আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৩ উপলক্ষে তারেক রহমান-এর বাণী
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
মঙ্গলবার, মার্চ ৭, ২০২৩ ১০:৫৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
মঙ্গলবার, মার্চ ৭, ২০২৩ ১০:৫৬ অপরাহ্ণ

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল নারীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। তাদের অব্যাহত সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করি।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস একটি অত্যন্ত তাৎপর্যময় দিন। বিশ্বব্যাপী নারী জাগরণ সৃষ্টি এবং নারী সমাজের কল্যাণে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে এ দিবসটি পালিত হয়। বাংলাদেশে এ দিবসটির গুরুত্ব অপরিসীম।
আমাদের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাই নারী সমাজের অগ্রগতি সাধিত হলে মানব জাতির সামগ্রিক বিকাশ সম্ভব হবে। এ সত্যটি উপলব্ধি করেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সামাজিক, রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মকান্ডে নারীর অধিকতর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকার এ দেশের নারী সমাজের উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচী বাস্তবায়ন করেছে। নারী সমাজের অশিক্ষার অন্ধকার ঘুচিয়ে শিক্ষার ব্যাপক প্রসারের জন্য বেগম খালেদা জিয়ার সরকার অবৈতনিক নারী শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, কর্ম সংস্থান, নারী বান্ধব কর্ম পরিবেশ সৃষ্টি এবং যৌতুক ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে অনেক কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ফলে নারীর ক্ষমতায়ন এবং উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় তাদেরকে সম্পৃক্ত করার কারণে তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস জেগে উঠে। একই সঙ্গে তারা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার পথ খূঁজে পেয়েছে। নারীদের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতার সমান সুযোগে সমাজের অগ্রগতি ও রাষ্ট্রের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়। বদলে যাওয়া বিশ্বের কর্মপরিবেশে নারীর সরব উপস্থিতি নিশ্চিত করতে আমাদের একযোগে কাজ করতে হবে।
বাংলাদেশ এখন নৈরাজ্যের অন্ধকারে নিমজ্জিত। নারী ও শিশুদের ওপর সহিংসতার মাত্রা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া একজন নারী অথচ তাঁকে সীমাহীন হয়রানী ও হেনস্তা করার জন্য মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে কারাবন্দী করা হয়েছে। তাঁর ন্যায্য জামিন পাওয়ার অধিকার কেড়ে নিতে সরকার নানা কারসাজী করছে। শিক্ষাঙ্গনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারী নির্যাতন, নিগৃহীত হওয়া নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে।
নারী দিবসে এই সমস্ত অনাচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের প্রত্যয় ঘোষনা করতে হবে।
শান্তি, নিরাপত্তা, মানবাধিকার এবং টেকসই উন্নয়নে বৈশি^ক অগ্রগতির ক্ষেত্রে অপরিহার্য শর্ত হলো নারীর অধিকার। নারী সমাজ যাতে অবহেলা, নির্যাতন ও নিপীড়ণের শিকার এবং ন্যায্য অধিকার থেকে তারা যাতে বঞ্চিত না হয় সেদিকে সবার সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। বৈশ্বিক কর্মযজ্ঞে নারীর সমতায়ন এখন সর্বপ্রথম এজেন্ডা হওয়া উচিৎ।
আজকের এই শুভ দিনে আমি নারী সমাজের উন্নয়ন ও কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানাই।
জনতার আওয়াজ/আ আ