১০ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে গণমিছিল করবে ইসলামী আন্দোলন - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১০:১৭, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

১০ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে গণমিছিল করবে ইসলামী আন্দোলন

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২২ ১১:২৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২২ ১১:২৭ অপরাহ্ণ

 

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ অর্ধ-শতাব্দির বেশি বছর ধরে স্বাধীন। কিন্তু এখানকার রাজনীতির ধরণ দেখলে মনে হয়, দেশ প্রাকসভ্য পর্যায়ে রয়েছে। বিগত জাতীয় নির্বাচনসমূহ ভোট ডাকাতির মহোৎসব করে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতাকে ধ্বংস করা হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করেও দেশের রাজনীতি অস্থির হয়ে উঠেছে।’

শনিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে পুরানা পল্টনের দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মজলিসে আমেলার সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রধান বিরোধী দলসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে রাজপথে মোকাবেলা করা হবে বলে বলা হচ্ছে। অথচ এটা রাজনীতির শিষ্টাচার পরিপন্থী।

দলের মহাসচিব ইউনুছ আহমাদের পরিচালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফুল আলী আকন ও অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আব্দুল কাদের, অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ফজলে বারী মাসউদ ও মাওলানা মোহাম্মাদ ইমতিয়াজ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম আতিকুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, মাওলানা খলিলুর রহমান, মোহাম্মাদ বরকতুল্লাহ লতিফ, মাওলানা শোয়াইব আহমাদ, উপাধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মাওলানা শেখ ফজলুল করীম মারুফ, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, মো: হারুন-অর-রশীদ, মুফতি দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, অ্যাডভোকেট মো: লুৎফর রহমান শেখ, অ্যাডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার, জান্নাতুল ইসলাম, আব্দুর রহমান, মাওলানা এ বি এম জাকারিয়া, মুফতি কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, অধ্যক্ষ মাওলানা মো: মকবুল হোসাইন, মোহাম্মাদ সেলিম মাহমুদ প্রমুখ।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, সভ্য দেশের রাজনীতি এভাবে চলতে পারে না। বরং আইন-কানুন ও সংবিধান মেনে পারস্পরিক বোঝাপাড়ার মাধ্যমেই রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান করতে হবে। বর্তমান সরকার দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে গলা টিপে হত্যা করেছে। প্রশাসনকে নির্জীব আজ্ঞাবহ করে রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে বাঁচো-মরো পরিস্থিতিতে পরিণত করেছে। এটা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। এ অবস্থার পরিবর্তনে ক্ষমতাসীনদেরই প্রধান ভূমিকা রাখতে হবে।

সভায় আরো বলা হয়, আগামী নির্বাচন অবশ্যই সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে করতে হবে। সেজন্য সর্বদলীয় জাতীয় সরকার গঠন করতে হবে।

সভায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, ২০২৩ সালে শিক্ষা সিলেবাস ও মাদরাসা শিক্ষা সিলেবাসে হিন্দুত্ববাদী শিক্ষা সংযোজন করে ইসলামি শিক্ষার বারোটা বাজানোর সব আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে। বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী দিপু মনি শিক্ষাব্যবস্থাকে ভারতের সিলেবাসের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রণয়ন করে ৯২ ভাগ মুসলমানের তাহজিব-তামাদ্দুনকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এ অবস্থা থেকে ফিরে না এলে ঈমানদার জনতা নিরবে বসে থাকবে না।

সভায় শিক্ষা সিলেবাসে ইসলামি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার দাবিতে ১০ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে গণমিছিল সফলের আহ্বান জানানো হয়।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ