নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ২৬-২৭ জানুয়ারি দেশব্যাপী সিপিবির বিক্ষোভ - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ৮:১৭, রবিবার, ১৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৩০শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ২৬-২৭ জানুয়ারি দেশব্যাপী সিপিবির বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, জানুয়ারি ২০, ২০২৩ ৯:৫৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, জানুয়ারি ২০, ২০২৩ ৯:৫৬ অপরাহ্ণ

 

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র নেতারা বলেছেন, দুর্নীতি, লুটপাট, সাম্প্রদায়িকতাকে পরাজিত করে গণতন্ত্র ও শোষণমুক্ত সমাজ সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা হবে। এ লক্ষ্যে আওয়ামী ও বিএনপি ধারার বাইরে বাম গণতান্ত্রিক প্রগতিশীলদের বিকল্প শক্তি সমাবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।

আজ শুক্রবার শাহবাগে প্রজন্ম চত্বরে সিপিবির সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলমের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, সিপিবি’র সাবেক সভাপদি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, সিপিবি’র সদস্য কমরেড এম এম আকাশ প্রমুখ।

সমাবেশ থেকে অবিলম্বে এই ভোটারবিহীন সরকারের পদত্যাগ, সংসদ ভেঙ্গে দেওয়া, নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কারসহ নির্দলীয় তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং গ্যাস বিদ্যুৎসহ নিত্যপণ্যের দাম কমানো, রেশনিং-ন্যায্যমূল্যের দোকান চালু, পাচারের টাকা ফেরত আনা, খেলাপী ঋণ উদ্ধার ও এর সাথে জড়িতদের শ্বেতপত্র প্রকাশ, দেশের রাজনীতি-অর্থনীতিতে সাম্রাজ্যবাদী বিদেশি হস্তক্ষেপ বন্ধ, দুঃশাসনের অবসান, ব্যবস্থা বদল ও বিকল্প গড়ার সংগ্রাম জোরদার করারও আহ্বান জানানো হয়।

সমাবেশ থেকে বিদ্যুৎ, গ্যাস, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ, জাতীয় সম্পদ রক্ষা, পাচারের টাকা উদ্ধার, রেশনিং ও ন্যায্যমূল্যের দোকান খোলার দাবিতে ২৮-২৯ জানুয়ারি দেশের সকল জেলা-উপজেলায় সমাবেশ ও বিক্ষোভ। ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে ভোট ও ভাতের দাবিতে বিভাগীয় সদর, জেলায়-উপজেলায় সমাবেশ ও পদযাত্রা, ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী গণজাগরণ অভিযাত্রা, ঝটিকা সফর, ৬ মার্চ দলের ৭৫তম বার্ষিকীতে মাসব্যাপী নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ২৬-২৭ জানুয়ারি দেশব্যাপী সিপিবি’র বিক্ষোভ কর্মসূচী ঘোষণা করেছে দলটি।

সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, দেশে সংঘাতের রাজনীতি চলছে। গণতন্ত্র আজ নির্বাসনে। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চলছে ও ভয়ের রাজনীতি চলছে। হামলা মামলাসহ চলছে সর্বত্র দলীয়করণ। মানুষের জানমালের কোনো নিরাপত্তা নেই। ঋণখেলাপীদের ঋণ উদ্ধারে সরকারের কোনো ভূমিকা নেই। সরকার আইএমএফের সাথে অযৌক্তিক চুক্তি করেছে। ইতিমধ্যেই বিদ্যুৎ, গ্যাসের দাম বেড়ে গেছে। আমরা বলতে চাই উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পরস্পর বিরোধী নয়। দেশে গণগন্ত্র না থাকলে স্থিতিশীল উন্নয়ন সম্ভব নয়। সামনে নির্বাচন, ক্ষমতার খেলা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। সরকার গণতন্ত্রকে জিম্মি করে রেখেছে। কমিউনিস্ট পার্টি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। ভয় দেখিয়ে কোনো সরকার রেহাই পাবেনা। কমিউনিস্ট পার্টি জনগণের পক্ষে লড়াই করবে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ