রাজনীতি কি জেদাজেদি না অন্য কিছু : সুরঞ্জন ঘোষ - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৩:৪৪, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

রাজনীতি কি জেদাজেদি না অন্য কিছু : সুরঞ্জন ঘোষ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৬, ২০২৩ ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৬, ২০২৩ ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ

 

আমাদের রাজনীতির আকাশ এখন ঘন কালো মেঘে আচ্ছন্ন। এ মেঘে যে বর্ষণ হবে তা হবে গাঢ় গভীর। আশঙ্কা রয়েছে বিপর্যয় সৃষ্টির। এতে কেবল অর্থ-সম্পদ বিনষ্ট হবে না, প্রাণহানিও হতে পারে। এখন যা চলছে, সত্য কথা বলতে কি, তা রাজনীতি নয়, নিতান্ত রেষারেষির জেদ। এ বিরোধে বিবাদের নির্দলীয় ১৭ কোটি জনগণের চাহিদা পছন্দের লোককে ভোট দেয়া।

আমরা কয়জন মানুষের খবর জানি? এই যে রাজনীতিক সংগ্রাম এটি কাদের? কেবল রাজনীতিক দলের, নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের জন্য। সরকার কৃপা করুণা দয়া-দাক্ষিণ্য বিলাতে পারে বলে এবং কাড়তে, মারতে ও হানতে পারে বলেও সাধারণ লোকেরা গা-পা বাঁচানোর লক্ষ্যে সরকার পক্ষেই থাকে। তৃতীয় বিশ্বের অবাধ, নির্ভেজাল, নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার জন্য তত্বাবধায়ক সরকার দাবির পক্ষে এটিই হচ্ছে একমাত্র প্রবল যুক্তি ও সময়ের দাবি।

সরকারের বিধ্বংসী এ রাজনীতিক খেলায় জনগণ অংশগ্রহণে উৎসাহ পায় না। জনগণের বেশির ভাগ অজ্ঞ-অনক্ষর-নিঃস্ব-নিরন্ন-দুস্থ-দরিদ্র জীবিকাসন্ধানী বলেই তাদের স্বার্থ উপেক্ষা করে, তাদের মতামতে গুরুত্ব না দিয়ে দেশটা কেবল সরকারি দলের লোকদের ভোগের সম্পদ বলেই মনে করেন এবং তথাকথিত শহুরে সুযোগসন্ধানী ও সুবিধাবাদী বিভিন্ন পেশার এক শ্রেণীর বুদ্ধিজীবী ও সাবেক আমলা সরকারের নজরদারির খবরদাবিরর ও তদারকির দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করেন।

কোনো কিছুই অনায়াসে মেলে না। প্রথমে মনের মধ্যে অভাববোধ জিজ্ঞাসা, কৌত‚হল প্রয়োজন চেতনাবশে অন্বেষা না জাগলে কিছুই শেখা, জানা, বোঝা আর চাওয়া পাওয়া সম্ভব হয় না। রাজনীতিতেও শিখতে, জানতে, বুঝতে হয়, পেতে হয় প্রশিক্ষণ, রাজনীতি চেতনাও শিক্ষাসাপেক্ষ একটি জ্ঞান-প্রজ্ঞা-বুদ্ধি-যুক্তি-বিবেক-বিবেচনাভিত্তিক অনুভব উপলব্ধি। চেতনা, নীতি-আদর্শ-লক্ষ্য জীবন-সহিষ্ণুতা, আচারে-আচরণে, ভাবে-চিন্তায়, কর্মে-সৌজন্যে ও মানবিক গুণের অভিব্যক্তি দানই হচ্ছে রাজনীতিক সংস্কৃতি। এরও অনুশীলনে উন্মেষ ও বিকাশ ঘটাতে হয়। তৃতীয় বিশ্বের তথাকথিত গণতন্ত্রীরা, রাজতন্ত্রীরা এসব কিছুই শিখতে, জানতে, বুঝতে, অনুশীলন করতে চায় না। তারা বোঝে ছলচাতুরি, বন্দুকের নল, পেশিশক্তি জনবল আর অর্থ বলেই সাফল্যের মোক্ষম উপায়। এ জন্যই তৃতীয় বিশ্বে কোথাও সুশাসন নেই, আছে জোর দখলের, জোর জুলুমের, হুকুম-হুমকি-হুঙ্কার-হামলার আশু ও আপাত ফলপ্রসূ নীতির প্রয়োগ। সেখানে মানুষের মানবিক গুণের লালন-পালন-পোষণ ও বিকাশ সাধন প্রভৃতির ব্যবস্থা থাকে না। থাকে দলনে-দমনে-শোষণে-শাসনে শায়েস্তা রাখার, রূঢ় কঠিন আয়োজন ও নীতির প্রয়োগ।

আত্মোন্নয়নের লক্ষ্যেই আমাদের জানতে বুঝতে হবে রাজনীতি কি ও কেন? একালে রাজতন্ত্র বা স্বৈরতন্ত্র নেই, যদিও উচ্চাশী ক্ষমতালোভী শাসক স্বেচ্ছা ও স্বৈরাচারী হয় সুযোগ-সুবিধা পেলেই। পার্থিব জীবনে জন্ম-মৃত্যুর মধ্যকার সময়ে মানুষের দেহ-প্রাণ-মন-মগজ-মননের স্বাধীন ও সুষ্ঠু বিকাশের জন্য যা কিছু প্রয়োজন নিত্যকার জীবনযাত্রায় তার জোগান দেয়া তার পরিবেশ সৃষ্টি ও রক্ষণ, রাষ্ট্রবাসী নাগরিকদের নিজ নিজ স্বার্থে, সংযমে, সহিষ্ণুতায়, স্বাধিকারের সীমায় থেকে শ্রম ও পণ্য বিনিময়ে পারস্পরিক সহযোগিতা নির্বিরোধে ও নির্বিবাদে, নিরুপদ্রবে, নিরাপদে স্বস্তিতে ও শান্তিতে সাধ্যমতো জীবন ভোগ-উপভোগ-সম্ভোগ করার পূর্ণ অধিকার দান ও রক্ষণই হচ্ছে রাষ্ট্রের বা সরকারের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য।

রাজনীতিক সংস্কৃতি বিকশিত হয়নি বলে দেশে গণতন্ত্রের নামে জোর-জুলুমের, কেনাবেচার ভোটতন্ত্র চলে। গণপ্রতিনিধি না থেকে হয়ে ওঠে গণশাসক স্বৈচ্ছাচারী প্রভু এবং অর্থ-বিত্ত-বেসাত-মান-যশ-খ্যাতি-ক্ষমতাদর্প-দাপট-প্রভাব-প্রতিপত্তি অর্জনে পেশিনির্ভর লুটেরা। মায়ানমার থেকে তিউনিসিয়া নয় কেবল ইন্দোনেশিয়া থেকে আফ্রো-এশিয়া-লাতিন আমেরিকার সর্বত্র রাজনীতিক ও রাষ্ট্রীর চালচিত্র প্রায় অভিন্ন, পার্থক্য অর্থ-সম্পদের প্রতুলতা ও অপ্রতুলতা জাতমাত্র।

আমাদের বাংলাদেশে রাজনীতি বলতে গেলে আদি ও আদিম অবস্থায় রয়ে গেছে। কেননা, এখানে রাজনীতি সাধারণভাবে মৌসুমী। কেবল ভোটের বছরে ধনী অবসরপ্রাপ্ত সামরিক-অসামরিক সেনানী, আমলা, চাকুরে এবং সওদাগর শিল্পপতি, ঠিকাদার সবাই ধনী হলেই মান লাভের জন্য পর্ষদে, পরিষদে, সংস্থায়, সঙ্ঘে, সমিতিতে, প্রতিষ্ঠানে সংসদে সদস্য হতে চান টাকার জোরে। কারণ, তারা জানেন ধন হলেই মান বাড়ে না, মান পেতে হলে ক্ষমতার অধিকারী হতে হয়, আর ক্ষমতা প্রাপ্তির জন্য পদ-পদবি আবশ্যিক ও জরুরি। ফলে যে সেনানীর সারা কর্মজীবনে লক্ষ্য ছিল দেশী-বিদেশী শত্রু হনন করে রাষ্ট্র রক্ষা, যে আমলার কাজ ছিল বসের হুকুম তামিল করা, যে সওদাগরের শিল্পপতির জীবনে একমাত্র লক্ষ্য ছিল বেচাকেনায় লাভ করা ও লোকসান এড়ানো, যে ঠিকাদার কেবল অর্জনই বোঝেন, যারা নির্বাচন কাল ব্যতীত কোনো সময়ই দেশের মানুষের ঝড়-বন্যা-খরা-মারী-দুর্ভিক্ষে পাশে থাকার প্রয়াস প্রযত্ন ছিল না, তারা ঢাকায় কোনো দলের মনোনয়ন প্রাপ্তির জন্য এক থোক টাকা জমা দিয়ে এবং কয়েক থলে টাকা নিয়ে নিজে অজ্ঞাত হয়েও অপরিচিত ভোটারের ভোট কেনার প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামেন জনবল, পেশীবল ও অর্থবল নিয়ে। এভাবে গণতন্ত্র এর চেতনা উন্মেষ বিকাশ পায় না, ভোটতন্ত্র হয় প্রবল।
তাই কেউ বাঙালি বা বাংলাদেশী জাতীয়তায় স্থির থাকছে না। ভারত ভীতি হচ্ছে প্রবল। দৈশিক জাতীয়তা হচ্ছে কৃত্রিম। যারা জীবনে গণমানবের সাথে, আমজনতার সাথে সংযোগ সম্পর্ক রাখেননি, যারা কখনোই গণমানবের ঝড়-বন্যা-খরা-মারী-দুর্ভিক্ষে পাশে দাঁড়াননি, যারা আত্মসেবী রূপে নিজের ও পরিবারের স্বার্থে অর্থ-বিত্ত-বেসাত বৃদ্ধির কাজে নিয়োজিত ছিলেন তাদের কি পরসেবার প্রবৃত্তি, যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা থাকে? এবার আড়াই হাজার প্রার্থীর মধ্যে শতে পঁচাত্তর জন হচ্ছেন অব. সেনানী, অব. আমলা, সওদাগর , শিল্পপতি ও ঠিকাদার। তারা এখন অর্থের জোরে সম্মানিত সংসদ সদস্য হবেন বটে, কিন্তু গণমানবদরদী, আমজনতার হিতকামী হতেই পারবেন, কারণ তারা চিরকালই অর্জনের উন্নতির, আত্মপ্রসারের লাভের আশায় ছিলেন নিরত। পরার্থে তারা ত্যাগের দীক্ষা পাননি কখনো। এ মানুষে পৌঢ় মগজে এখন শোষণ বঞ্চন-প্রতারণামুক্ত সমাজ গড়ার গণমানবকে শোষণ-পীড়নমুক্ত করে স্বাধিকারে স্ব-প্রতিষ্ঠিত করার কথা এসব আত্মসেবী লাভের ব্যবসায়ীর পক্ষে কখনো সম্ভব নয়।

তা ছাড়া রাজনীতি চর্চার অনুশীলনের প্রশিক্ষণের অভাবে তাদের মগজ-মনন বন্ধ হয়ে গেছে। সে মগজে গণস্বার্থের বীজ অঙ্কুরিত হতেই পারে না, ফলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পাবে না এ প্রতিবেশে, স্বার্থবাজ লুটেরার স্বেচ্ছাশাসনই পাবে জনগণ। গণতন্ত্র দুরন্ত ভোটতন্ত্র আপাতত তবু আমাদের আমজনতার মনে গণতন্ত্র চেতনা জাগুক, স্বাধিকার চেতনার প্রসার হোক ও ডামাডোলের মধ্যে এ কামনাই করি।

বাজারে জনে জনে জনতার সমাগম ঘটে কিন্তু একতা থাকে না। কেননা, প্রত্যেক নিজ নিজ মতলবে বাজারে যায় ভিন্ন, বিচ্ছিন্ন, স্বতন্ত্র স্বার্থ ও প্রয়োজন নিয়ে। কারো উদ্দেশ্যের সাথে কারো উদ্দেশ্যের সম্পৃক্ততা থাকে না, যদিও সবার লক্ষ্য কেনাবেচা। এ জন্য বাজারে সর্বশক্তির দলবদ্ধতার, অভিন্ন স্বার্থের ও অভিন্ন বা ঐক্যবদ্ধ সমর্থনের কোনো পরিচয় মেলে না। ব্যক্তিস্বার্থে কেনাবেচায় ব্যক্তিক স্তরে দর কষাকষি চলে আশঙ্কামুক্তির লক্ষ্যেই।
কিন্তু আমাদের তথাকথিত গণতন্ত্রমনস্ক রাজনীতিক দলগুলো হচ্ছে গুরু-পীর-কুলপতি পরম্পরায় ভয়-ভক্তি-ভরসা-নিষ্ঠা-সম্পৃক্ত। এখানে দলের নেতাদের রাজনীতিক আদর্শ, উদ্দেশ্য, লক্ষ্য দেশ-জাতি-মানুষের কল্যাণকেন্দ্রী নয়। মান-যশ-খ্যাতি-ক্ষমতা-অর্থ-বিত্ত-বেসাত-দর্প-দাপট-প্রভাব-প্রতিপত্তি অর্জন লক্ষ্যেই এখানে জনে জনে একত্র হয়ে দল গড়ে তোলে। কাজেই ব্যক্তিক লাভ লোভ স্বার্থ প্রয়োজন চেতনাটি রাজনীতিক দলেও বাজারি লোকের মতোই সক্রিয় থাকে। তাই যে কেউ প্রয়োজনে যেকোনো প্রচারিত আদর্শের উদ্দেশ্যে লক্ষ্যের ধারক বাহক দলে যোগ দেয়, সে দলে গৃহীত না হলে অন্য দলে ধরনা দেয়।

কোনো একদলে জুটে গিয়ে টাকা দিয়ে মনোনয়ন ও ভোট ক্রয় করতে নামে ভোটের বাজারে। তাদের রাজনীতিক চেতনা, জ্ঞান প্রশিক্ষণ, আদর্শ, উদ্দেশ্য প্রয়োজন এতেই সীমাবদ্ধ। এরা মৌসুমি রাজনীতিক। ভোটে নির্বাচিত হওয়ার রাজনীতিক। কাজেই বাজারি লোকের মতোই তারা আত্মসেবী স্বার্থপর ও মতলববাজরাই লাভে-লোভে-স্বার্থেই দলে থাকে এবং বিপদ-আপদ-ক্ষতির আশঙ্কা দেখলেই দল ছাড়ে এবং মক্ষিকার মতো লাভে লোভে স্বার্থে দল বদলায়। যেখানে মধু, সেখানেই মাছি, সেখানেই পিঁপড়ে ধাওয়া করে। ভ্রমর ফেরে ফুলে ফুলে মধু শোষণের জন্য। আমাদের দলছুট এবং অবসরপ্রাপ্ত চাকুরে আমলা ঠিকাদাররা ভোটের মৌসুমে রাজনীতিক হয়ে যায় রাতারাতি। সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তারাই টাকার জোরে মনোনয়ন পায়।

জাতীয় সংসদে নির্বাচন পূর্বকালে অনেক মধুলোভী মাছি পিঁপড়ে ভ্রমর চরিত্রের লোকের ঢাকা শহরে আনাগোনা দেখা গেছে, কেউ কেউ তদবিরে তকদির ফলিয়েছেন। নির্বাচনোত্তরকালেও থামেনি দলছুট ক্ষমতার জন্য ছটফট করা তদবির। তোমরা যে যা বলো ভাই, আমার ক্ষমতা পদ-পদবি চাই- এই হলো তাদের সর্বপ্রকার প্রয়াসের উৎস ও ভিত্তি। ঘৃণা-লজ্জা-ভয় থাকলে, নৈতিক আদর্শের ও আত্মসত্তার মর্যাদাবোধ থাকলে, বিবেকের বাধা স্বীকার করলে চলে না, বেতমিজ, বেশরম, বেহায়া বেইজ্জত হয়েই এমনি শাসনের-শোষণের ক্ষমতা দেখানোর, মান পাওয়ার ইজ্জত অজর্ন করতে হয়।

উঠতির পন্থাই হচ্ছে সুযোগ-সুবিধামতো কাউকে লাথি মারা ও কারো পায়ে পড়া, কারো শিরে-ঘাড়ে-গর্দানে পদাঘাত করা আর কারো পায়ে ধরে কৃপা-করুণা-দয়া-দাক্ষিণ্য আদায় করা তার এসব হচ্ছে তৃতীয় বিশ্বের রাষ্ট্রগুলোতে ধনে-মানে, বিত্তে-বেসাতে, খ্যাতিতে-ক্ষমতায়, দর্পে-দাপটে, প্রভাবে-প্রতিপত্তিতে চোখ ধাঁধানো, মন ভোলানো, ভয় জাগানো ব্যক্তিরূপে সমাজের লোকের ভয় ভক্তি ভরসার অবলম্বন হয়ে সপরিবার সপ্রতিষ্ঠিত পন্থা। তাই নেতারা যখন বলেন ঐকমত্যের সরকার, তখন আমরা এর সীমাবদ্ধতা জেনে-বুঝেও নীরব থাকি। তাই আসুন নিরপেক্ষ, অবাধ অংশগ্রহণমূলক সংসদ নির্বাচনের দাবিতে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলি। কিন্তু স্মরণ রাখতে হবে, এই আন্দোলন হবে দেশ ও গণমানুষের স্বার্থে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়।

লেখক : নব্বইয়ের সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের কেন্দ্রীয় সাবেক ছাত্রনেতা ও সভাপতি, সাংবিধানিক অধিকার ফোরাম।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ