৬ বছর পর কাউন্সিল : ঢাকা জেলা বিএনপির নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে ৮ নেতা - জনতার আওয়াজ
  • আজ দুপুর ১:১২, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

৬ বছর পর কাউন্সিল : ঢাকা জেলা বিএনপির নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে ৮ নেতা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২২ ৯:৫১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২২ ৯:৫১ অপরাহ্ণ

 

ঢাকা জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন রোববার ৩০ অক্টোবর)। নবাবগঞ্জ উপজেলার কলাপোপা মাঠে এ সম্মেলন হবে। সম্মেলন ঘিরে ঢাকা জেলার নেতাকর্মীদের মধে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। দলের নেতাকর্মীরা বলছেন, কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব পেলে সরকারবিরোধী আন্দোলনে ঢাকায় গতি বাড়বে।

তবে নেতৃত্ব নির্বাচনের দায়িত্ব তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করেছেন ঢাকা জেলা কমিটির কাউন্সিলররা। জেলার ১০ হাজার কাউন্সিলর লিখিতভাবে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে এ দায়িত্ব দিয়েছেন। ফলে কমিটি গঠনে কিছুটা দেরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলা বিএনপির নেতারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা কাউন্সিল করার চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন। তবে সুবিধাজনক স্থানে প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় স্বল্প পরিসরে তাদের এ আয়োজন। এবার অনুমতি দিলেও নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়েছে প্রশাসন।

সর্বশেষ ঢাকা জেলায় ২০১৬ সালের ২৯ আগস্ট সাভারের সাবেক সংসদ সদস্য দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবুকে সভাপতি ও খন্দকার আবু আশফাককে সাধারণ সম্পাদক করে ৪৯ সদস্যের আংশিক কমিটি করে বিএনপি। কমিটির মেয়াদ শেষের একবছর পর ২০১৯ সালের ২৪ মার্চ এ কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হয়। পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ২৬৬ জন পদ পান।

পরে জেলার ১০টি সাংগঠনিক ইউনিটে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করেন নেতারা। এসব কমিটি গঠনে নানান অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। তবে দীর্ঘ ২৫ বছর পর নতুন কমিটি পেয়ে সেসময় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন জেলার তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

পদ পেতে ৮ নেতার দৌড়ঝাঁপ
কাউন্সিল ঘিরে ঢাকা জেলা বিএনপির শীর্ষ পদ পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন অনেক নেতা। তাদের মধ্যে বর্তমান সভাপতি দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক, তমিজ উদ্দিন, খোরশেদ আলম, নাজিম উদ্দিন (ভিপি নাজিম), ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান অমি, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন ফেরদৌস মুরাদ পদের দৌঁড়ে এগিয়ে রয়েছেন। এর বাইরেও অনেকে আলোচনায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী।

খন্দকার আবু আশফাক বলেন, আমি নিজে প্রার্থী হইনি। পদে লড়ার কোনো ঘোষণাও দেয়নি। দলের হাইকমান্ড আমাকে যেখানে যে দায়িত্ব দেবে, আমি তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পালন করার চেষ্টা করবো। আগামীতে সরকারবিরোধী আন্দোলনকে যৌক্তিকপর্যায়ে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবো।

পদপ্রত্যাশী আরেক নেতা ইয়াছিন ফেরদৌস মুরাদ। তিনি বলেন, ১৯৯৪ সালে কলেজজীবনের শুরু থেকে রাজনীতি করছি। এখনো দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। আগামীতে দলের হাইকমান্ড যে সিদ্ধান্ত দেবে, সেটাই মাথা পেতে মেনে নেবো।

নিপুণ রায় চৌধুরী বলেন, আমি নিজে প্রার্থী হইনি। আন্দোলন-সংগ্রামে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। যেকোনো ত্যাগ স্বীকারেও প্রস্তুত। দলের হাইকমান্ড যেখানে দায়িত্ব দেবে, সেখানেই সানন্দে কাজ করবো।

বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ বলেন, সম্মেলনের মধ্য দিয়ে নতুন নেতৃত্ব আসবে। সমঝোতায় না হলে ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচন করা হবে। নেতা নির্বাচনের বিষয়টি নির্ভর করছে কাউন্সিলরদের ওপর। তারা যেভাবে চাইবেন, সেভাবেই সবকিছু করা হবে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ