গার্মেন্টস শিল্প, রপ্তানি খাত নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়তে পারে: সাকি - জনতার আওয়াজ
  • আজ ভোর ৫:০৬, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

গার্মেন্টস শিল্প, রপ্তানি খাত নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়তে পারে: সাকি

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৩০, ২০২৩ ৪:২৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৩০, ২০২৩ ৪:২৫ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক
বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প থেকে শুরু করে আমাদের রপ্তানি খাত নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়তে পারে ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছেন গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি।

বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে হরতালের সমর্থনে গণতন্ত্র মঞ্চ আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলের পর সমাবেশে এসব কথা বলেন সাকি।

সাকি বলেন, গতকাল বা পরশু বাংলাদেশের যে দূতাবাস আছে ওয়াশিংটনে, সেখানকার বাণিজ্য মিনিস্টার তিনি সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, আমেরিকার যে নতুন শ্রমিক অধিকার বিষয়ক নীতিমালা সেটাকে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। এই নীতিমালা আওতায় বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প থেকে শুরু করে আমাদের রপ্তানি খাত নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়তে পারে।

তি‌নি বলেন, আমরা বারবার বলেছি একতরফা নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক সংকটকে আরও ঘনীভূত করবে, বিপর্যস্ত করবে। দেশকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেবে। কারণ আমরা একতরফা নির্বাচন করলে একটা কূটনৈতিক সংকটের মধ্যে পরবো।

এই নির্বাচন কেবল বয়কট নয়, গণ প্রতিরোধের মাধ্যমে এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে আমাদেরই একটা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে হবে জানিয়ে সাকি বলেন, ‘বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ শ্রমিক এই রপ্তানি খাত গড়ে তুলেছেন। উদ্যোক্তারা নানান পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে শিল্প গড়ে তুলেছেন। আর এই সরকার ক্ষমতায় থাকার জন্য বাংলাদেশের সমস্ত কলকারখানা, মানুষের পেটে লাথি মারার চিন্তা করছে। বাংলাদেশের বাজারকে হুমকির মধ্যে ফেলছে। সুতরাং আগামী নির্বাচন শুধু শেখ হাসিনার ক্ষমতার নবায়ন নয়, বাংলাদেশকে ধ্বংস করার লাইসেন্স।’

দেশের মানুষকে রাজপথে নামার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষকে তারা বোকা ভাবেন, বিদেশীদেরকেও তারা বোকা ভাবতে শুরু করেছেন। তারা ভেবেছে এভাবে সবার চোখে ধুলো দেওয়া যাবে। বাংলাদেশের সকল মানুষ জানে, এমনকি যারা আওয়ামী লীগ করে তারাও জানে যে এই সরকার দেশের মানুষের সঙ্গে সর্বোচ্চ প্রতারণা করছে। বাংলাদেশের মানুষকে রাজপথে নামতে হবে। ওই যে গুন্ডা পান্ডা কয়েকটা আছে তাদেরকে ধাওয়া দিতে হবে।’

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারন সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, রাজপথের সকল বিরোধী দল এই নির্বাচনকে প্রত্যাখান করছেন, বর্জন করেছেন। জনগণ এই সাজানো নির্বাচনকে প্রতিরোধের ডাক দিয়েছেন। সরকার গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে দিয়ে অনেক চেষ্টা করেছেন বিভিন্ন চাপ-হুমকি-প্রলোভনের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন লোককে নির্বাচনে যুক্ত করার জন্য। কিন্তু রাজনৈতিক দল ও জনগণের সকল অংশ কেউ আজকে সরকারের সাজানো ফাঁদে পা দেয়নি। এটা সরকারের বড় রাজনৈতিক পরাজয়।

তিনি আরও বলেন, সরকার বুঝতে পেরেছে এটা ১৪ বা ১৮ সালের মতো আরেকটা সাজানো নির্বাচন করে শেষ রক্ষা করতে পারবে না। নৌকা নাকি ডুবতে শুরু করেছে, তলা নাকি ফুটো হয়ে গিয়েছে। নৌকায় যখন পানি উঠা শুরু করে, তখন কোন সচেতন মানুষ ডুবন্ত নৌকায় উঠতে চায় না।

ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলুর সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন প্রমুখ।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ