যেকোন পরিস্থিতিতে খুলনায় ২২ অক্টোবরের বিভাগীয় গণসমাবেশ হবে : দুদু - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১১:৪৯, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

যেকোন পরিস্থিতিতে খুলনায় ২২ অক্টোবরের বিভাগীয় গণসমাবেশ হবে : দুদু

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২০, ২০২২ ৫:৪৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২০, ২০২২ ৫:৪৩ অপরাহ্ণ

 

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ‘যেকোন পরিস্থিতিতেও ২২ অক্টোবরের গণসমাবেশ অবশ্যই অনুষ্ঠিত হবে। নেতাকর্মীরা যতই আঘাতপ্রাপ্ত হোক, গণ উচ্ছাস কোনক্রমেই ঠেকানো যাবে না। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, প্রিয় নেতা তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং পাঁচ সহকর্মী হত্যার বিচার আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরবো।’

বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে খুলনা মহানগর বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন বিভাগীয় গণসমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সমন্বয়ক ও কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিএনপির কর্মসূচিকে বাঁধাগ্রস্থ করতেই দুই দিনের পরিবহন ধর্মঘট ডাকা হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন স্থানে প্রচার মাইকে হামলা হয়েছে। এ পর্যন্ত ছয়টি মাইক ভাঙচুর করা হয়েছে। দুইটি মাইক লুটে নেয়া হয়েছে। প্রচারণার কাজে অংশ নেয়া কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে। নদীপথে ট্রলার বন্ধ করে জনসমাগম বাঁধাগ্রস্থ করার চেষ্টা হচ্ছে। কিন্ত কোন বাঁধাই বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ রুদ্ধ করতে পারবে না।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ কর্মসূচি দুই মাসের। সরকারের ব্যর্থতায় নিত্যপণ্যের মূল্য অস্বাভাবিক বেড়েছে। দেশবাসী নিরাপত্তাহীন। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে যে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল, সেই স্বাধীনতা আজ নেই বললেই চলে। গণতন্ত্র নির্বাসিত।

আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, এই বাহিনী বাংলাদেশের, কোন দলের না। নিজের স্বার্থে, দলের স্বার্থে তাদেরকে ব্যবহার করা হচ্ছে। অতীতে কোন আইজিপি অবসরে যাওয়ার পর পুলিশ সাথে নিয়ে ঘুরতে হয়নি। আমেরিকা মানবাধিকার প্রশ্নে সাত জনকে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। বিএনপি স্বৈরতন্ত্রকে বিদায় জানিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার সংগ্রাম করছে। যারা স্বৈরতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান করছেন তাদেরকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, এই দিনই শেষ দিন না, আরও দিন আছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিভাগীয় গণসমাবেশ কর্মসূচি হবে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। কর্মসূচি সফল করতে আমরা সবার সহযোগিতা কামনা করছি। নেতাকর্মীরা কোন লাঠি বহন করবে না, তবে তারা প্লাকার্ড বহন করবে।

এ সময় মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল আলম মনা বলেন, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহের কর্মসূচির সফলতা দেখে শাসক দল ও প্রশাসন ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে বাড়িতে বাড়িতে হামলা ও গ্রেফতারের চেষ্টা করছে। তারা খুলনার কর্মসূচি বাঁধাগ্রস্থ করতে চায়। ইতোমধ্যে সমস্ত পরিবহন বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। খেয়াঘাট বন্ধ করে দিয়ে জনদূর্ভোগের সৃষ্টি করছে।

সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন বলেন, বিভাগীয় কর্মসূচি বানচাল করতে পুলিশ সাড়াশি অভিযান শুরু করেছে। মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাবির আলী, ৩০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি নেতা বুলবুল মোল্লার বাড়িতে পুলিশ গত রাতে অভিযান চালিয়েছে। সদর ও সোনাডাঙ্গা থানার কয়েকজন দারোগা মোটরসাইকেল বহর নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি চালিয়েছে। বিএনপি কোন ধরনের সহিংসতা চায় না। কিন্ত এসব অপতৎপরতা চালিয়ে গণ সুনামিকে রুদ্ধ করা যাবেনা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা-৩ আসনে মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল, বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, মহানগর সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. তারিকুল ইসলাম জহীর।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ