অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের আজীবন আয়ের সমান ক্ষতিপূরণ দিতে হবে : বাম জোট - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ৭:০১, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের আজীবন আয়ের সমান ক্ষতিপূরণ দিতে হবে : বাম জোট

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, অক্টোবর ১৫, ২০২৫ ৮:৫৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, অক্টোবর ১৫, ২০২৫ ৮:৫৩ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
মিরপুরের শিয়ালবাড়ীতে আগুনে পুড়ে যাওয়া রাসায়নিক গুদাম ও পোশাক কারখানা পরিদর্শন শেষে বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ‘আগুনে পুড়িয়ে কাঠামোগতভাবে মানুষ হত্যার ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার করতে হবে। নিহতদের আজীবন আয়ের সমান ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।’

বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর মিরপুরে শিয়ালবাড়ীতে অগ্নিকাণ্ডকবলিত কারখানা এলাকা পরিদর্শন করেন বাম জোটের নেতারা।

তারা ভুক্তভোগী শ্রমজীবী জনগণের সঙ্গে কথা বলেন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তাদের কাছ থেকে সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ ক্বাফি রতন, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাসদ (মার্কসবাদী)’র কেন্দ্রীয় সদস্য রাশেদ শাহরিয়ার, সমাজতান্ত্রিক পার্টির আব্দুল আলী, সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. সাজেদুল হক রুবেল, বাসদ নেতা নাসির উদ্দিন প্রিন্স, কমিউনিস্ট লীগের নেতা ইকবাল কবির প্রমুখ।

বাম জোট নেতারা বলেন, সরকার ও মালিকদের চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেখলাম আমরা আজকে এখানে এসে। বুধবার সকালেও পার্শ্ববর্তী কারখানাগুলোতে শ্রমিকরা কাজে এলে বিষাক্ত গ্যাসে অনেক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন।

এটা প্রমাণ করে এই রাষ্ট্র শ্রমজীবী জনগণকে কি দৃষ্টিতে দেখে! তারা বলেন, ঘনজনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় কিভাবে রাসায়নিক গুদামের অনুমতি দেওয়া হয়, তা আমাদের বোধগম্য নয়। তাজরীন, নীমতলী, চকবাজার, হাশেম ফুডসহ একের পর এক ট্র্যাজেডির পরও সরকার, প্রশাসন, কলকারখানা পরিদর্শক ও মালিকরা তার থেকে কোনো শিক্ষা নেয় না। ফলে মালিকদের মুনাফার আগুনে পুড়ে বারবার জীবন দিতে হচ্ছে দেশের শ্রমজীবী মানুষকে। আমরা এখানেও দেখলাম আগুন লাগার পর ছাদের গেটে তালা দিয়ে শ্রমিকদের জীবনকে বিপন্ন করা হলো।
কোনো সেফ এক্সিট কিংবা অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ছিল না বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসেছে। এর দায় কলকারখানা পরিদর্শক অধিদপ্তর এড়াতে পারে না।

নেতারা বলেন, এই এলাকার পার্শ্ববর্তী কারখানাগুলোতে তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করে প্রত্যেক ভবনে নিরাপদ কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করে কারখানা চালু করা হোক। তারা দাবি করেন, প্রত্যেক নিহত শ্রমিকের আজীবন আয়ের সমান ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, আহতদের সুচিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে তাদের পুনর্বাসনের দায়িত্ব সরকার ও মালিককে নিতে হবে। একই সাথে এই ঘটনায় হতাহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করতে হবে, যথাযথ তদন্ত করে তার প্রতিবেদন জাতির সামনে প্রকাশ করতে হবে এবং এর সাথে দায়ী মালিক, প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ