প্রিয় বাতেন ভাই চলে গেলেন - জনতার আওয়াজ
  • আজ ভোর ৫:৩৪, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

প্রিয় বাতেন ভাই চলে গেলেন

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: মঙ্গলবার, মার্চ ১২, ২০২৪ ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: মঙ্গলবার, মার্চ ১২, ২০২৪ ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ

 

কুমিল্লা জেলার বশিকপুর মুন্সী বাড়ী নিবাসী আমাদের সবার প্রিয় প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক ও বর্তমান সাংবাদিক নেতা মোঃ আব্দুল বাতেন মুন্সী আজ ১১ মার্চ ২০২৪ সোমবার সকাল আটটা দশ মিনিটের সময় ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করিয়াছেন।
(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।)
আল্লাহ তাআলা শ্রদ্ধেয় প্রিয়ভাইকে বেহেস্তের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন ,আমীন।
আজ বাদ মাগরিব মুন্সিবাড়ি বাইতুস সালাম জামে মসজিদের মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
কত কথা,কত স্মৃতি ভাইটির সাথে। পল্টনে প্রায় দেখা হতো। মাঝে মাঝে একসাথে চা পান করতাম।সুন্দর একটা হাসি দিয়ে বলতো ভাই বিলটা আমি দিব।তখ না বলতে পারতাম না।জীবনের বেশি সময় শিক্ষকতা করেছেন শেষদিকে এসে সাংবাদিকতা করছেন এবং নেতৃত্ব দিয়েছেন। আজ পল্টন থেকে যখন বাসায় ফিরছিলাম তখন জহির ভাই সহ অনেকের চোখ ছলছল করছিলো।কেউ কথা বলতে পারছিলো না।একজন কাদোঁ কাদোঁ কন্ঠে বলছিলো ভাই সবাইকে চলে যেতে হবে।গত ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ জন্মদুঃখী মা চলে গেলেন। এখনো ৪০ দিন শেষ হয়নি।আগামী ১৩ রমজান বাবার ৪৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী এবং ২৬ মার্চ ২০২৪ মা এর চল্লিশা।মা-বাবা দুজন এখন খুলনা খালিশপুরের গোয়ালখালী কবরস্থানে ঘুমিয়ে আছেন।
বাসায় ডুকতেই বড় ভাই এর বড় চাচা শ্বশুর এর মৃত্যুর খবর পেলাম।তার অনেক বয়স হয়েছিল। বিছানায় পড়ে ছিল।আল্লাহ দয়া করে তাকে নিয়ে গেলেন। বাতেন ভাই এর কথা লিখতে কত কথা লিখে ফেললান।গত ১মাসে আমার ৫/৬জন ৯০’র ব্যাচ বন্ধুরা চলে গেলো। খুব কাছের ছোট ভাই শাহাব উদ্দিন ভূঁইয়া গত ২০ ফেব্রুয়ারী২০২৪ মর্মন্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় চলে গেলো।তখন মনে হলো আমাদেরও সময় হয়ে গেছে। যেকোনো সময় ডাক চলে আসতে পারে। আজ সেহেরী খাব।আগামীকাল থেকে আল্লাহ তায়ালা যেন ৩০ টা রোজা রাখার তৌফিক দান করেন।মা এর কথা খুব মনে পড়ছে। সর্বশেষ গত ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ শুক্রবার দেখা হয়েছিল। স্কল বন্ধুদের আমন্ত্রণে প্রতি বছর খালিশপুর নৌবিহার যায়।এবারও গিয়েছিলাম
আমার স্ত্রী মায়ের জন্য ও আমাদের ছেলে রনির জন্য অনেক কিছু রান্না করে দিয়েছিলো।এবার নিয়ে গিয়েছিলেন। মা আমাকে আচার দিয়ে দিয়েছিলো।এবার মা এর কাছ থেকে টাকা আমি নিয়েছিলাম।তখন মা বলেছিলো রোজার সময় আমাকে দুধের টাকা দিস।মা সব রোজা রাখতেন সাথে ৬ রোজাও রাখতেন। মা এর খাবার ছিলো দুধ,দই,চিড়া আর কাঁঠালী কলা,আখের গুড় ও খেজুর। মা কে আর কোনদিনও এসব কিনে দিতে হবে না।আমার মা।আমার জান্নাত।
বাতেন ভাই এর বাড়ীর সবাই খুব কাদঁছে।আমার ও খুব কান্না পাচ্ছে। চোখের কোনায় পানি চলে এসেছে।আর লিখতে পারছিনা।সবাই আমার মা,বাতেন ভাই,শাহাব ভূইয়ার জন্য দোয়া করবেন।

মো.মঞ্জুর হোসেন ঈসা
চেয়ারম্যান
জাতীয় মানবাধিকার সমিতি

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ