সাভারের আশুলিয়ায় অপহরণ মামলায় পুলিশ সদস্যসহ গ্রেফতার ৭ - জনতার আওয়াজ
  • আজ দুপুর ১:৫৭, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সাভারের আশুলিয়ায় অপহরণ মামলায় পুলিশ সদস্যসহ গ্রেফতার ৭

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, নভেম্বর ২৮, ২০২২ ৯:২৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, নভেম্বর ২৮, ২০২২ ৯:২৭ অপরাহ্ণ

 

সাভারের আশুলিয়ায় নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে মুক্তিপণ দাবি ও অপহরণের মামলায় ইমরান হোসেন (৩৩) নামে এক পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি ধামরাইয়ের বেলীশ্বর গ্রামের মো. আমজাদ হোসেনের ছেলে। এর আগে একই মামলায় নারীসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে তাকে আশুলিয়া থানা থেকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে ঢাকা আদালতে পাঠানো হয়। তিনি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানার পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত। তাকে মির্জাপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে রবিবার (২৭ নভেম্বর) গ্রেফতার ছয়জনের মধ্যে নারী আসামি খাদিজা (৩৮) বাদে বাকি পাঁচ আসামির দুইদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গত ২৬ নভেম্বর অভিযান চালিয়ে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের জিম্মা থেকে উদ্ধার করা হয় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীকে।

রিমান্ডে থাকা আসামিরা- যশোরে মনিরামপুর থানার কেরতপুর গ্রামের মৃত আব্দুল সাত্তার গাজীর ছেলে কেরামুন হোসেন সম্রাট (৩৪), টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের ধাউরা নয়াপাড়ার মৃত হাজী খবীর উদ্দীনের ছেলে আ. আউয়াল (৫০) চালক, একই থানার আন্দুরার মৃত আ. রশিদের ছেলে মো. বাবুল মিয়া (৫০), পেকুরা গ্রামের নজমত আলীর ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম (৫১) ও বাসাইল থানার দাপনাজোর গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে মো. রাসেল মিয়া (৩৮)।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মেহেদি হাসান মানিকগঞ্জের ঘিওর থানার পশ্চিম কলিয়া গ্রামের পান্নু মিয়ার ছেলে। বর্তমানে আশুলিয়ার বাইপাইলে স্ত্রী সন্তান নিয়ে বসবাস করেন ও ফার্নিচারের ব্যবসা করেন।

ভুক্তভোগী বলেন, গত ২২ নভেম্বর সন্ধ্যায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসে ছিলাম। এর মধ্যে ৫/৬ জন লোক ক্রেতা সেঁজে মালামাল দেখছিলো। হঠাৎ তারা আইনের লোক বলে আমাকে টেনে হিচড়ে হাইয়েচ মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। আমাকে তুলে নিয়ে চোখ বেঁধে মারধর করে ব্যাংক চেকে স্বাক্ষর করায়। আমার স্ত্রীকে ফোন করে মুক্তিপণ দাবি করে।
মেহেদি বলেন, এছাড়া আমার কাছে টাকা পাবে এই মর্মে স্টাম্পেও স্বাক্ষর নেয়। গ্রেফতার খাদিজা আমার পূর্ব পরিচিত ও দূরসম্পর্কের আত্মীয়। তারা তুলে নিয়ে গেলে পরে ওই নারীকে দেখতে পাই।

এ ঘটনায় গত ২৫ নভেম্বর তার মা রুবি বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৬/৭ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় তাদের ছয়জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে রবিবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হলে খাদিজা বাদে বাকি পাচঁজনকে দুইদিন করে রিমান্ড দেন আদালত।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও আশুলিয়া থানার এসআই আল-মামুন কবির বলেন, এই মামলায় জড়িত থাকার তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ও ঊধ্বর্তন অফিসারের সথে পরামর্শ করে কনস্টেবল ইমরান হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া এই মামলায় আরও ছয়জন গ্রেফতার আছে। তার মধ্যে পাঁচজন রিমান্ডে আছেন।

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, কনস্টেবল ইমরানের ফৌজদারী অপরাধের বিচার তো আদালত করবে। এছাড়া আমরা তদন্ত স্বাপেক্ষে ডিপার্টেমেন্টাল ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ