ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাংবাদিকদের কণ্ঠ রুদ্ধ করা হচ্ছে: গণঅধিকার পরিষদ - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৩:০৪, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাংবাদিকদের কণ্ঠ রুদ্ধ করা হচ্ছে: গণঅধিকার পরিষদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, মার্চ ৩০, ২০২৩ ৮:১১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, মার্চ ৩০, ২০২৩ ৮:১১ অপরাহ্ণ

 

গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমে সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদদের কণ্ঠ রুদ্ধ করা হচ্ছে। সাংবাদিক ভাইদের বলতে চাই, আপনারা ভয় পাবেন না। আপনারা কলমের লড়াই চালান, আমরা রাজপথে লড়াই করছি। দ্বিমুখী লড়াইয়ের মাধ্যমে এই ফ্যাসিবাদদের হাত থেকে জাতিকে রক্ষা করতে হবে।

প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার, সাংবাদিক শামসুজ্জামানের মুক্তি ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণঅধিকার পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।

মুহাম্মদ রাশেদ খান বলেন, স্বাধীনতা মানে কি শুধু একটি পতাকা, একটি মানচিত্র আর একটি ভূখণ্ড? পাকিস্তান আমলেও সাংবাদিকরা লিখতে পারত, কিন্তু আওয়ামী লীগের আমলে লিখতে পারে না। সাংবাদিক শামসুজ্জামানের কি অপরাধ যে তাকে ভোর রাতে বাড়ি থেকে তুলে আনতে হবে?

তিনি আরও বলেন, আসলেই কি আমরা স্বাধীন? আমাদের কথা বলার স্বাধীনতা নেই, লেখার স্বাধীনতা নেই, সভা সমাবেশের স্বাধীনতা নেই। এটা কি স্বাধীন রাষ্ট্রের উদাহরণ হতে পারে? বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘আমার দেশের মানুষ পেট ভরে ভাত না পেলে এই স্বাধীনতা ব্যর্থ হয়ে যাবে, মা-বোনেরা কাপড় না পেলে স্বাধীনতা পূর্ণ হবে না, যুবকদের কর্মসংস্থান না হলে স্বাধীনতা পূর্ণ হবে না।’ তাহলে আজকে কেন আমরা বলতে পারছি না, ‘এই স্বাধীনতা দিয়ে কি করুম? সংসার চালাতে ঘাম ঝরে যায়। আমাগো মাছ, মাংস ও চাইলের স্বাধীনতা লাগব!’

রাশেদ খান আরও বলেন, আমরা অনতিবিলম্বে শামসুজ্জামানের মুক্তি এবং প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে করা মামলার প্রত্যাহার চাই। সাগর-রুনী হত্যার বিচার সরকার কেন করে না? এতো এতো সাংবাদিক কেন গুম হয়, জেলে যেতে হয়, মামলা কেন হয়? ফ্যাসিবাদ সরকার ক্ষমতায় থাকলে কারও বাঁচার স্বাধীনতা থাকবে না। সুতরাং রাজপথে নামুন। গণআন্দোলনের মাধ্যমেই এই সরকারের বিদায় ঘটাতে হবে।

গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান বলেন, কেউ সত্য প্রকাশ করলেই তার নামে দেওয়া হয় ডিজিটাল নিরাপত্তা নামক আইনের মামলা। প্রথম আলোর সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামস গত ২৬ মার্চ যে প্রতিবেদন করেছেন সেটি কোন অবস্থায় মিথ্যা নয়। প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীর নামে দেওয়া মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। সাংবাদিক শামসুজ্জামানের মুক্তি চাই। একইসঙ্গে ডিজিটাল নিরাপত্তা নামক আইন বাতিল করতে হবে।

গণঅধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক কৃষিবিদ মো. শহিদুল ইসলাম ফাহিমের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন, গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম সদস্যসচিব তারেক রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক বিপ্লব কুমার পোদ্দার, সাদ্দাম হোসেন, শাকিলউজ্জামান, যুগ্ম সদস্যসচিব আতাউল্লাহ, আব্দুজ জাহের, জিলু খান, সদস্য তোফাজ্জল হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব ঈসমাইল হোসেন, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোর্শেদ, সাধারণ সম্পাদক নাদিম হাসান, ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আদিব, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুহেল রানা সম্পদ প্রমুখ।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ