না'গঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণ মায়ের মৃত্যুর পর৫ সদস্যের পরিবারের আর কেউ রইলো না - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ৮:১৮, রবিবার, ১৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৩০শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

না’গঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণ মায়ের মৃত্যুর পর৫ সদস্যের পরিবারের আর কেউ রইলো না

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, মে ১৫, ২০২৬ ৩:৫৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, মে ১৫, ২০২৬ ৩:৫৬ অপরাহ্ণ

 

এম আর কামাল, নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় বাসায় গ্যাস লিক থেকে হওয়া বিস্ফোরণে দগ্ধ পরিবারটির শেষ সদস্যটিও মারা গেছেন। শুক্রবার (১৫ মে) সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ৩২ বছর বয়সী নারী সায়মা মারা যান বলে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন। তার শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
সায়মার মৃত্যুতে পাঁচ সদস্যের পরিবারটির আর কেউ বেঁচে রইলো না। সায়মার আগে তার স্বামী ও তিন শিশু সন্তান একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বলেও জানান ডা. রহমান।
গত রবিবার সকালে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে তিন শিশু সন্তাসহ এক দম্পতি দগ্ধ হন।পরদিন সকালেই মারা যান ৩৫ বছর বয়সী গৃহকর্তা মো. কালাম; তার শরীরে পোড়ার মাত্রা ছিল ৯৫ শতাংশ।
এরপর একে একে মারা যান কালাম-সায়মা দম্পতির তিন শিশু সন্তান মুন্না (৭), কথা (৭) ও মুন্নি (১০)। তাদের শরীরের যথাক্রমে ৩০ শতাংশ, ৫২ শতাংশ ও ৩৫ শতাংশ পুড়েছিল।
ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানিয়েছিলেন, গিরিধারার ওই বাসায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভাড়া থাকতেন সবজি বিক্রেতা কালাম। তিতাসের লাইনের লিক থেকে গ্যাস জমে তাদের ঘরে বিস্ফোরণ ঘটে বলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ধারণা।
তাদের সবাইকে ভর্তি করা হয় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে। তখনই তাদের অবস্থা ‘আশঙ্কাজনক’ ছিল বলে জানিয়েছিলেন সেখানকার চিকিৎসক শাওন বিন রহমান।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ