১১ জানুয়ারি সারা দেশের বিভাগ ও মহানগরে বিএনপির গণঅবস্থান কর্মসূচি - জনতার আওয়াজ
  • আজ দুপুর ১২:০৮, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

১১ জানুয়ারি সারা দেশের বিভাগ ও মহানগরে বিএনপির গণঅবস্থান কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, ডিসেম্বর ৩০, ২০২২ ৩:৫২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, ডিসেম্বর ৩০, ২০২২ ৪:৫৮ অপরাহ্ণ

 

আগামী ১১ জানুয়ারি সারা দেশের বিভাগ ও মহানগরে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চার ঘণ্টা গণঅবস্থান কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি। ঢাকা মহানগরীর কর্মসূচি নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পালন করা হবে। আজ শুক্রবার বিকেলে গণমিছিল পূর্ব সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এই ঘোষণা দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খন্দকার মোশাররফ বলেন, প্রিয় ঢাকাবাসী যারা সব বাধা উপেক্ষা করে গণমিছিলে উপস্থিত হয়েছেন সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি অবিলম্বে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ গ্রেপ্তারকৃত সব রাজবন্দি ও নেতাকর্মীদের মুক্তি দাবি করেন। ইতোপূর্বে আমরা ১০টি বিভাগীয় গণসমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে সফল করেছি। আজকের গণমিছিলও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হবে।

তিনি বলেন, আমরা জনগণের পক্ষে ১০ দফা ঘোষণা করেছি। তারই প্রথম কর্মসূচি হলো গণমিছিল। আজকে এসব দফার প্রতি দেশের সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং জোট সমর্থন জানিয়েছে। আমাদের ১০ দফার মূল হলো—অবিলম্বে গায়ের জোরের সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, আজকে বিএনপির গণসমাবেশ থেকে জনগণ অংশ নিয়ে আওয়াজ তুলেছে অবিলম্বে এই সরকাররে পদত্যাগ করতে হবে। তাদের আর জনগণ ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তাকা স্বৈরাচার ও বিশ্বে হাইব্রিড সরকার নামে পরিচিত। এ জন্য তারা গণতন্ত্র হত্যা করে বাকশালী কায়দায় দেশ চালাচ্ছে। তারা দিনের ভোট রাতেই ডাকাতি করে। তাদের সঙ্গে জনগণ নেই।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আজকে সরকারি দলের লোকেরা বিদেশে টাকা পাচার করে ব্যাংকগুলো শূন্য করে ফেলেছে। অর্থনীতি ধ্বংসের শেষ সীমানায় চলে গেছে। দেশে বিচার বিভাগ দলীয়করণের মাধ্যমে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে ফেলেছে। তাদের দ্বারা অর্থনীতি ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, কোনো স্বৈরাচার বেশি দিন ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। এরশাদ পারেনি। আইয়ুব খান পারেনি। এই আওয়ামী লীগ সরকারও পারবে না। আমি বলব, এসে দেখে যান বিএনপির সঙ্গে জনগণ আছে কি নেই? আজকে পাড়া-মহল্লায় পাহারা দিয়েও জনগণকে ঘরে আটকে রাখতে পারেননি। আমরা আমাদের দফা আদায়ে আরও শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করব। আমরা গণতান্ত্রিকভাবে এসব কর্মসূচি পালন করব। এই স্বৈরাচারী সরকারকে বিদায় করতে হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

খন্দকার মোশাররফের বক্তব্য শেষ হওয়ার পরই ১৩টি স্পটে জমায়েত হয়ে বিএনপির গণমিছিল শুরু হয়।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ