বিএসপিপির বিবৃতি : তারেক-জুবাইদার ফরমায়েশি সাজা রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ৯:৪২, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বিএসপিপির বিবৃতি : তারেক-জুবাইদার ফরমায়েশি সাজা রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, আগস্ট ২, ২০২৩ ৭:২১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, আগস্ট ২, ২০২৩ ৭:২১ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহবায়ক প্রফেসর ড.এজেডএম জাহিদ হোসেন ও সদস্য সচিব কাদের গনি চৌধুরী আজ এক যৌথ বিবৃতিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে ফরমায়েশি সাজার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে পেশাজীবী নেতৃদ্বয় বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে সরকারি নীল নকশা অনুযায়ী রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবতী হয়ে এ রায় দেয়া হয়েছে। এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ বিরোধী দলের অনেক নেতাকে ফরমায়েশি রায়ের মাধ্যমে সাজা প্রদান করা হয়েছে। এধরণের ফরমায়েশি রায়ের কারণে বিচার বিভাগের ওপর মানুষের সর্বশেষ আশাটুকু শেষ হয়ে যাচ্ছে।
বিবৃতিতে পেশাজীবীদের শীর্ষ এই দুই নেতা বলেন, তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে অবিশ্বাস্য দ্রুততায় সাক্ষ্য নিয়ে রায় প্রদানের ঘটনা এটাই প্রমাণ করে তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রীকে রাজনীতির মাঠ থেকে সরিয়ে ক্ষমতা দখলের নতুন খেলায় মেতে উঠেছে বর্তমান নিশী রাতের সরকার।অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, দেশে লাখ লাখ মামলার জট থাকলেও তাদের এই মামলায় মাত্র ১৬ দিনে ৪২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। নজির বিহীনভাবে রাতেও তাদের একতরফা সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। তারেক রহমানের আইনজীবীরা এ ধরনের বিচারকাজের বৈধতা বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করতে গেলে তাদের ওপর পুলিশ ও সরকারদলীয় আইনজীবীরা একাধিকবার হামলা চালিয়েছেন। তাদের আদালত কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে বিচারের নামে ক্যামেরা ট্রায়াল চালানো হয়েছে।
আমরা মনেকরি একদফা দাবিতে দেশবাসী যেভাবে রাজপথে নেমে এসেছে এতে ভীত হয়ে জনগনকে বিভ্রান্ত এবং বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের হতাশ করতে সরকারের নির্দেশে এ ফরমায়েশি রায় দেয়া হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকান্ডের তীব্র সমালোচনা করে পেশাজীবী নেতৃদ্বয় বলেন,গোটা দেশ আজ দুর্নীতিতে ডুবে আছে,অথচ দুদক এসব দেখে না। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মী ও দলীয় মদদপুষ্ট ব্যবসায়ী এবং আমলারা দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছে। তারা হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করছে। দেশের টাকা লুটে বিদেশে বেগম পাড়া গড়েছে।প্রতিদিন পত্রিকা এসব দুর্নীতির খবর ফলাও করে ছাপা হলেও দুদক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় না। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে দুদকের কাজই হচ্ছে জিয়া পরিবাররের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করা।
আমরা অবিলম্বে এ ধরণের ফরমায়েশি সাজা বাতিল এবং দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জোর দাবি জানাচ্ছি।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ