প্রেমের টানে সাইপ্রাসের তরুণী এবার আশুলিয়ায় - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১১:৪৪, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

প্রেমের টানে সাইপ্রাসের তরুণী এবার আশুলিয়ায়

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, ডিসেম্বর ১, ২০২৩ ১১:৩৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, ডিসেম্বর ১, ২০২৩ ১১:৩৭ অপরাহ্ণ

 

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

দীর্ঘদিনের প্রেম, অবশেষে সুদুর সাইপ্রাস থেকে ছুটে এসেছে ঢাকার সাভারের আশুলিয়ার তরুণ শামিমের ঘরে। বিয়ের কাজ সরেছেন এই দম্পতি। তাকে বরণ করতে নানা আয়োজন। বিদেশিনীকে একনজর দেখতে ভীড় জমাচ্ছেন এলাকাবাসী।এই খবরে যেন উৎসবের আমেজ এলাকায়।

শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে আশুলিয়ার গাজীরচট আয়নাল মার্কেট এলাকায় শামীম আহমেদের বাড়িতেই দেখা মেলে নতুন এই দম্পতির। কথা হয় তাদের সাথে। গতকাল ৩০ নভেম্বর বিয়ে করেছেন তারা। এর আগে, ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশে এসেছেন আন্তিতেলেবান্তু।

শামীম ও আন্তিতেলেবান্তুর সাথে কথা বলে জানা যায়, শামীম ২০১৫ সালে পাড়ি জমিয়েছিলেন সাইপ্রাসে। পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের খরচ চালাতে চাকরি নিয়েছিলেন সাইপ্রাসের একটি পানশালায়। মেয়েটিও সেখানেই চাকরি করতেন। আর সেখানেই তাদের পরিচয়। পড়াশোনা শেষে এ বছরের জুনে দেশে ফিরে আসেন শামীম। সাইপ্রাসে আইনী জটিলতা থাকায় সেখানে তাদের বিয়ে না হলেও দুই পরিবারের সম্মতিতে ২০২১ সালে হয়েছিল বাগদান। বাংলাদেশে আসার আগেই নিজের ধর্ম ছেড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন আন্তিতেলেবান্তু। এরপরেই দেশে এসে মুসলিম আইন আনুযায়ী দুজনে আবদ্ধ হলেন দম্পতি হিসেবে।

কেন বাংলাদেশকে ভালো লেগেছে আন্তিতেলেবান্তুর? জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতির কারণে এদেশকে পছন্দ করেছেন তিনি। আর শামীমকে কেন স্বামী হিসেবে পছন্দ করেছেন তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, শামীম মানুষ হিসেবে খুবই ভালো ও মিশুক। আর সবচেয়ে বড় বিষয় শামীম সম্পর্কের ব্যাপারে প্রচন্ড অনুগত। আমার পরিবার শামীমের ব্যাপারে সব জানে। তারাও খুশি।

শামিম আহাম্মেদ বলেন, আমরা দুজন সাইপ্রাসেই বাদ্গান করেছি। আন্তিতেলেবান্তুর গত ২৭ নভেম্বর হঠাৎ করে আমাকে ফোন করে বলে আমি তোমার দেশে আসছি, আমি দেশে আসার জন্য তৈরি। পরে দেশে আসার পর গতকাল ৩০ নভেম্বর আমরা বিয়ে করি। বিয়েতে আমার পরিবারের সবাই অত্যন্ত খুশি।

৫ ভাই ৩ বোন ও মা হালিমাকে নিয়ে বাংলাদেশে শামীমের পরিবার। বাবা মারা গেছেন বেশ কিছুদিন আগেই। বর্তমানে চাকরি করছেন বাংলাদেশের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। শামিমের মা হালিমা আক্তার বলেন, আমার ছেলের বিয়েতে আমাদের কারও কোনো আপত্তি নেই বরং আমরা খুশি যে আমার ছেলে বিয়ে করেছে।

শামিমের চাচি সেলিনা আক্তার বলেন, এই বিয়েতে পরিবারের সবাই খুশি। ভিন্ন ধর্মের মেয়ে মুসলিম হয়ে আমাদের মতোই চলাফেরা করছে। এটা খুবই আনন্দের বিষয়।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ