সংরক্ষিত আসনে নির্বাচন আপিলেও মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিল
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
সোমবার, এপ্রিল ২৭, ২০২৬ ৬:০৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
সোমবার, এপ্রিল ২৭, ২০২৬ ৬:০৬ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মনিরা শারমিনের আপিল আবেদন নামঞ্জুর করেছেন ইসির নির্বাচনি আদালত। এর ফলে এনসিপির এই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
অন্যদিকে, আপিল গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জীবা আমিন খান ও মাধবী মারমার মনোনয়ন বহাল রেখেছে ইসি।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানির প্রথম দিন শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
তিনি বলেন, মনিরা শারমিনের আপিল আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে এবং তার মনোনয়ন বাতিল বহালই থাকবে। অন্যদিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জীবা আমিন খান ও মাধবী মারমার মনোনয়ন বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশন। তাদের বিরুদ্ধে করা আপিল আবেদন যথাযথ না হওয়ায় খারিজ করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানায়, জীবা আমিন খানের বিরুদ্ধে আপিলকারী নিজে প্রার্থী না হওয়ায় আবেদনটি গ্রহণযোগ্য হয়নি। একই কারণে মাধবী মারমার মনোনয়নের বিরুদ্ধেও করা আপিল আবেদন খারিজ করা হয়। ফলে এই দুই প্রার্থীর প্রার্থিতা বহাল থাকছে।
অন্যদিকে, নিজের মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মনিরা শারমিন।
তিনি বলেন, আইনের অস্পষ্টতার কারণে নারীদের সংসদে প্রতিনিধিত্ব ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন বাধাগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়। এ বিষয়ে তিনি হাইকোর্টে আপিল করবেন।
আপিলকারী চন্দ্রা চাকমাও তার আবেদন খারিজ হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করে জানান, আইন অনুযায়ী শুধুমাত্র সংক্ষুব্ধ প্রার্থীই আপিল করতে পারেন- এই যুক্তিতে তার আবেদন গ্রহণ করা হয়নি। তিনিও বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার কথা জানান।
সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই ও আপিল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রার্থীদের বৈধতা নির্ধারণ করছে নির্বাচন কমিশন। এই প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।
ইসির তফসিল অনুযায়ী, দায়ের হওয়া আপিলগুলো নিষ্পত্তি হবে আগামীকাল ২৮ এপ্রিল। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আপিলের নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা নির্ধারণ করা হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল, প্রতীক বরাদ্দ ৩০ এপ্রিল। আর নির্বাচন হবে ১২ এপ্রিল। তবে কোনো আসনে একাধিক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষে বিদ্যমান প্রার্থীদেরই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।
জনতার আওয়াজ/আ আ