দেহ ব্যবসার অভিযোগে সোনাইমুড়ীতে কথিত যুব-মহিলা লীগ নেত্রীসহ গ্রেপ্তার ২
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২২, ২০২২ ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২২, ২০২২ ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ

দেহ ব্যবসার অভিযোগে নোয়াখালী জেলার কথিত যুব-মহিলালীগ নেত্রী দিলরুবা আক্তার ও গাজী শাহীন নামক দুইজনকে গ্রেপ্তার করে সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ। বুধবার পার্শ্ববর্তী চাটখিল থানাধীন স্কাইভিউ হোটেল থেকে এজাহার নামীয় ২জনকে গ্রেপ্তার করে কোর্টে সোপর্দ করেছে পুলিশ। ভিকটিমের বক্তব্য ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম সোনাইমুড়ী উপজেলায় ২ বছর ধরে বিভিন্ন বাসা বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করতো। সে স্থানীয় কাশিপুর বাজারে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকার সুবাদে সেনবাগ যুব-মহিলা লীগ সাধারণ সম্পাদক পদের পরিচয় দানকারী আসামি দিলরুবা আকতার ও গাজী শাহীন এর সাথে পরিচয় হয়। এর সূত্র ধরে দিলরুবা ও গাজী শাহীন ভিকটিমকে নতুন বাসা বাড়িতে ৫ হাজার টাকা বেতনে কাজ দেওয়ার নাম করে নদনা ইউনিয়নের পাঁচবাড়িয়া গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে আঃ মালেকের বাড়িতে আসামিদের ভাড়া বাসায় ভিকটিমকে নিয়ে যায়। সেখানে ১নং বিবাদীর ভাড়া বাসায় অপরিচিত লোকজন যাতায়ত করে। এবং অসামাজিক কাজ, দেহ ব্যবসা করায়। বিভিন্ন চেতনা নাশক ওষুধ সেবন করিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌন কর্মে বাধ্য করতো এবং যৌনকর্মের ভিডিও ধারণ করে তাকে ব্ল্যাকমেইল করতো। এছাড়া দিলরুবা আকতার, গাজী শাহীন দুইজনই দেহ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ও বিভিন্ন এলাকার নিরীহ মহিলাদেরকে কাজের লোভ দেখিয়ে এহেন অনৈতিক কাজে বাধ্য করতো। ভিকটিম পালিয়ে যেতে চাইলে শারমিন ভিকটিমকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতো।
পরবর্তীতে কৌশলে উক্ত স্থান থেকে পালিয়ে ১নং সাক্ষী সামছুন নাহারের কাছে আশ্রয় নেয়। পরে সোনাইমুড়ী থানায় গিয়ে একটি মামলা দায়ের করে সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিয়াউল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদ্বয়কে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
জনতার আওয়াজ/আ আ