যুগপৎ আন্দোলনের নবম ধাপের কর্মসূচি : অগ্নিপরীক্ষায় বিএনপির নগর নেতারা - জনতার আওয়াজ
  • আজ ভোর ৫:৪৩, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

যুগপৎ আন্দোলনের নবম ধাপের কর্মসূচি : অগ্নিপরীক্ষায় বিএনপির নগর নেতারা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, মার্চ ২, ২০২৩ ২:৫৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, মার্চ ২, ২০২৩ ২:৫৭ অপরাহ্ণ

 

ডেস্ক নিউজ

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে যুগপৎ আন্দোলনের নবম ধাপের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী শনিবার সারা দেশে মহানগরীর থানায় থানায় পদযাত্রা করবে বিএনপি। এই কর্মসূচি পালন করবে সমমনা দল ও জোটগুলোও। অতীতে জেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের মতোই মহানগরীর থানা পর্যায়ে পদযাত্রা ঘিরে ফের শোডাউন করতে চায় বিএনপির হাইকমান্ড। তবে মহানগরীর থানা পর্যায়ে পদযাত্রা কর্মসূচি নিয়ে বিএনপি অনেকটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। কেননা, সারা দেশে বিএনপির সাংগঠনিক মহানগর শাখা ১৩টি। এগুলো হচ্ছে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কুমিল্লা ও ফরিদপুর। বিএনপির ঘোষণা অনুযায়ী এসব মহানগরীর থানায় থানায় হবে পদযাত্রা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উল্লিখিত অধিকাংশ মহানগরীর পূর্ণাঙ্গ ও থানায় বিএনপির কোনো কমিটি নেই। কোনো মহানগরে থানার সীমানা জটিলতা রয়েছে। যে কারণে সংশ্লিষ্ট নেতারা সমস্যার কথা ইতোমধ্যে কেন্দ্রে অবহিত করেছেন।

তারা বলছেন, মহানগরীর থানায় থানায় পদযাত্রা কর্মসূচি ঘোষণার আগে তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি দলের হাইকমান্ড। যে কারণে তারা উদ্বিগ্ন এবং চলমান যুগপৎ কর্মসূচি পালনে অগ্নিপরীক্ষার মুখোমুখি নগরের নেতারা।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, সব মহানগরেই থানায় থানায় পদযাত্রা হবে। যেখানে থানা শাখা নেই, সেখানে কয়েকটি ওয়ার্ডের সমন্বয়ে একটি পদযাত্রা হবে। ইতোমধ্যে টিম গঠন করা হয়েছে।

গ্যাস, বিদ্যুৎসহ নিত্যপণ্যের দাম কমানো, দমন নিপীড়ন বন্ধ, খালেদা জিয়াসহ কারাবন্দি নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি এবং গণবিরোধী সরকারের পদত্যাগ, অবৈধ সংসদ বাতিল, নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিসহ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ১০ দফা দাবিতে আগামী শনিবার দেশব্যাপী সব মহানগরের অন্তর্গত সব থানায় পদযাত্রা হবে। মিত্র দল ও জোটগুলোও যুগপৎ কর্মসূচি পালন করছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, যুগপৎভাবে এসব কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের ভালো সাড়া পাচ্ছেন তারা। তবে গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজধানীকেন্দ্রিক তেমন কার্যকর আন্দোলন জমাতে পারেনি বিএনপি। ঢাকায় শক্ত অবস্থান জানান দিতে না পারায় সরকারবিরোধী আন্দোলনে সাফল্যও আসছে না বলে মনে করেন দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। এবার সেই ব্যর্থতা ঘোচাতে চায় বিএনপির হাইকমান্ড। দাবি আদায়ের লক্ষ্যে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আগামী শনিবার ঢাকাসহ সব মহানগরীর থানায় হবে পদযাত্রা। এর আগে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে চার দিনের পদযাত্রা হয়েছে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে নগর বিএনপির নেতাদের সক্ষমতা যাচাই করা হচ্ছে। এজন্য ২০২২ সালের ১২ অক্টোবর থেকে বিভাগীয় গণসমাবেশ শুরুর আগে সে বছরের সেপ্টেম্বরে রাজধানীর ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ স্পটে সমাবেশ করে বিএনপি। জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ইস্যুতে অনুষ্ঠিত ওই সমাবেশগুলোই বিএনপিকে নতুন করে চাঙ্গা হওয়ার প্রেরণা জুগিয়েছে বলে দাবি দলটির নেতাদের। ওই সমাবেশের সাফল্য ধরেই পরের মাস থেকে বিভাগীয় গণসমাবেশের কর্মসূচি নেয় বিএনপি। তৃণমূলের পরামর্শে ও চাপে এবার ঢাকায় আন্দোলন জোরালো করতে পরিকল্পনা আছে দলটির হাইকমান্ডের।

ঢাকা মহানগর বিএনপির পরিস্থিতি: বিএনপি নেতারা আলাপকালে জানান, বড় রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে রাজধানী তথা ঢাকা মহানগরী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কেন্দ্রীয় কর্মসূচি সফল করার দায়িত্ব থাকে ঢাকার নেতাদের ওপর। প্রায় ১৭ বছর ধরে ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপির ঢাকায় সাংগঠনিক শক্তি কিছুটা নড়বড়ে হয়ে যায়। বিগত সরকারবিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে ঢাকা মহানগর বিএনপি খুব একটা কার্যকর ভূমিকা দেখাতে পারেনি। যদিও দীর্ঘদিনের পোড় খাওয়া বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা ঢাকা মহানগরের দায়িত্বে ছিলেন। কিন্তু মাঠের আন্দোলন জমাতে না পারায় দলের হাইকমান্ড মহানগর বিএনপি নিয়ে নতুনভাবে চিন্তা করে। তৃণমূলের নেতাকর্মীরাও এ বিষয়ে অসন্তোষও প্রকাশ করেন। বিএনপির সার্বিক আন্দোলনের কাঙ্ক্ষিত সফলতা না আসার পেছনে মহানগরীর নেতৃত্বকে দায়ী করছেন তৃণমূলের নেতারা। তাদের অভিযোগ, ঢাকার নেতাদের ব্যর্থতার কারণেই দেশব্যাপী জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলা সম্ভব হয় না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৪ সালের পর থেকে বেশ কয়েকবার ঢাকার নেতৃত্বে রদবদল এনেও সুফল পায়নি বিএনপি। এমতাবস্থায় ২০১৭ সালে ঢাকা মহানগরকে উত্তর ও দক্ষিণে ভাগ করে পৃথক দুটি কমিটি গঠন করা হয়। তাতেও আশানুরূপ ফল আসেনি। অবশেষে ২০২১ সালের আগস্টে ডাকসুর সাবেক ভিপি আমান উল্লাহ আমানকে আহ্বায়ক করে ঢাকা উত্তর ও পুরোনো রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালামকে আহ্বায়ক করে ঢাকা দক্ষিণের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। ঢাকা উত্তরের কমিটিতে সদস্য সচিব করা হয় জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হককে। অন্যদিকে, যুবদলের সাবেক নেতা রফিকুল ইসলাম মজনুকে ঢাকা দক্ষিণের সদস্য সচিব করা হয়। ঢাকা মহানগরীর তৃণমূলের নেতাকর্মীরা জানান, এই কমিটি গঠনের পর তাদের নানা তৎপরতায় ঢাকায় বিএনপির আন্দোলন নতুনভাবে কিছুটা হলেও চাঙ্গা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত আন্দোলনে কতুটুকু সফল হবে, এখন সেই অপেক্ষা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এবার চলমান আন্দোলন কর্মসূচিতে নগরের নেতৃবৃন্দকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। তা না হলে অতীতের মতো এবারও আন্দোলনের কাঙ্ক্ষিত ফসল ঘরে তোলা বিএনপির জন্য কঠিন হবে। সে বিষয়ে এখন থেকেই সতর্ক বিএনপির হাইকমান্ড। তারা ঢাকা মহানগরীতে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী এবং পোক্ত করতে চায়। নির্বাচনের আগে রাজধানীতে জোরদার আন্দোলন গড়ে তুলতে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির নির্দেশনার আলোকে এরই মধ্যে নেওয়া হয়েছে নানা পদক্ষেপ।

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির শীর্ষ নেতারা জানান, ঢাকায় আন্দোলন চাঙ্গা করতে দলের ত্যাগী-সক্রিয় নেতাকর্মীদের পদায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যারা দক্ষ ও আন্দোলন-সংগ্রাম জমাতে পারবেন; এমন নেতাদেরই প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে থানা ও ওয়ার্ড কমিটিগুলোতে।

বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে ঢাকায় অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলোকেও সক্রিয় করে তোলা হবে। এ লক্ষ্যে ঢাকায় ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দিয়েছে দলের হাইকমান্ড। বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ বলেন, সাধারণত আন্দোলন-সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দু হলো রাজধানী। এজন্য আমরা ঢাকাকে গুরুত্ব দিয়েছি। আন্দোলনের জন্য রাজধানীতে আমাদের সংগঠনকে একেবারে তৃণমূল থেকে সংগঠিত করার পরিকল্পনা রয়েছে দলের।

ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক মো. আব্দুস সালাম ও সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু বলেন, আমরা ইতোমধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে দুটি পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করেছি। থানা পর্যায়ের পদযাত্রা সফলের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ইনশাআল্লাহ আমরা লক্ষ্য পূরণে সক্ষম হবো। ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির দপ্তর সূত্র জানায়, সাংগঠনিক ওয়ার্ড ৮০টি। আহ্বায়ক কমিটি গঠনের পর সম্মেলনের মাধ্যমে ৭০টি ওয়ার্ডের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২৪টি থানায় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলমান।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি সদস্য সচিব আমিনুল হক জানান, আগের মতোই থানা পর্যায়ে পদযাত্রা কর্মসূচি হবে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। এ নিয়ে আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি এবং সফলও হবো। তিনি বলেন, উত্তরের আওতাধীন ৭১ ওয়ার্ডে এরই মধ্যে বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়েছে। ২৬টি থানায় আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রত্যেক কমিটি ৩১ সদস্যবিশিষ্ট। তৃণমূলকে সঠিকভাবে সাজাতে প্রত্যেক কমিটির আহ্বায়কসহ তিনজনকে স্বাক্ষরের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

গ্যাস, বিদ্যুৎসহ নিত্যপণ্যের দাম কমানো, দমন-নিপীড়ন বন্ধ, খালেদা জিয়াসহ কারাবন্দি নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি, সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বাতিল, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিসহ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ১০ দফা দাবিতে গত ২৪ ডিসেম্বর থেকে যুগপৎ আন্দোলন শুরু করে বিএনপি। যুগপতের নবম কর্মসূচি হিসেবে আগামী শনিবার সারা দেশে মহানগরীর থানা পর্যায়ে পদযাত্রা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি ও মিত্রগুলো। ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর রাজধানীর গোলাপবাগ মাঠে ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশে যুগপৎ আন্দোলনের কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়।

অন্যান্য মহানগরের পরিস্থিতি: রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মো. শামসুজ্জামান সামু বলেন, শনিবারের পদযাত্রা ঘিরে তারা সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন। ইতোমধ্যে থানা পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও প্রস্তুতি সভা করেছেন। তিনি বলেন, রংপুর মহানগরে ছয়টি সাংগঠনিক থানার কোনোটিরই হালনাগাদ কমিটি নেই। তারা এখন সদস্য সংগ্রহ করছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে ১০ মার্চের পর মহানগরীর সম্মেলন হবে।

রাজশাহী মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী ঈসা বলেন, সাংগঠনিক থানা শাখা ৪টি (প্রশাসনকিভাবে ৬টি) এবং ৩০টি ওয়ার্ড থাকলেও কোনোটিরই কমিটি নেই। শনিবারের পদযাত্রা নিয়ে তাদের প্রস্তুতি ভালো। অতীতের মতোই তারা কর্মসূচি ভালোভাবেই পালন করতে চান। বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুক কালবেলাকে বলেন, বরিশাল মহানগরীতে আমাদের সাংগঠনিক ৩টি থানা শাখার সীমানা জটিলতা রয়েছে। কিছু অংশ পড়েছে মহানগরে, আবার কিছু অংশ থানায়। তা ছাড়া কোনো থানাতেই কমিটি নেই। ফলে মহানগরীতে কর্মসূচি পালনে সমস্যা দেখা দেবে। বিষয়টি কেন্দ্রকে অবহিত করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক একেএম শফিকুল ইসলাম বলেন, তারা শনিবারের পদযাত্রা নিয়ে প্রস্তুতি নিলেও যথাযথভাবে কর্মসূচি পালন নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ, আগামী ১১ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ময়মনসিংহ যাবেন। সেজন্য প্রশাসন কতটা সহায়তা করবে, সেটি দেখার বিষয়। তা ছাড়া কোনো থানা কমিটি নেই। কেবল ৩৬টি ওয়ার্ড রয়েছে। এসব ওয়ার্ডে কাজের সুবিধার্থে ৬টি জোনে ভাগ করে সংশ্লিষ্ট নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ফরিদপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এ কে এম কাইয়ুম জঙ্গী বলেন, রাজনৈতিকভাবে ফরিদপুরকে মহানগর শাখা ঘোষণা করা হলেও কোনো থানা নেই। ২৭টি ওয়ার্ড রয়েছে। আমরা জেলা পর্যায়ে পদযাত্রা কর্মসূচি করেছি। তবে এবার থানায় থানায় পদযাত্রা করার ক্যাটাগরিতে ফরিদপুর বিভাগ পড়ে না। যে কারণে বিষয়টি আমরা বিভাগীয় সাংগঠনিক ও সহসাংগঠনিক সম্পাদককে জানিয়েছি। নির্দেশনা পেলে পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করব।

জানতে চাইলে সিলেট মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পঙ্কী বলেন, সিলেটে বিএনপির শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা কর্মসূচি হবে ইনশাআল্লাহ। এ নিয়ে প্রস্তুতিও ভালো। তবে ৪ মার্চ সিলেট মহানগর বিএনপির কাউন্সিল নির্ধারণ করা হয়েছিল। যে কারণে প্রস্তুতির কিছুটা ঘাটতি হয়েছে। এখন সম্মেলনের তারিখ ১০ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছে। সিলেট মহানগরে ৫টি সাংগঠনিক থানা শাখার কোনোটিতেই বিএনপির কমিটি নেই। সম্মেলনের পর নতুনভাবে থানা কমিটি গঠন করা হবে।

কুমিল্লা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ ও কোতোয়ালি থানা মিলে কুমিল্লা মহানগর গঠিত। আগের থানা কমিটি দিয়েই কাজ চলছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে নতুনভাবে কমিটি দেওয়া হবে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ