেয়ে অপর্ণা রায়, ড. আব্দুল মঈন খানের মেয়ে মাহরীন খান, সালাহউদ্দিন আহমদের স্ত্রী হাসিনা আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর স্ত্রী রুমানা মাহমুদ, মহিলা দলের সহসভাপতি নাজমুন নাহার বেবী, প্রয়াত মহাসচিব আব্দুস সালাম তালুকদারের একমাত্র মেয়ে আর্কিটেক্ট ডিজাইনার সালিমা বেগম আরুণি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীর মেয়ে সামিরা তানজিন চৌধুরী ও সাবেক এমপি মকবুল হোসেনের মেয়ে সৈয়দা আদিবা হোসেন, মহিলা দলের সহ–স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আসমা আজিজ। তাদের মধ্যে আফরোজা আব্বাস, হাসিনা আহমদ ও রুমানা মোর্শেদ বিএনপির মনোনয়ন ফরম তোলেননি। এ ছাড়া সম্প্রতি বিএনপিতে যোগ দেওয়া ছোট পর্দার অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক, মডেল ও আক্টিভিস্ট ফারজানা সিঁথিকে নিয়েও জোর আলোচনা থাকলেও তাদের নাম তালিকায় আসেনি।
দলীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, যারা বাদ পড়েছেন তাদের ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করা হতে পারে।
প্রসঙ্গত, এবার বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন ১ হাজার ১২৪ জন এবং মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ৯০৭ জন। তাদের মধ্যে থেকে ৮ শতাধিক নেত্রীকে সাক্ষাৎকারের জন্য ডেকেছিল বিএনপি। গত শুক্র ও শনিবার বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে তাদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছিল। এরপর চূড়ান্ত ৩৬ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করল বিএনপি।
স্বতন্ত্র জোটে মনোনয়ন পেলেন ছাত্রদলের সাবেক নেত্রী জুঁই
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনে স্বতন্ত্র ৬ এমপির জোট থেকে ছাত্রদলের সাবেক নেত্রী সুলতানা জেসমিন জুঁইকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের স্বতন্ত্র এমপি শেখ মজিবর রহমান ইকবাল এবং ময়মনসিংহ-১ আসনের স্বতন্ত্র এমপি মোহাম্মদ সালমান ওমর জুঁইয়ের মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর করেছেন। এখানে উল্লেখ্য, স্বতন্ত্র এমপিদের জোটের সবাই বিএনপির।
জনতার আওয়াজ/আ আ