দেশ ও বহির্বিশ্বের দৃষ্টিতে শহীদ জিয়া বাংলাদেশের ইতিহাসে কেমন রাষ্ট্র নায়ক ছিলেন
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
বুধবার, জুন ১৭, ২০২৬ ১১:৪৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শুক্রবার, জুন ১৯, ২০২৬ ১:৩৮ পূর্বাহ্ণ

লেখক —– নজরুল ইসলাম চৌধুরী।
সাবেক সভাপতি ফেনী জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
পর্ব নং — ৮ম।
সন্মানিত পাঠকবর্গ , গত ৭ম পর্বে জাপানের সরকার ও সর্বস্তরের জাপানিজ নাগরিকদের দৃষ্টিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কেন ভুয়সী প্রশংসিত হয়ে জাপান — বাংলাদেশ দুই দেশের মধ্যে কুটনৈতিক ক্ষত্রে গভীর সম্পর্কের স্থাপিত হয়েছিল তা সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরেছিরাম। আজ ৮ম পর্বে অসমাপ্ত আংশিক তথ্য তুলে ধরছি।
রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ ও ১৯৮০ সালে জাপান সরকারের বিশেষ আমন্ত্রনে পরপর দুইবার দ্বিপাক্ষিক ও রাস্ট্রীয় সফরে জাপান গমন করেছিলেন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐ ঐতিহাসিক সফর গুলোর মাধ্যমে প্রথমবারের মত জাপান — বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের সু-দৃঢ় ভীত প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জাপান সফরের প্রধান দিক ছিল অনেক ———-
তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি দিক নিম্ন তুলে ধরছি —
১৯৭৮ সালের এপ্রিল মাসে শহীদ জিয়া প্রথমবারের মত জাপানের রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণে জাপান সফর করা কালিন সময়ে তিঁনি জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মিস্টার ” তাকেও ফুকুদা ” তার সরকারে মন্ত্র্রী পরিষদ বর্গের সাথে দ্বিপাক্ষিয় বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন। একই দিনে জাপানের তৎকালীন সম্রাট ” হিরো হিতো” র সাথে বিশেষ বৈঠক করেছিলেন। সেই দিন দিবাগত রাতে জাপানের সম্রাট শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সন্মানে একটি নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন।
নৈশভোজ অনুষ্ঠানে জাপানের সম্রাট ও তার পরিবার বর্গের সবার সাথে জাপানের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদের পাশাপাশি দেশের ভিভি আই পি ও সি আই পি ব্যাক্তিবর্গ ছাড়া দেশের সুনামধন্য ব্যাবসায়িক ও বিনিয়োগকারী সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
নৈশভোজ পরবর্তি সম্রাট হিরো হিতো তাঁর পরিবাররে সকল সন্মানিত সদস্য বৃন্দ জাপানের হাইজ্যাক করা বিমান ও বিমানের সকল যাত্রীদের বিনা রক্তপাতে অক্ষত ভাবে উদ্ধার করার জন্য জাপানের নিয়ম অনুযায়ী সম্রাট হিরোহিতো সহ সকলে দাঁড়িয়ে মাথা নিচু করে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বলেছিলেন ” আমরা এবং আমাদের দেশের পক্ষ থেকে আপনি এবং আপনার দেশের প্রতি ( শিনু মাধে — তার অর্থ – মৃত্যুর পুর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত) আমরন ঋনী থাকবো। এই ঋন মৃত্যুর পুর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত আমি এবং আমার দেশ ভূলবেনা। জাপানের সম্রাট তাঁর বক্তৃতায় আরো বলেছিলেন ——– ” জাপানের দ্বার বাংলাদেশের জন্য অনন্তকাল উন্মুক্ত থাকবে।
১৯৮০ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দ্বিতীয় বারের মত রাষ্ট্রীয় সফরে জাপান সফর করেছিলেন।
১৯৮০ সালের সফরে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাপানের যুদ্ধ পরবর্তী অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও উন্নয়নের মডেল গুলো গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। যার ফলে জাপান – বাংলাদেশ দুই দেশের মধ্যে বানিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছিল।
জাপান – বাংলাদেশ কমিটি গঠন ঃ —–
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সফল কুটনীতিক পদক্ষেপের ফলপ্রসূ হিসাবে ১৯৮০ সালে জাপান – বাংলাদেশ কমিটি ফর কমার্স এন্ড ইকোনমিক কো – অপারেশন কমিটি গটিত হয়েছিল। এবং প্রথমবারের মত জাপানের অফিসিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্টান্স ( O D A) ঢাকায় এসেছিল।
১৯৮০ সালে সফর কালে শহীদ জিয়া জাপানের প্রসিদ্ধ মিতসুবিশি কোম্পানির উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন ক্ষেত্র বিশেষ বিনিয়োগের আহবান জানিয়েছিলেন। একপর্যায়ে মিতসুবিশি কোম্পানির উর্ধতন কর্মকর্তা বৃন্দ সস্মতি জ্ঞাপন করেন। এবং তার পরপরই বাংলাদেশে বিশেষ সফরে আসেন। সফর শেষে মিতসুবিশি কোম্পানির সেই বিশেষ টিম বংগভবনে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করে দীর্ঘ সময় ধরে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে জাপান – বাংলাদেশ জয়েন্টভেঞ্চারে তারা বিনিয়োগে সম্মতি প্রদান করেছিলেন। তারই আলোকে সব চাইতে গর্বের ও মহা মূল্লবান প্রজেক্ট ছিল ঢাকার অদুরে জয়দেবপুরে “মেসিন টুলস ফ্যােক্টরী” জয়দেবপুর মেসিন টুলস ফ্যােক্টোরীতে যা যা তৈরী করার চুক্তি ছিল —————
জাপান বাংলাদেশ জয়েন্ট ভ্যান্সারে বিভিন্ন জানবাহন ও জানবাহনের মেসিনারিজ সামগ্রী তৈরী করা।
গাড়ি এ্যাসেম্লিং , এবং বিভিন্ন মোটর পার্টস তৈরী করা।
সবচাইতে আকর্ষণীয় ছিল যে, উক্ত কারখানায় দেশের সামরিক ক্ষেত্রকে আত্মনির্ভরশীল করা জন্য জেট বিমান , হেলিকপ্টার, যুদ্ধ জাহাজ, বুলেট, মিসাইল সহ নানাহ সরঞ্জাম তৈরী করা। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নিখুঁত দেশ প্রেম আর মেধায় দ্রুততম সময়ে জয়দেবপুর মেসিন টুলস ফ্যােক্টরীর কাজ প্রায় এগিয়ে গিয়েছিল। ফ্যাক্টরীর প্রধান ভবন সহ কারখানার কাজ প্রায় শেষের পথে ছিল। যা ছিল পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের জন্য এক বড় ধরনের দুশ্চিন্তার কারন এবং মাথায় বজ্রাঘাতের মত।
বড়ই পরিতাপের বিষয় যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ পরবর্তীতে গাজীপুরের সেই ” মেশিন টুল্স ফ্যাক্টোরী আজ অবধি আলোর মুখ দেখেনি।
আমি আশাবাদী যে, বর্তমান বি এন পির চেয়ারম্যান ও দেশের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে যথাযথ পদক্ষেপ নিবেন।
সন্মানিত পাঠকবর্গের নিকট বিনীত ভাবে একটি প্রশ্ন রাখছি — শহীদ জিয়া যদি আজে বেঁচে ঁথাকতেন তা হলে বাংলাদেশ কেমন হতো???????
সন্মানিত পাঠক বৃন্দ, গত পর্বে আমি আমার দেয়া দুটি ছবি নিয়ে কিচু তথ্য তুলে ধরার কথা উল্লেখ করেছিলেম। লেখা টি দীর্ঘ করে আপনাদের ধৈর্য্যচ্যুতির বিষয় বিবেচনা করে তা তুলে ধরা খেকে বিরত থাকলাম।
ধন্যবাদ। আগামী পর্বে থাকবে ভারতের দৃষ্টিতে শহীদ জিয়া কেমন ছিলেন —–
পর্ব নং —– ৯ ( নবম তম পর্ব)।
আজকের নবম পর্বে থাকছে ইরান , ইরাক সহ সমগ্র আরব বিশ্বেের মুল্লায়নে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কেমন ছিলেন।
১৯৮০ সালের ২২ শে সেপ্টেম্বর ” ইরান — ইরাক ” দুই দেশের মধ্যে শুরু হয়েছিল দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। যার প্রভাব গড়িয়েছিল ইরান – ইরাকের সীমান্তের বাহিরেও। শুধু তাই নয় , এর প্রভাব গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পরেছিল। বিশেষ করে আরব বিশ্বে। ঠিক সেই সময়ে শান্তির স্বপক্ষে বলিষ্ঠ ভুমিকায় অবদান রেখেছিল দক্ষিণ এশিয়ার একটি নবীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ। যার প্রধান উদ্দোক্তা ছিলেন ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষক তৎকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, (বীর উত্তম) তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সেই সমযের ইরান – ইরাকের যুদ্ধ শুরুর পরপরই আহবান জানিয়েছিলেন এই মর্মে , ইরান – ইরাকের যুদ্ধের কারনে কোন উসকানি কিম্বা কোন প্রকারের অভ্যন্তরীন মুসলিম বিশ্ব যেন কোনক্রমেই বিভক্ত না হয়।
উক্ত আহবান জানিয়েছে শহীদ জিয়াউর রহমান ইরান – ইরাকের যুদ্ধ দ্রুততম সময়ের মধ্যে বন্ধ করার জন্য বলিষ্ঠ কুটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছিলেন। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তাঁর অবস্থানে ছিলেন শতভাগ নিরপেক্ষ। তাঁর মুল লক্ষ ছিল সংলাপের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধান। ইরান – ইরাকের যুদ্ধের সময় বিশ্বের ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলো পক্ষে বিপক্ষে অবস্থান নিলেও বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বেচে নিয়েছিলেন জোট নিরপেক্ষতার বলিষ্ঠ ভুমিকা। কারন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিশ্বাস করতেন মুসলিম জাতির শক্তি যুদ্ধ নয় , ঐক্যই একমাত্র শক্তি। তারই আলোকে তিনি বলেছিলেন ” এই যুদ্ধ ইসলামি দেশের জন্য জয় নয় , এই যুদ্ধ সমগ্র ইসলামী দুনিয়ার ক্ষয় “। এই মর্মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আহবান জানিয়েছিলেন —- ইরান ও ইরাক যেন রক্তের বিপরিতে সংলাপের পথ বেচে নেয়। ওআইসি ( O I C) সদস্য রাষ্ট্র গুলোর মধ্যে সম্প্রতির জোড়ালো ভাবে আহবান জানিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সমগ্র মুসলিম বিশ্বে ও বিশ্বের রাষ্ট্রের প্রধানদের নিকট শহীদ জিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলেন এক অনন্য শান্তির প্রতিক। জাতিসংঘকেও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে গোটা বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় আন্তরিক ও বলিষ্ঠ ভুমিকা রাখার জন্য বিশেষ অনুরোধ করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
ইরান — ইরাকের সেই অনর্থক যুদ্ধ নিরশনের জন্য রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছেয়েছিলেন বাংলাদেশ একটি শান্তিপ্রিয় দেশ হিসাবে গোটা বিশ্বে সুনামের সাথে পরিচিতি লাভ করুক। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় সেই কুটনৈতিক অবস্থান কে সুদৃঢ় ভাবে রেখেছিরেন।
ইরান — ইরাকের সেই অনর্থক যুদ্ধ নিরসনের জন্য শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুবার ইরান — ইরাক সহ গোটা আরব বিশ্বের বহুদেশ ভ্রমন করেছেন। তারই আলোকে সৌদি আরবের বাদশাহ ফাহাদ বীন আবদুল আজিজ আরব বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্ঠা ও ইরান ইরাকের যুদ্ধ নিরসনের জন্য নয় সদস্য বিশিষ্ট ” আল কুসস ” কমিটিকে সাজিয়ে ছিলেন। যার চেয়ারম্যান ছিলন বাদশাহ ফাহাদ বীন আবদুল আজিজ। কো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন তৎকালীন বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সর্বপ্রথম ১৯৭৮ সালের অক্টোবরে ইরানের রাজধানী তেহেরানে চার দিনের একটি সরকারি দ্বিপাক্ষিক সফরে গিয়েছিলেন।
পরবর্তি সময়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের মার্চ মাসে ও আই সি এর পিচ মিশন বা শান্তি কমিশনের সদস্য হিসাবে ইরান — ইরাক সফরে গিয়েছিলেন। মুলত ১৯৮০ সালের শুরুতে ইরান — ইরাক দুই মুসলিম দেশের দুই ভ্রাতৃঘাতী যুদ্ধ বন্ধের মধ্যস্থতাকারী হিসাবে তিঁনি নিযুক্ত হয়েছিলেন।
মধ্যস্থতা মিশনের বিস্তারিত দিক গুলো সবার জ্ঞাতার্থে নিম্নে খুবেই সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরছি ঃ —–
ও আই সি ( O I C ) শান্তি মিশন ঃ
- ১৯৮১ সালের জানুয়ারীতে সৌদি আরবের তায়েফে অনুষ্ঠিত ইসলামিক শির্ষ সম্মেলনে নয সদস্য বিশিষ্ট শান্তি কমিটি গঠিত হয। সেই কমিশনে জিয়াউর রহমান সহ নয়টি দেশের রাষ্ষ্ট্রপ্রধান ও আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
- ইরান — ইরাক ঃ – ১৯৮১সালের মার্চ মাসের শুরুতে সেই শান্তি কমিশনের প্রতিনিধি দল তেহেরানে ইরানের শীর্ষ নেতা আয়তুল্লাহ্ রুহুল্লাহ্ খোমেনির সঙ্গে বৈঠক শেষে কুয়েত হয়ে বাগদাদে ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে আলোচনা করেন।
- স্বাধীন নিরপেক্ষ অবস্থান ঃ ও আই সি মিশনের সদস্য হিসাবে দুই দেশের সিমান্ত সীমান্ত অঞ্চলে পরিদর্শন এবং যুদ্ধের প্রকৃত কারন উদঘাটন করে শান্তি প্রতিষ্ঠার খেত্রে জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশ সেই সময় আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ সম্মান ও প্রশংসা অর্জন করেছিল।
সেই সফরের মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান আরো সুদৃঢ় হয়ে ও আই সি দেশ গুলোর সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি ঘটেছিল।
ইরান — ইরাকের যুদ্ধ সমাপ্তির জন্য বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নিরলস পরিশ্রম যতদিন আরব জাহান বিশ্ব চলমান থাকবে ততোদিনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান একজন শান্তির প্রতিক হযে বেঁচে থাকবেন।
বড়ই পরিতাপের বিষয় যে, ১৯৮১ সালের ৩০শে মে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি দেশী — বিদেশী ষড়যন্ত্রে শাহাদাৎ বরন করার কারনে ১৯৮৮ সালের ২০শে অগষ্ট জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় আনুষ্ঠানিক ভাবে ইরনা – ইরাকের সমাপ্তি রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেখে যেতে পারেরনি।
———————————- চলবে
( আগামী পর্বে থাকবে বাংলাদেশের বরণ ব্যক্তির স্মৃতিতে শহীদ জিয়া)
জনতার আওয়াজ/আ আ