নির্বাচন কোন পথে চলবে নির্ধারণ কর‌বে জনগণ: গণতন্ত্র মঞ্চ - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৪:২৫, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

নির্বাচন কোন পথে চলবে নির্ধারণ কর‌বে জনগণ: গণতন্ত্র মঞ্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৩ ৮:৪৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৩ ৮:৪৩ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশের সাংবিধানিক কাঠামো, পুলিশ-প্রশাসন, আইন-কানুন, নির্বাচন কোন পথে চলবে সেটা জনগণ নির্ধারণ করবে ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছে গণতন্ত্র মঞ্চ’র নেতৃবৃন্দরা।

বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সারাদেশে দমন, নিপীড়ন, গ্রেফতার ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের প্রতিবাদে এবং অবৈধ সরকারের পদত্যাগ, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবীতে এক সমা‌বে‌শে এ সব কথা ব‌লেন গণতন্ত্র মঞ্চ’র নেতৃ‌বৃন্দুরা ।

সভাপতির বক্তব্যে তানিয়া রব বলেন, গণতন্ত্র মঞ্চ এই অবৈধ সরকারের পতনের লড়াই করছে একই সাথে বাংলাদেশের পুলিশ-প্রশাসন, সাংবিধানিক কাঠামো, আইন-কানুন কোন পথে চলবে সেই সংস্কার করতে চাই। জনগণকে এই লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।

মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এই সরকার পরপর দুইবার মানুষের ভোটের অধিকার ক্ষুন্ন করেছে এবার আর সে সুযোগ নিতে পারবেন না। এই সরকার মিথ্যাবাদী, আজকে রিজার্ভের যে পরিস্থিতি তাতে ৫ মাস পরে মানুষের খাবার পাবেনা। মিডিয়ার প্রতি বলেন আপনারা পাতি (টাকা) চিনেন, সরকারের কাছ থেকে পাতির প্রত্যাশা করেন সেটা না করে সঠিক চিত্র তুলে ধরুন। গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা কখনও লুটপাট করেনি। আগামীর বাংলাদেশকে পরিচালনা করতে আমরা প্রস্তুত। লুটপাটের সরকারকে পদত্যাগ করতেই হবে। গণমাধ্যমে জনগণের দাবীর চিত্র তুলে ধরুন, দালালি করে লাভ হবে না। নির্বাচন কমিশন সংবিধানের দোহাই দিচ্ছেন শেখ হাসিনা না থাকলে ওই সংবিধান ধুয়ে ধুয়ে পানি খেতে হবে।

সাইফুল হক বলেন, আমাদের রিজার্ভ হ্রাস পেয়েছে, ভিসানীতি কার্যকর হয়েছে তাতেই রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। এখন যদি গার্মেন্টস এর উপর নিষেধাজ্ঞা আসে তবে কি পরিস্থিতি হবে? সরকার ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পরেও এখন কেন পাহারা দিতে হবে? তার কি অন্যায় করছে? এখন যে পরিস্থিতি তাতে আপনার উচিত হবে আমেরিকা থেকে ফিরে সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগ করে, অন্তবর্তিকালীন সরকার গঠন করুন। অন্যথায় আপনার বিদায় হবে ভয়ানক ও দুঃখজনক।

জোনায়েদ সাকি বলেন, সরকার নাকি সভা সমাবেশে বাঁধা দেয় না, কিন্তু শ্রমিক সংগঠন গুলো হল বুকিং নেওয়ার পরেও বিভিন্ন অজুহাতে আমাদেরকে বাঁধার সৃষ্টি করে। দেশে কোন গণতন্ত্র নেই। সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য একতরফা নির্বাচনের নীলনকশার ষড়যন্ত্র করছে আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে তা প্রতিহত করবো। আমাদের এ কর্মসূচি সরকারের পতন ও গণতন্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আমাদের বিজয় অনিবার্য।

শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু বলেন, আমেরিকাতে বসে ঘোষণা করছেন, জনগণকে নিয়ে আমেরিকাকে স্যাংশন দিবেন। আপনার সাথে কি জনগণ আছে? আপনি অবৈধভাবে জোর করে ক্ষমতায় থাকতে চাচ্ছেন। আপনার কারণে আজকে এই স্যাংশন। আপনি দেখতে থাকুন অক্টোবর মধ্যে আপনাকে ক্ষমতা থেকে টেনে নামিয়ে ছাড়বো।

হাসনাত কাইয়ুম বলেন বাংলাদেশের বিচারপতিরা এতটা নির্লজ্জ পর্যায়ে আছেন, নিজের মর্যাদা, দেশের ভাবমুর্তি ও ঐতিহ্যকে বিতর্কিত করতেও দ্বিধাবোধ করেন না। আমাদের অর্থনৈতিক বেহাল অবস্থায় নিয়েও লুটপাট থামেনি, দেশের এ পরিস্থিতিতে আওয়ামী সরকারকে এক মুহুর্ত ক্ষমতায় রাখার সুযোগ নাই।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল্লাহ কায়সার, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান রিজু, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজ মিয়া, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান, গণসংহতি আন্দোলনের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য জুলহাস নাইন বাবু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সাংগঠনিক সমন্বয়ক ইমরান ইমন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ