গণমাধ্যম ও বিচারের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে : আমীর খসরু - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৪:২১, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

গণমাধ্যম ও বিচারের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে : আমীর খসরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, মার্চ ২৯, ২০২৩ ১০:৩২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, মার্চ ২৯, ২০২৩ ১০:৩২ অপরাহ্ণ

 

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, বিচারের স্বাধীনতা ও জনগণের নিরাপত্তা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, একটি জায়গায় গিয়ে বাংলাদেশ আটকে আছে। সেটি হচ্ছে ভোটের অধিকার। সেটিকে আটকাতেই আজকে দেশে গুম, খুন, অনিয়ম সব হচ্ছে।

আজ বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ইফতার পূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘স্বাধীনতার ৫২ বছর, বিপর্যস্ত টেক্সটাইল সেক্টর’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন (জেটেব)।

আমীর খসরু বলেন, আজকে পেটের ক্ষুধা নিয়ে একটি বাচ্চার বক্তব্য দিয়ে রিপোর্ট করায় প্রথম আলোর সাংবাদিককে তুলে নিয়ে গেছে। তার আগে একজন সরকারি নারী কর্মচারীকে তুলে নিয়ে গেছে। এগুলো তো দুদিনের ঘটনা। এভাবে তারা বিরোধী দলের অনেক নেতাকর্মীকে গুম ও খুন করেছে। গায়েবি ও মিথ্যা মামলা দিয়েছে। এগুলোই হচ্ছে ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য। মূলত ক্ষমতায় থাকা ও জোর করে ক্ষমতা দখলের জন্যই এসব করা হচ্ছে। সেজন্যই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, বিচারের স্বাধীনতা ও জনগণের নিরাপত্তা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। একটি দখলদার সরকার এসব করছে।

তিনি বলেন, সরকার বলছে সংবিধান মোতাবেক নাকি নির্বাচন করতে হবে। আর তারা অন্যদিকে গুম খুন করছে। মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। আপনারা কোন সংবিধানের কথা বলছেন? এই যে লোকগুলোকে তুলে নিয়ে গেছে এগুলো কি সংবিধানের কাজ? এগুলো তো সংবিধানবহির্ভূত কাজ। আজকে গুম, খুন, হত্যা, মিথ্যা মামলা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করা কি সংবিধানবিরোধী কাজ নয়? এসব তো দেশের মানুষ মেনে নেবে না।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত আলোচনা সভায় আমীর খসরু।

খসরু বলেন, সংবিধানে তো তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ছিল না। কিন্তু জনগণের দাবিকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংযুক্ত করেছিলেন। অতএব আপনাদের সংবিধান সংশোধন করতে হবে। আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে হবে।

বিএনপির এ নেতা বলেন, শেখ হাসিনার সরকারকে বলব এখনো ভালোভাবে চিন্তা করেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য আগে সংবিধান সংশোধন করবেন নাকি পরে করবেন। বাংলাদেশের মানুষের সব অধিকার সংরক্ষণ করা ও বাংলাদেশে শান্তি রাখা এবং রাজনৈতিক অধিকারের জন্য হচ্ছে সংবিধান। এখন সবকিছু কেড়ে নিয়ে সংবিধানের দোহাই দিয়ে পার পাবেন না। সংবিধান পরিবর্তন করা হবে। যেভাবে সাহাবুদ্দিন সাহেবের আমলে সংবিধান সংশোধন হয়েছিল। যদি মনে করেন আগে সংশোধন করা হবে, করেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। সংবিধানের দোহাই দিয়ে লাভ নেই।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন ও কেন্দ্রীয় নেতা রিয়াজ উদ্দিন নসু প্রমুখ।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ