ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ভয়েস বার্তায় বাঁচার আঁকুতি নিখোঁজ গৃহবধূর - জনতার আওয়াজ
  • আজ সন্ধ্যা ৭:২২, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে ভয়েস বার্তায় বাঁচার আঁকুতি নিখোঁজ গৃহবধূর

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৪ ১:৪০ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৪ ১:৪১ পূর্বাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে শ্বশুরবাড়ি থেকে গৃহবধূ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা আজ থেকে প্রায় এক মাস পূর্বে। এর মধ্যে নিখোঁজ মেয়ের সন্ধানে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নেন গৃহবধূর বাবা-মা ও তার স্বজনরা। এতো খোঁজাখুঁজির পরও নিখোঁজ মেয়ের সন্ধান না পেয়ে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি বিজয়নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন নিখোঁজ হওয়া গৃহবধূর মা সুমি বেগম।

জানা গেছে, নিখোঁজ হওয়া গৃহবধূ খাজিদা আক্তার ময়নার বাবা বাড়ি একই উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ছতুরপুর গ্রামে। সে ছতুরপুর গ্রামের সেলিম মিয়া বড় মেয়ে। ময়নার সঙ্গে প্রায়ই ৭ বছর পূর্বে একই উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর গ্রামের মো. রমজান মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়া সৌদি প্রবাসীর সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। স্বামী প্রবাসে থাকলেও ওই গৃহবধূর তাবাচ্ছুব (৫) বছরের একটি কন্যা সন্তান নিয়ে বসবাস করতো স্বামীর বাড়িতে। গত ১৯ জানুয়ারি বিকেল ৩টায় খাদিজা আক্তার ময়না (২৫) তার শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। প্রায় এক মাস গড়ালেও কোনো সন্ধান মেলেনি ওই গৃহবধূর।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে শ্বশুরবাড়ি থেকে গৃহবধূ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা আজ থেকে প্রায় এক মাস পূর্বে। এর মধ্যে নিখোঁজ মেয়ের সন্ধানে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নেন গৃহবধূর বাবা-মা ও তার স্বজনরা। এতো খোঁজাখুঁজির পরও নিখোঁজ মেয়ের সন্ধান না পেয়ে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি বিজয়নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন নিখোঁজ হওয়া গৃহবধূর মা সুমি বেগম।

জানা গেছে, নিখোঁজ হওয়া গৃহবধূ খাজিদা আক্তার ময়নার বাবা বাড়ি একই উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ছতুরপুর গ্রামে। সে ছতুরপুর গ্রামের সেলিম মিয়া বড় মেয়ে। ময়নার সঙ্গে প্রায়ই ৭ বছর পূর্বে একই উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর গ্রামের মো. রমজান মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়া সৌদি প্রবাসীর সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। স্বামী প্রবাসে থাকলেও ওই গৃহবধূর তাবাচ্ছুব (৫) বছরের একটি কন্যা সন্তান নিয়ে বসবাস করতো স্বামীর বাড়িতে। গত ১৯ জানুয়ারি বিকেল ৩টায় খাদিজা আক্তার ময়না (২৫) তার শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। প্রায় এক মাস গড়ালেও কোনো সন্ধান মেলেনি ওই গৃহবধূর।

ময়না নিখোঁজ হওয়ার পর সম্প্রতি একটি ভয়েস বার্তা প্রকাশ পায়। ভয়েস বার্তা প্রকাশের পর ঘটনাটি মোড় নেয় ভিন্ন দিকে।

ময়নার স্বামীর কাছে পাঠানো ভয়ে বার্তায় গৃহবধূ জানায়, আমারে কিভাবে ভুলে থাকতেছো, আমাকে কি বাঁচাইবা না, আমি কোথায় আছি বলতে পারছি না। চারপাশে পাহাড় আর প্রচন্ড ঠান্ডা। আম্মা (শাশুড়ি) এবং আপা (স্বামীর ছোট বোন) জানে আমি কোথায় আছি। আমার মোবাইল পপি আপা কোথায় জানি রাখছে। তুমি পপি আপার সাথে কথা বল। এখানে অনেক ঠান্ডা।

স্বামীর কাছে ইমুর মাধ্যমে খাদিজা আক্তার ময়নার পাঠানো ভয়েস বার্তায় পরে স্বামী রাসেল মিয়া প্রবাস থেকে এ ভয়েস বার্তা ময়নার বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। ময়নাকে উদ্ধারের ব্যবস্থা নিতে জানান বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ময়নার চাচা মোশাররফ হোসেন। তিনি আরও বলেন, আমার ভাতিজি একজন সরল সহজ মেয়ে, এ ব্যাপারে থানায় মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এটি কি নিখোঁজ না কি গুম তা নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন। এদিকে শনিবার সকালে ময়নার শ্বশুর-শ্বাশুড়িকে পুলিশি জেফাজতে আনা হয়েছে। তথ্য সংগ্রহের কাজ করছে পুলিশ।

এ বিষয়ে বিজয়নগর থানার ওসি আসাদুল ইসলাম বলেন, গৃহবধূ নিখোঁজের বিষয়ে একটি জিডি করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে গৃহবধূ উদ্ধারের বিষয়ে কাজ করছে পুলিশ।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ