নির্দোষ খালেদা জিয়াকে ১০ বছর ধরে বন্দী করে রাখা হয়েছে : মান্না
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৪ ৫:৫২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৪ ৫:৫২ অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, আমেরিকা বাংলাদেশে সবচাইতে বেশি টাকা বিনিয়োগ করেছে। তারাও বলেছে এই নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি, কিন্তু টাকা পায় বলেই শুধু সম্পর্ক টিকিয়ে রেখেছে। তার মানে এই না যে এটা স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। ইউরোপের কোনো দেশ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় নি। ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছেন, ইংল্যান্ডে অনেক বাংলাদেশী অবৈধভাবে বসবাস করে, তাদের ফেরত নিয়ে যান। অথচ এই চিঠির খবর কোথাও ছাপানো হয় নি।
শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারী) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তৃণমূল নাগরিক আন্দোলন কর্তৃক আয়োজিত অরক্ষিত সীমান্ত, ধর্ষিত বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার শীর্ষক উন্মুক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মান্না বলেন, মিয়ানমার সমস্যা খুব জটিল সমস্যা। কোনো মূর্খ নেতার পক্ষে সেটা সমাধান করা সম্ভব বলে আমাদের মনে হয় না। যখন লাখ লাখ রোহিঙ্গা দেশে প্রবেশ করেছে তখন শেখ হাসিনার ছোট বোন তাকে বলেছিলেন, তুমি ১৭ কোটি লোককে খাওয়াতে পারো, আর ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে খাওয়াতে পারবে না? এরকম অর্বাচীনতা বিশ্বের কোনো রাজনীতির মধ্যে নাই। এখন সেই মিয়ানমারের লোকজনই সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে।
ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ্য করে মান্না বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন যারা আন্দোলন করার চেষ্টা করবে তাদেরকে খেসারত দিতে হবে। আমি (মান্না) জানতে চাই, সেই খেসারতটা কি? নির্দোষ একজন মহিলাকে (খালেদা জিয়া) ১০ বছর ধরে বন্দী করে রাখা হয়েছে। আপনারা মানুষের সংজ্ঞায় পড়েন কিনা, তা নিয়ে আমাদের দ্বিধা রয়েছে।
ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, এই ১৫ বছরে আপনারা যত অন্যায়, অপরাধ করেছেন তার সবকিছুরই জবাব দিতে হবে। তারা (আ.লীগ) খালেদ জিয়া, মির্জা ফখরুলের বিরুদ্ধে ১০ থেকে ২০ টা করে মামলা প্রদান করে। আমরা যদি ক্ষমতায় গিয়ে তাদের (আ.লীগ) বিরুদ্ধে মামলা দিতে থাকি, তা একটি ডিকশনারি সমান হয়ে যাবে। দেশের মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়ার অপরাধে মামলা হবে। দেশের ১৭ কোটি মানুষ ইতিমধ্যে রায় দিয়েছে, তারা (আ.লীগ) নির্বাচিত নয়। আমরা তোমাদের ভোট দেই নাই ।
কোনো একভাবে বাংলাদেশে এটা প্রতিষ্ঠিত যে, আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার নেতৃত্ব দিয়েছিল। কোনো একভাবে বলার কারণ হলো, আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় লোকজন কোনো আন্দোলন করেন নি। পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে দেশের মানুষ যখন সোচ্চার হয়ে উঠেছিল, সেসময় তার নেতৃত্বে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল আওয়ামী লীগ।
তৃণমূল নাগরিক আন্দোলনের সভাপতি মুহাম্মদ মফিজুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহাবুব উদ্দিন খোকনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
জনতার আওয়াজ/আ আ