লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত খুলনা রংপুর - জনতার আওয়াজ
  • আজ ভোর ৫:১৬, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত খুলনা রংপুর

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৩ ২:৪০ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৩ ২:৪০ পূর্বাহ্ণ

 

খুলনায় তাপ প্রবাহের তীব্রতা ক্রমেই বাড়ছে। অস্বস্তিকর গরমের মধ্যে চলছে দফায় দফায় লোডশেডিং। দিনে-রাতে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকা থাকছে বিদ্যুৎবিহীন। লোডশেডিংয়ে অফিস-আদালত, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিনের কর্মকান্ড ব্যাহত হচ্ছে। গরমে ঘেমে ভিজে নাকাল হচ্ছে মানুষ। দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে খুলনার জনজীবন। খুলনার আবহাওয়া অফিসের প্রধান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিরুল আজাদ জানান, গতকাল খুলনায় তাপমাত্রা ছিল ৪১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা বিগত ২৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে শুক্রবার খুলনায় মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৪০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অবস্থা আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকবে। এদিকে গরমের তীব্রতায় রাস্তায় বের হওয়া দুরূহ হয়ে পড়েছে। কাঠফাটা রোদে যেন আগুনের উত্তাপ চারপাশে। বিশেষ করে দিনমজুর, রিকশাওয়ালা, খেটে খাওয়া মানুষের জীবনে চরম ভোগান্তি নেমে এসেছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ রাস্তায় বের হচ্ছেন না। অবশ্য ঘরেও স্বস্তিতে থাকার উপায় নেই। ভ্যাপসা গরমে সারা রাত কেউ ঘুমাতে পারে না। ফ্যান চালিয়েও ঘরে থাকা যায় না। অসুস্থ হয়ে পড়েছেন শিশুসহ সব বয়সী মানুষ। হিট স্ট্রোক, ডায়রিয়া, পানিশূন্যতায় আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকে। নগরীর পল্লীমঙ্গল ফিডারের বাসিন্দা ডা. ফরিদউদ্দিন আহমেদ জানান, শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিদ্যুৎ চলে যায়। এক ঘণ্টা পর আসে। রাত ১০টার দিকে আবার লোডশেডিং হয়। এরপর রাত সাড়ে ১২টা ও ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত দফায় দফায় লোডশেডিং হয়। সকাল ৯টায় আবার বিদ্যুৎ চলে যায়। তিনি বলেন, সারা দিনের তপ্ত আবহাওয়ায় ভোরের দিকেও ঘরের ভিতরে গরমে নাভিশ্বাস ওঠে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকলে যেন দম বন্ধ হয়ে আসে।

ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ এর সহকারী প্রকৌশলী তারেক আহমেদ জানান, গরমের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে। আবার রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে চাহিদা মতো বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছে। খুলনার পাওয়ার হাউস মোড়, পিকচার প্যালেস, টুটপাড়া, রূপসা, হাজী মুহসীন রোডসহ ডিভিশন-১ এর বিদ্যুতের চাহিদা ৩৬ মেগাওয়াট। সেখানে পিক আওয়ারে বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছে ১৩ মেগাওয়াট। ফলে অর্ধেকের বেশি গ্রাহককে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। এ ছাড়া ওজোপাডিকোর প্রধান প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গরমে বিদ্যুতের লোড বেড়ে যাওয়ায় ট্রান্সফরমারসহ বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন হচ্ছে। এসব মেরামতে সময় লাগছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ কম থাকায় কিছু লোডশেডিং হচ্ছে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ