"দেশে ও বহির্বিশ্বের দৃষ্টিতে শহীদ জিয়া কেমন ছিলেন " - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১:৫৮, সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৯শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

“দেশে ও বহির্বিশ্বের দৃষ্টিতে শহীদ জিয়া কেমন ছিলেন “

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, জুন ১৩, ২০২৬ ১১:২৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, জুন ১৩, ২০২৬ ১১:২৩ অপরাহ্ণ

 

৬ তম ও ৭ তম ( সপ্তম) পর্ব
( অসমাপ্ত ৫ম পর্বের বাকী অংশ)
যে ভাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের জনশক্তির দ্বার উন্মোচিত করেছিলেন ———————-

বাংলাদেশের জন্য শ্রম বাজার উনমোচন ঃ — শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সৌদি আরবের বাদশাহ ফাহাদ বীন আবদুল আজিজ কে সেই অসাধারন নিম গাচের চারা উপহার দেয়ার পর বাশাহ্ ফাহাদ বীন আবদুল আজিজ আবেগাপ্লুত হয়ে শহীদ জিয়া কে বাংলাদেশের জন্য নিঃশর্তে আর্থিক সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়ে বলেছিলেন — ” আমার দেশ দেশের সরকারের পক্ষ থেকে এই নিন উন্মুক্ত চেক ( ব্লাইন্ড চেক)। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সহায়তায় আপনার চাহিদা মাফিক টাকার অংক বসিয়ে নেবেন।

নজরুল ইসলাম চৌধুরী

৬ তম ও ৭ তম ( সপ্তম) পর্ব
( অসমাপ্ত ৫ম পর্বের বাকী অংশ)

৬ তম ও ৭ তম ( সপ্তম) পর্ব
( অসমাপ্ত ৫ম পর্বের বাকী অংশ)
যে ভাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের জনশক্তির দ্বার উন্মোচিত করেছিলেন ———————-

বাংলাদেশের জন্য শ্রম বাজার উনমোচন ঃ — শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সৌদি আরবের বাদশাহ ফাহাদ বীন আবদুল আজিজ কে সেই অসাধারন নিম গাচের চারা উপহার দেয়ার পর বাশাহ্ ফাহাদ বীন আবদুল আজিজ আবেগাপ্লুত হয়ে শহীদ জিয়া কে বাংলাদেশের জন্য নিঃশর্তে আর্থিক সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়ে বলেছিলেন — ” আমার দেশ দেশের সরকারের পক্ষ থেকে এই নিন উন্মুক্ত চেক ( ব্লাইন্ড চেক)। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সহায়তায় আপনার চাহিদা মাফিক টাকার অংক বসিয়ে নেবেন।

জিয়াউর রহমান তাঁর তীক্ষ্ণ মেধা ও দৃড় বিচক্ষণতা দিয়ে এক দুর্দান্ত প্রস্তাব বাদশাহ্ ফাহাদ বীন আবদুল আজিজের নিকট তুলে ধরেন। শহীদ জিয়া সৌদির বাদশাহ কে হৃদয়ের গভীর থেকে বাংলাদেশের জনগন ও তাঁর ব্যাক্তিগত পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বিনীত ভাবে বলেন – ” আমার দেশের মানুষ গরিব হতে পারে কিন্তু অলস নয়, তারা কর্মঠ এবং কঠোর পরিশ্রমী। নিশ্চয়ই আপনার দেশের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন যথেষ্ট শ্রমিক। আমার দেশের মানুষের প্রয়োজন কাজ। নগদ অর্থ নয় , আপনি আমার দেশের মানুষকে কাজ দিন। তারা তাদের যথার্থ মেধা ও শ্রম দিয়ে আপনার দেশকে গড়ে দিবে। সৌদির বাদশাহ্ ফাহাদ বীন আবদুল আজিজ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির এমন মান–মর্যাদাপুর্ন আর বাস্তববাদী প্রস্তাবে সৌদি আরবের বাদশাহ্ ও সৌদি রাজ পরিবারের সবাই মুগ্ধ হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সৌদি আরবের উন্নয়নেে নানা মুখি প্রকল্পের ক্ষত্রে বাংলাদেশী শ্রমিক নিয়োগের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন।
আলহামদুলিল্লাহ – বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম প্রথম অর্থনৈতিক মোড় পরিবর্তনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সেই ঐতিহাসিক সফরের পরপরেই ১৯৭৬ — ১৯৭৭সালে প্রথমবারের মতো সরকারী ভাবে প্রায় ছয় হাজার ( ৬ হাজার) বাংলাদেশী সৌদি আরবে গমন করেছিল। যা ছিল মধ্যপ্রাচ্চ্যে বাংরাদেশের শ্রমশক্তি রফতানির আনুষ্ঠানিক ও বড় ধরনের যাত্রা।
এক কথা বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, শহীদ জিয়ার সেই শ্রম কুটনীতি বাংলাদেশের অর্থনীতিকে বদলে দিয়েছে।
শহীদ জিয়া বুঝতে পেরেছিলেন যে , কেবল গবাদিপশুর চামড়া – পাঠ আর চা পাতা রফতানি করে দেশের অর্থনীতিতে সফলতা আনা খুবেই দুরহ। তাই তিনি গরিব দেশের বিশাল জনশক্তিকে সম্পদে রুপান্তরিত করার সেই উৎযোগ নিয়েছিলেন।

৬ তম ও ৭ তম ( সপ্তম) পর্ব
( অসমাপ্ত ৫ম পর্বের বাকী অংশ)
যে ভাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের জনশক্তির দ্বার উন্মোচিত করেছিলেন ———————-

বাংলাদেশের জন্য শ্রম বাজার উনমোচন ঃ — শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সৌদি আরবের বাদশাহ ফাহাদ বীন আবদুল আজিজ কে সেই অসাধারন নিম গাচের চারা উপহার দেয়ার পর বাশাহ্ ফাহাদ বীন আবদুল আজিজ আবেগাপ্লুত হয়ে শহীদ জিয়া কে বাংলাদেশের জন্য নিঃশর্তে আর্থিক সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়ে বলেছিলেন — ” আমার দেশ দেশের সরকারের পক্ষ থেকে এই নিন উন্মুক্ত চেক ( ব্লাইন্ড চেক)। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সহায়তায় আপনার চাহিদা মাফিক টাকার অংক বসিয়ে নেবেন।

জিয়াউর রহমান তাঁর তীক্ষ্ণ মেধা ও দৃড় বিচক্ষণতা দিয়ে এক দুর্দান্ত প্রস্তাব বাদশাহ্ ফাহাদ বীন আবদুল আজিজের নিকট তুলে ধরেন। শহীদ জিয়া সৌদির বাদশাহ কে হৃদয়ের গভীর থেকে বাংলাদেশের জনগন ও তাঁর ব্যাক্তিগত পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বিনীত ভাবে বলেন – ” আমার দেশের মানুষ গরিব হতে পারে কিন্তু অলস নয়, তারা কর্মঠ এবং কঠোর পরিশ্রমী। নিশ্চয়ই আপনার দেশের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন যথেষ্ট শ্রমিক। আমার দেশের মানুষের প্রয়োজন কাজ। নগদ অর্থ নয় , আপনি আমার দেশের মানুষকে কাজ দিন। তারা তাদের যথার্থ মেধা ও শ্রম দিয়ে আপনার দেশকে গড়ে দিবে। সৌদির বাদশাহ্ ফাহাদ বীন আবদুল আজিজ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির এমন মান–মর্যাদাপুর্ন আর বাস্তববাদী প্রস্তাবে সৌদি আরবের বাদশাহ্ ও সৌদি রাজ পরিবারের সবাই মুগ্ধ হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সৌদি আরবের উন্নয়নেে নানা মুখি প্রকল্পের ক্ষত্রে বাংলাদেশী শ্রমিক নিয়োগের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন।
আলহামদুলিল্লাহ – বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম প্রথম অর্থনৈতিক মোড় পরিবর্তনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সেই ঐতিহাসিক সফরের পরপরেই ১৯৭৬ — ১৯৭৭সালে প্রথমবারের মতো সরকারী ভাবে প্রায় ছয় হাজার ( ৬ হাজার) বাংলাদেশী সৌদি আরবে গমন করেছিল। যা ছিল মধ্যপ্রাচ্চ্যে বাংরাদেশের শ্রমশক্তি রফতানির আনুষ্ঠানিক ও বড় ধরনের যাত্রা।
এক কথা বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, শহীদ জিয়ার সেই শ্রম কুটনীতি বাংলাদেশের অর্থনীতিকে বদলে দিয়েছে।
শহীদ জিয়া বুঝতে পেরেছিলেন যে , কেবল গবাদিপশুর চামড়া – পাঠ আর চা পাতা রফতানি করে দেশের অর্থনীতিতে সফলতা আনা খুবেই দুরহ। তাই তিনি গরিব দেশের বিশাল জনশক্তিকে সম্পদে রুপান্তরিত করার সেই উৎযোগ নিয়েছিলেন।

শ্রম বাজার উন্মোচন ঃ — শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সেই সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জন্য সৌদি আরব সহ সমগ্র মধ্যপ্রাচ্চে বিশাল শ্রমবাজারের দ্বার উন্মোচিত হয়েছিল। যে শ্রমবাজার আজো চলমান।
কুটনৈতিক সম্পর্ক, যা ছিল দ্বিপাক্ষিক একটি বলিষ্ঠ সুসম্পর্কের ভীত ও সফলতার দ্বার উন্মোচন।
প্রবাসিদের আস্থার নাম বর্তমানে সৌদি আরবে যে লাখ লাখ বাংলাদেশীদের প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসাবে কাজ করছেন তাদের কাচে জিয়াউর রহমান নামটি এক আবেগ আর শ্রদ্ধার নাম। প্রবাসীরা মনে করে শহীদ জিয়ার সেই দেই দেশপ্রেমি উদ্যোগ আর দুরদর্শিতা না থাকলে আজ বাংলাদেশ রেমিট্যান্স নির্ভর ভিন্ন রকম হতো।

৭ তম ( সপ্তম) পর্ব
আজকের পর্বে থাকছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়ার রহমান তাঁর মেধা আর প্রজ্ঞা দিয়ে জাপানের সাথে কুটনৈতিক সুসম্পর্কের গভীর ভীত কি ভাবে স্থাপন করেছিলেন। যা আজ অবধি চলমান। আর জাপানের সরকারের দৃষ্টিতে শহীদ জিয়া কেমন সফল রাষ্ট্র নায়ক ছিলেন তা সংক্ষিপ্ত বিবরন।
স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসাবে ২৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ও জাপানের কুটনৈতিক ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ছিল অনেকটা স্থবির। যদিও ১৯৭২ সালের ১০ই ফেব্রুয়ারী বালাদেশকে স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসাবে জাপান স্বীকৃতি প্রদান করেছিল।
১৯৭৬ – ৭৭ সালেই মূলত জাপান বাংলাদেশের কুটনৈতিক সম্পর্কের বলিস্ঠ দ্বার উন্মোচিত হয়েছিল। যে কৃতিত্বের একক দাবীদ্বার ছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান ও তাঁর সরকার।
কি ভাবে ও কেমন করে সেই দ্বার উন্মোচিত হয়েছিল তা বিস্তারিত বিবরন তুলে যদি না ধরি তা হলে বিষয়টি সবার নিকট অস্পষ্ট থেকে যাওয়ার পাশাপাশি প্রকৃত ইতিহাস সম্সানিত পাঠকবর্গের নিকট অস্পষ্ট থেকে যাবে বলে আমি মনে করি।
তাই সকল সম্মানিত পাঠবৃন্দের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ, দয়া করে একটুখানি সময় ব্যায় করে আমার লেখাটি পড়তে স্বচেষ্টা হলে আমি কৃতার্থ হবো।

১৯৭৭ জাপানের একটি আন্তর্জাতিকএয়ারলাইন্স ফ্লাইট – ৪৭২ জাপান ” রেড আর্মি ” র কতিপয় হাইজ্যাকার কর্তৃক হাইজ্যাক করা হয়েছিল। জাপানিজ আন্তর্জাতিক বিমানটি ২৮শে সেপ্টেম্বরে মুম্বাই থেকে টোকিও যাওয়ার পথে জাপানের রেড আর্মি “রেড আর্মি” হাইজ্যাক করে তৎকালীন ঢাকার কুর্মিটোলা আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে নিয়ে আসে। সেই মসয়ে ২৮শে সেপ্টেম্বর থেকে ৩রা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা ৬ দিন দিন ধরে চলেছিল তৃমুখী দেনদরবার। একদিকে বিমান ছিনতাইকারী রেড আর্মি অন্যদিকে জাপান সরকার আর মধ্যস্তাকারী দেশ বাংলাদেশ সরকার। জাপানের চরম উগ্রপন্থী ছিনতাইকারী ” রেড আর্মি “র দাবী ছিল জাপানের কারাগারে আটক ” রেড আর্মির ৯ সদস্য কে নিঃশর্তে মুক্তি এবং ৬০ লাখ মার্কিন ডরার। জিম্মি করা বিমানের যাত্রীদের কোন হতাহত ছাড়াই রক্ষা করতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বলিষ্ঠ পদক্ষেপ অনুযায়ী বাংলাদেশ বিমান বাহিনির প্রধান এযার ভাইস মার্শাল এজি মাহামুদ প্রানান্ত চেষ্টা করেছিলেন।

সেই সময়ে বিষয়টি সমাধান করতে ঢাকায় এসেছিলেন তখনকার জাপানের ক্ষমতাসীন দল – ডেমোক্রেটিক পার্টির উচ্চ পর্যায়ের একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল।
সেই টিমের প্রধান জাপান সরকারের তৎকালীন পরিবহন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন “হাজিমে ইশিই — সান” ( সান জাপানিজ ভাষার শব্দের অর্থ হলো জনাব বা মিস্টার) তিঁনি জাপানের রেড আর্মি কর্তৃক ছিনতাই কৃত বিমান প্রসংগে ” ঢাকায় জাপানি বিমান ছিনতাই ১৯৭৭ – স্মৃতি চারন একটি বই রচনা করে ছিলেন “। জাপান সরকারের তৎকালীন পরিবহন প্রতিমন্ত্রী মিস্টার “হাজিমে ইশিই ” তাঁর বইতে জাপানের বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনায় বাংলাদেশের সাহসী ও জোড়ালো ভুমিকার বর্তা দিয়ে তিঁনি লিখেছিলেন “। জাপান সরকারের পক্ষ থেকে ছিনতাই বিমান ও যাত্রীদের জীবিত উদ্ধার করার জন্য জাপানের বিশেষ প্রশিক্ষণ সশশ্র পুলিশ কমান্ডো বাহিনী বাংলাদেশ প্রেরনের প্রস্তাব দিয়েছিল। যে প্রস্তাব তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তাঁর সরকার নিষ্প্রয়োজন মন্তব্য করে উক্ত প্রস্তাব গ্রহন করে করেনি। যাতে করে আমরা তথা জাপান সরকার প্রচন্ড বিব্রতবোধ ও দুশ্চিন্তা গ্রস্থ হয়ে পড়েছিল।
কিন্ত বাংলাদেশের সরকার শতভাগ রক্তপাত এড়িয়ে নিজেদের হাতে জাপানের জিম্মি করা বিমান ও বিমানের প্রতিটি জিম্মিকৃত যাত্রীদের জীবিত এবং নিখুঁত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছিল। যার প্রেক্ষিতে জাপানের সরকার নয় শুধু জাপানের প্রতিটি আবাল বৃদ্ধ বনিতা হৃদয়ে গভীর থেকে ধনিত হয়েছিল — ” বাংলাদেশ বানজাই , জিয়াউর রহমান বানজাই “। সম্মানিত পাঠক বৃন্দ বানজাই জাপানিজ শব্দের অর্থ হলো জিন্দাবাদ।
শ্বাঁসরুদ্ধকর নানাহ নাটকিয় গটনার পর ১৯৭৭ সালের ৫ই অক্টোবর বিনা রক্তপাতেই সেই ছিনতাই ঘটনার সকল পরিসাপ্তি হয়েছিল একমাত্র রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একক প্রচেষ্টার ফসল।
সন্মানিত পাঠক বৃন্দ — কি ভাবে জাপানের সাথে বাংলাদেশের সুহৃদ ও আস্থাশীল কুনৈতিক দ্বার উন্মোচিত হয়েছিল তা নিয়ে আগামী ৮ম পর্বে তুলে ধরার আশা ব্যাক্ত করে আজকের মত ৭ম পর্ব শেষ করছি।
বিঃ দ্র – এই পর্বে আমার প্রবাস জীবনে জাপান – বাংলাদেশ পার্লামেন্টে এ্যাসোসিয়াশানের সভাপতি মিস্টার ” নাকা নিশি ও অর্থমন্ত্রীর সাথে তোলা ছবি নিয়ে যদি মূল লেখা দীর্ঘায়িত না হয় তবেই সংক্ষিপ্ত তথ্য দিতে চেষ্টা করবো ইনশাহআল্লাহ্।
————————————————-চলবে

“দেশে ও বহির্বিশ্বের দৃষ্টিতে শহীদ জিয়া কেমন ছিলেন “
———— নজরুল ইসলাম চৌধুরী —————–

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ