খালেদা জিয়ার ‘দেশনেত্রী’ উপাধী নিয়ে পরশের চ্যালেঞ্জ - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৩:০৬, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

খালেদা জিয়ার ‘দেশনেত্রী’ উপাধী নিয়ে পরশের চ্যালেঞ্জ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, আগস্ট ২৬, ২০২৩ ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, আগস্ট ২৬, ২০২৩ ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ‘দেশনেত্রী’ উপাধীকে চ্যালেঞ্জ করেছেন যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ। তিনি বলেন, ১৫ আগস্টে আপনি কীভাবে জন্মদিন পালন করেন? আপনি নাকি দেশনেত্রী। আপনি তো শিশু রাসেলকে দেখেছেন, কোলে নিয়েছেন তাহলে কীভাবে পারেন? আমি আপনার ‘দেশনেত্রী’ উপাধীকে চ্যালেঞ্জ করছি। খালেদা জিয়া দেশনেত্রী তো দূরের কথা ‘নেত্রী’ হওয়ার যোগ্যতা রাখেন না।

শুক্রবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ অফিসে মহানগর যুবলীগ উত্তরের উদ্যোগে আয়োজিত ‘১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্টে শহীদদের স্মরণে’ আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

পরশ বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কালজয়ী মহানায়কদের অনেকেই রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডে শিকার হয়েছেন। কিন্তু এই সকল হত্যাকাণ্ডের মধ্যে একাধিক কারণে সবচেয়ে বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড হচ্ছে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ড। এটি শুধু একটা রাজনৈতিক ব্যক্তির হত্যাকাণ্ড ছিল না এটি ছিল সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশকে জন্মের পরেই গলা টিপে হত্যা করা, নবজাতক দেশকে শিকলে বেঁধে ফেলা এবং নব্য উদ্ভাসিত জাতিসত্ত্বার পরিচয় মুছে ফেলা।

তিনি বলেন, ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে নিকৃষ্ট এবং বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড। কারণ, এই হত্যাকাণ্ডের নির্বিচারে শিকার হয়েছিল এমন একটি পরিবার যারা আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিল।

খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে পরশ বলেন, ১৫ আগস্টে আপনি কীভাবে জন্মদিন পালন করেন? আপনি নাকি দেশনেত্রী। আওয়ামী লীগ এদেশের একটি বৃহত্তম রাজনৈতিক দল, এদেশের জনগোষ্ঠীর একটি বৃহৎ অংশ বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসে, নেতা মানে। তাহলে আপনি কীভাবে সেই জনগোষ্ঠীকে অবহেলা, উপেক্ষা করে জন্মদিন পালন করেন? আপনি তো শিশু রাসেলকে দেখেছেন, কোলে নিয়েছেন তাহলে কীভাবে পারেন? আমি আপনার ‘দেশনেত্রী’ উপাধীকে চ্যালেঞ্জ করছি। খালেদা জিয়া দেশনেত্রী তো দূরের কথা ‘নেত্রী’ হওয়ার যোগ্যতা রাখেন না।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি হিংসার রাজনীতি করে, বাংলা ভাইয়ের মতো জঙ্গি সৃষ্টি করে, বোমাবাজির রাজনীতি করে, হত্যার রাজনীতি করে, লাশের রাজনীতি করে। বিএনপি একটি সন্ত্রাসী দল, যারা পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা এবং একটা এলিট শ্রেণির স্বার্থ রক্ষা করে নিজেদের টিকিয়ে রাখার জন্য। আজকে বাংলার যুবসমাজ বিএনপির রাজনীতি এদেশে নিষিদ্ধ করার দাবি করছে। বিএনপির রাজনীতি নিষিদ্ধ করা এই প্রগতিশীল ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের সময়ের দাবি। বিএনপির সৃষ্টি হয়েছিল এ দেশকে একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রতে পরিণত করতে, তারা মানুষের অধিকার হনন করতে পারদর্শী।

আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, এদেশে তরুণ সমাজ, যুব সমাজ ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার খুনি, ১০ ট্রাক অস্ত্রের চোরা-চালান মামলার আসামি, জঙ্গিবাদের মদদদাতা, ছাত্রসমাজ, যুব সমাজ ধ্বংসকারী, বিদেশে অর্থ পাচারকারী খুনি তারেক রহমানকে আর চায় না। তাদের দাবি খুনি তারেক রহমানকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের রায় কার্যকর করা।

তিনি মির্জা ফখরুলকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, আপনি যদি বাংলাদেশের নাগরিক হতেন তাহলে খুনি তারেকের নির্দেশে পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ পুড়িয়ে মারতেন না। আপনি যদি দেশকে ভালোবাসতেন, দেশের মানুষকে ভালোবাসতেন তাহলে দেশের উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করতেন না। আপনি বলেন, পাকিস্তান আমলেই না কি ভালো ছিলেন, আমি বলতে চাই-পাকিস্তান যদি আপনার কাছে এতই প্রিয় হয় তাহলে পাকিস্তানেই চলে যান।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বদিউল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক জহির উদ্দিন খসরু, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, দপ্তর সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিপ্লব মুস্তাফিজ, উপ-দপ্তর সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা, উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ নবীরুজ্জামান বাবু প্রমুখ।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ