বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা শরিকরা একদফার আন্দোলন চায় - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৩:৪৩, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা শরিকরা একদফার আন্দোলন চায়

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, মে ৪, ২০২৩ ১:৪৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, মে ৪, ২০২৩ ১:৪৬ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক

বিএনপির সঙ্গে ১০ দফার ভিত্তিতে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা শরিকরা ঈদুল আজহার পর সরকার পতনের একদফা আন্দোলন চান। তবে এর আগ পর্যন্ত হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচির পরিবর্তে নিয়মতান্ত্রিক সাদামাটা কর্মসূচির পক্ষে মতামত দিয়েছে মিত্ররা, যেখানে জনগণ সম্পৃক্ত হবে। তারা জেলা, মহানগরে ফের সমাবেশ, ঢাকা থেকে বিভাগ অভিমুখী রোডমার্চ, ঢাকায় অবস্থান কর্মসূচির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। বিএনপির সঙ্গে পৃথক বৈঠকে যুগপৎ আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি হিসেবে এসব প্রস্তাবনা দেন তারা। ঈদুল ফিতরের পর এখন আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে চাইছে বিএনপি। আর অক্টোবরের মধ্যে আন্দোলনকে চূড়ান্ত রূপ দিতে চায় দলটি। এ লক্ষ্যে চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে নতুন কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামার পরিকল্পনা করছেন দলটির নীতিনির্ধারকরা। তবে কর্মসূচি প্রণয়নে মিত্রদের কাছ থেকে প্রস্তাবনা নেওয়ার পর সুশীল সমাজ ও পেশাজীবী নেতাদেরও মতামত নেবে বিএনপি। এ ছাড়া দলের সাংগঠনিক সম্পাদকদের মতামতও নেবে হাইকমান্ড। তারপর সবার মতামত সমন্বয় করে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হবে।

জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সরকারবিরোধী চলমান আন্দোলন কখন চূড়ান্ত রূপ লাভ করবে, সেটা সময় ও পরিবেশ-পরিস্থিতিই বলে দেবে। তিনি বলেন, ১০ দফার ভিত্তিতে যুগপৎ আন্দোলন চলছে। চলমান আন্দোলনে ইতোমধ্যে নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও সম্পৃক্ত হয়েছে। আন্দোলন ক্রমেই গতিশীল হচ্ছে। শিগগিরই আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

গত ১০ ডিসেম্বর ঢাকার গণসমাবেশ থেকে সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ ১০ দফা দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনের ঘোষণা দেয় বিএনপি। এরপর ২৪ ডিসেম্বর ঢাকার বাইরে জেলা ও মহানগরে এবং ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় গণমিছিলের মধ্য দিয়ে যুগপৎ আন্দোলন শুরু করে মিত্ররা। ৩৮টি রাজনৈতিক দল আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়েছে। দাবি আদায়ে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে সমাবেশ, গণসমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল, পদযাত্রা, অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বিএনপি এবং সমমনা দল ও জোটগুলো। এমনকি ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত কর্মসূচি করেছে। আন্দোলনে ১০ দফার পাশাপাশি নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং সরকারের দুর্নীতির বিষয়টিও যুক্ত করা হয়। আন্দোলন ও নির্বাচনের বছর হওয়ায় এবার রমজানজুড়েই কর্মসূচিতে ব্যস্ত ছিল বিএনপি জোট। ইফতার মাহফিলের পাশাপাশি রাজপথের কর্মসূচিতেও সরব ছিলেন নেতাকর্মীরা।

ঈদুল ফিতরের পর মে দিবস উপলক্ষে গত ১ মে শ্রমিক সমাবেশ ও শোভাযাত্রা করেছে বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল। এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ব্যাপক শোডাউন করেছে দলটি। তবে ঈদের পর যুগপতের কর্মসূচি এখনো শুরু হয়নি। নতুন কর্মসূচি প্রণয়ন নিয়ে যুগপতের মিত্রদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করছে প্রধান শরিক বিএনপি। গত শনিবার গণফোরাম (মন্টু) ও বাংলাদেশ পিপলস পার্টির (বিপিপি) সঙ্গে বৈঠকের মধ্য দিয়ে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরপর রোববার সকালে গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য এবং বিকেলে পৃথকভাবে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট ও ১১ দলীয় জোট, মঙ্গলবার গণতন্ত্র মঞ্চ এবং গতকাল বুধবার দুপুরে এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ এবং বিকেলে লেবার পার্টির সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপি। গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এসব বৈঠকে চলমান আন্দোলনকে বেগবান করার কৌশল নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি মিত্রদের কাছ থেকে নতুন কর্মসূচির প্রস্তাবনা নিচ্ছে দলটি।

জানা যায়, গণফোরাম আন্দোলনকে বেগবান করতে ঢাকা থেকে টেকনাফ, ঢাকা থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত রোডমার্চ এবং জেলা, মহানগরে সমাবেশের মতো কর্মসূচি দেওয়ার প্রস্তাব করে। অন্যদিকে, বিপিপি চলমান আন্দোলনকে সফল করতে এখন থেকে ঢাকামুখী কর্মসূচি দেওয়ার পক্ষে মত দেয়। দলটি মনে করে, ঢাকা রাজধানী হওয়ায় ঢাকার বাইরে আন্দোলন করে খুব বেশি সফল হওয়া যাবে না। সরকার হটাতে হলে তাই রাজধানীতে আন্দোলন বেগবান করতে হবে। এ ছাড়া সমগ্র ঢাকায় আন্দোলনকে ছড়িয়ে দিতে হবে। এজন্য কাছাকাছি কর্মসূচি না করে কমপক্ষে দুই কিলোমিটার দূরত্বে কর্মসূচি পালনের প্রস্তাব দেয় বিপিপি। এর আগে যুগপতের শরিকদের সাধারণত জাতীয় প্রেস ক্লাব, পুরানা পল্টন মোড় ও বিজয়নগর এলাকায় কর্মসূচি পালন করতে দেখা গেছে।

অতীতে কর্মসূচি ও যুগপতের যৌথ ঘোষণাপত্র প্রণয়ন নিয়ে মিত্রদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা গেছে। তাই চলমান যুগপৎ আন্দোলনের অনৈক্য কাটাতে এবং ঐক্য সুসংহত করতে মিত্র সব দলকে নিয়ে একমঞ্চে কর্মসূচি করার প্রস্তাব দেয় দল দুটি। এ লক্ষ্যে ঈদুল আজহার আগে ঢাকায় ন্যূনতম একটি কর্মসূচি করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তারা বলেন, এটি করলে চলমান আন্দোলন নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি থাকলে তা যেমন দূর হবে, তেমনি সারা দেশে ব্যাপক সাড়া পড়বে। এতে করে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ আরও উজ্জীবিত হবে।

গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য ঈদুল আজহার আগে সারা দেশে জেলা, বিভাগীয় শহর ও উপজেলায় পর্যায়ক্রমে সমাবেশ করার প্রস্তাব দেয়। এরপর ঈদুল আজহার পরে সরকার পতনের একদফা দাবিতে ঢাকা অবরোধ করার পক্ষে মতামত দেয়। এ ছাড়া বিএনপির আমল এবং বর্তমান সরকারের সময়ে বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ নিত্যপণ্যের দামের তুলনামূলক পার্থক্য তুলে ধরে পোস্টার ও প্রচারপত্র তৈরি করে সারা দেশে বিতরণের প্রস্তাবও দেন বাম ঐক্যের নেতারা। তাদের দাবি, এর ফলে সরকারের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি হবে। কারণ, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ এখন অতিষ্ঠ।

ঢাকা থেকে আট বিভাগে রোডমার্চ করার প্রস্তাব দেয় জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট। তাদের প্রস্তাবনা অনুযায়ী, প্রতিটি বিভাগ অভিমুখী রোডমার্চের সময় একাধিক পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে করে নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হবেন। আর দাবি না মানলে ঈদুল আজহার পর সরকার পতনের একদফার আন্দোলন চায় এই জোট।

১১ দলীয় জোট ঈদুল আজহার আগ পর্যন্ত সাদামাটা কর্মসূচি এবং ঈদের পর একদফার আন্দোলন শুরুর প্রস্তাব দিয়েছে। তবে দু-একটি দল ঈদের আগেই আন্দোলন সম্পন্ন করার কথাও বলে। এ সময় ঈদের পর একদফার আন্দোলন কেন, সে ব্যাখ্যা দেন জোটের শরিক একটি দলের চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ঈদুল আজহাকে ঘিরে দেশের একটি বড়সংখ্যক মানুষ বছরজুড়ে পরিকল্পনা সাজায়। তারা পশু পালন করে, সেটা বিক্রি করে সংসার চালায়। এ ছাড়া মুসলিমপ্রধান এই দেশে প্রচুর মানুষ আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভে কোরবানি দিয়ে থাকে। রাজনীতি জনগণের জন্য হওয়ায় চূড়ান্ত আন্দোলন শুরুর ক্ষেত্রে এই বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে।

এই জোট ঈদের আগ পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে জেলা ও মহানগরে সমাবেশ শেষে ঢাকায় একাধিক স্থানে অবস্থান কর্মসূচির প্রস্তাব দেয়। এ ছাড়া কৃষকদের চলমান আন্দোলনে সম্পৃক্ত করার ওপর জোর দেন কেউ কেউ। জোটের নেতারা বলেন, বিদ্যুৎ-সারসহ কৃষি উপকরণের দাম বৃদ্ধিতে কৃষক তার উৎপাদিত কৃষিপণ্যের ঠিকমতো দাম পাচ্ছেন না। এতে করে কৃষকরা হতাশ ও ক্ষুব্ধ। এই অবস্থাকে কাজে লাগিয়ে আন্দোলনে কৃষকদের সম্পৃক্ত করা যেতে পারে। আর ঈদুল আজহা শেষে একদফার আন্দোলন সফলে অহিংস অসহযোগ কর্মসূচি শুরুর প্রস্তাব দেন তারা।

গণতন্ত্র মঞ্চ সরকারবিরোধী চূড়ান্ত আন্দোলন শুরুর আগে আন্দোলনের ভিত্তি হিসেবে ‘যৌথ ঘোষণাপত্র’ প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। বিএনপি ও গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা মিলে গত ফেব্রুয়ারিতে যৌথ ঘোষণার সাত দফা একটি খসড়া প্রণয়ন করে। তবে বিএনপি এখন ওই সাত দফা থেকে সরে এসেছে জানিয়ে মঞ্চের নেতারা বলেন, বৈঠকে বিএনপি তাদের রাষ্ট্র মেরামতের ২৭ দফার ভিত্তিতে যৌথ ঘোষণাপত্র প্রণয়নের পরামর্শ দিয়েছে। যেটা ৩০, ৩১, ৩২ এমনকি ৩৩ দফা হতে পারে। গণতন্ত্র মঞ্চ জোটগতভাবে আলোচনা করে বিএনপিকে এ ব্যাপারে তাদের অবস্থান জানাবে বলে মঞ্চের নেতারা জানান। বৈঠকে গণতন্ত্র মঞ্চ আন্দোলনের কোনো কর্মসূচির প্রস্তাব করেনি বলে জানান জোটের এক নেতা। তিনি বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত আন্দোলনের জন্য নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করতে তারা এখন ঢাকা থেকে টেকনাফ, ঢাকা থেকে তেঁতুলিয়া, ঢাকা থেকে বাগেরহাট কিংবা ঢাকা থেকে বিভাগ অভিমুখী রোডমার্চ, জেলা-মহানগরে ফের সমাবেশ এবং ঢাকায় অবস্থান ধর্মঘটের মতো কর্মসূচি করার কথা ভাবছে। তবে কর্মসূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। ভেবেচিন্তে তারা এবার কর্মসূচি প্রণয়ন করবে। তাই শরিক সব দল ও জোটের কাছ থেকে প্রস্তাবনা নেওয়ার পর সুশীল সমাজ ও বিএনপিপন্থি পেশাজীবীদেরও মতামত নেবে।

এদিকে চলমান আন্দোলন আরও বেগবান করতে যুগপতের শরিক দলগুলোর ছাত্র, যুব ও শ্রমিক সংগঠনকে কাজে লাগানোর কথা ভাবছে বিএনপি। এরশাদবিরোধী আন্দোলনে সর্বদলীয় ছাত্রঐক্যের মতো তাদের নিয়ে আলাদা ছাত্রজোট, যুবজোট, শ্রমিকজোট করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে আন্দোলনে সম্পৃক্ত হবে। গণতন্ত্র মঞ্চের এক নেতা এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিএনপি যুগপৎ আন্দোলনের নতুন যে কর্মসূচি প্রণয়ন করতে যাচ্ছে, তার প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছেন এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। চলমান আন্দোলন সফল না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকারও অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন তিনি।

বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অলি আহমদ বলেন, ‘আজকে ১৪-১৫ বছর ধরে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা দেশ শাসন করছে না। একদলীয় শাসনের অধীনে আমরা বর্তমানে আছি। এই অবস্থা থেকে বের হওয়ার জন্য বিএনপির নেতৃত্বে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করে যাচ্ছি। এই আন্দোলন ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয় কিংবা মন্ত্রী হওয়ার জন্য নয়, এই আন্দোলন দেশের ১৮ কোটি মানুষের মুক্তির জন্য। যতদিন এ দেশের জনগণের মুক্তি না হয়, আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।’

কর্মসূচি প্রণয়ন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার এলডিপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করবে বিএনপি। এর মধ্য দিয়ে যুগপতের মিত্রদের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক শেষ হবে।

এদিকে, আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি প্রণয়ন নিয়ে গত ২৬ এপ্রিল দলের সাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি মতবিনিময় করেছেন বিএনপির হাইকমান্ড। ওই বৈঠক প্রসঙ্গে দলের একজন সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, পরামর্শ এসেছে জেলা-মহানগর পর্যায়ে সভা-সমাবেশ, এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়েও কর্মসূচির প্রস্তাব এসেছে। লংমার্চের কথাও আসছে। তিনি আরও বলেন, বলা হয়েছে ৪ মে আমাদের সাংগঠনিক সম্পাদকদের আরেকটা মিটিং হবে। সেখানে আমাদের কর্মসূচির একটা প্রস্তাবনা দিতে বলা হয়েছে। বিএনপির এই নেতা বলেন, আমরা সামনে আন্দোলনে যাব। বৈঠকে অলআউট মুভমেন্টের (সর্বাত্মক আন্দোলন) সিদ্ধান্ত হয়েছে। অলআউট মুভমেন্ট ছাড়া কোনো পথ নেই। সরকার ক্ষমতায় থাকতে নানা কৌশল-অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে। এবার রাজধানীকেন্দ্রিক কর্মসূচি বেশি হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, সব মিলিয়েই হবে। তৃণমূলে হবে, একই সঙ্গে রাজধানীকেন্দ্রিকও হবে। ১০ দফার বাইরে জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ইস্যুগুলোকেও মূল আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করা হবে বলে জানান তিনি।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ