নাসিরনগরে ছাত্রদল করায় বেতন বন্ধ, পুলিশের হাতে তুলে দেয়ার হুমকি - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ২:৫০, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

নাসিরনগরে ছাত্রদল করায় বেতন বন্ধ, পুলিশের হাতে তুলে দেয়ার হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, জুলাই ২৪, ২০২৩ ৫:২৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, জুলাই ২৪, ২০২৩ ৫:২৩ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ছাত্রদল করার অভিযোগে মো. মামুন (২৩) নামে যুবককে চাকরি থেকে ‘ছাটাই’ করার হয়েছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে ও চাকরি ফিরে পাওয়ার দাবিতে রোববার, জুলাই ২৩, ২০২৩, দুপুরে নাসিরনগর উপজেলা প্রশাসনের ভবনের সামনে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে প্ল্যাকার্ড হাতে মানববন্ধন করেছে মামুন। তাতে লেখা রয়েছে- ‘দুই মাসের বকেয়া বেতন, দুই মাস ধরে কর্মস্থলে যোগ দিতে বাধা প্রদান ও পুলিশের হাতে তুলে দেয়ার হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন।’
চাকরি হারানো মামুনের বাড়ি নাসিরনগর উপজেলার নাসিরপুর গ্রামে। তিনি নাসিরনগর সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্র।
মামুন জানান, তিনি ন্যাশনাল সার্ভিসের আওতাধীন প্রকল্পের কর্মী হিসেবে প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে চাকরি করতেন। দুই বছরের ওই প্রকল্প থেকে মাসে ছয় হাজার টাকা বেতন পেতেন। ২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর তিনি অস্থায়ী ভিত্তিতে দুই বছরের জন্য কাজে যোগ দেন। সম্প্রতি ছাত্রদলের সাবেক নেতা নাসির উদ্দিনকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তিনি তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সংক্রান্ত ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকেই তার ওপর নেমে আসে অফিসিয়াল খড়গ।
মামুন মিয়া বলেন, অফিসে গিয়ে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কাছে অনুরোধ করেন তিনি। এ সময় ওই কর্মকর্তা তাকে পুলিশে ধরিয়ে দেয়ার হুমকি দেন। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘তুমি গিয়ে ছাত্রদল কর, মিছিল-মিটিং কর। তোমার চাকরি করার দরকার নাই।’ এ ঘটনার পর থেকে বেতন-ভাতাও বন্ধ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে আমার বেতন বন্ধসহ কাজ করতে না দেয়ার বিষয়টি জানতে চাই। এ সময় যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জানান, ‘উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিষেধ আছে’। তাই তোমাকে বেতন দেয়া হবে না।’ পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফকরুল ইসলামের কাছে যান তিনি। ইউএনও তাকে জানান, তার বেতন বন্ধ করতে কাউকে নির্দেশ দেননি তিনি। তবে এ বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন ইউএনও।
মামুন আরও জানান, এপ্রিল ও মে মাসে তার বেতন দেয়া হয়নি। জুন থেকে অফিসে আসতে নিষেধ করা হয়। তবে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ বিধায় এ সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র দেয়া হবে না বলে জানানো হয়। এখন তিনি অফিসে যেতে পারছেন না এবং দুই মাসের বেতনও বুঝে পাননি। উল্টো তাকে নানাভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পের চাকরিবিধিতে কোনো রাজনৈতিক দল করা যাবে না, এমন উল্লেখ না থাকলেও তার সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে। এ অবস্থায় মামুন চাকরি ফিরে পেতে চান।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ